20/05/2026
ফুলের মতো একটা বাচ্চা! নাম রামিসা। পড়ে ক্লাস টু-তে। তাকে শুরুতে করা হয় ধ'র্ষ'ণ, এরপর মে/রে ফেলা হয়। সেটাও নৃশংসভাবে! আর এই জঘন্য কাজ করে পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া। ঘটনাটা ঘটেছে মিরপুরের পল্লবীতে।
পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসার মা তাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খুঁজতে থাকেন। তবে পান না। এ সময় বাসার সামনে এক পাটি জুতা দেখতে পেয়ে, তিনি পাশের ফ্ল্যাটে সন্দেহ করেন। দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় তিনি ডাকাডাকি ও ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন। একপর্যায়ে দরজা খুললে, সহযোগী আসামি স্বপ্না আক্তারকে পাওয়া যায়। তবে মূল আসামি সোহেল রানা জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায়।
এই স্বপ্না আক্তার হচ্ছে ধ'র্ষ'ক ও হ/ত্যা-কারী সোহেলের স্ত্রী। সম্ভবত স্বামীকে বাঁচাতে সেও এই হত্যাকান্ডে অংশ নেয়।
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের ৭ নম্বর সড়কের ৩৯ নম্বর বাড়ির তিনতলার একটি ফ্ল্যাট থেকে রামিসার খণ্ডিত লা/শ উদ্ধার করা হয়। শিশুটিকে হ/ত্যা-র পর তার মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়। বিচ্ছিন্ন মাথা বাথরুমে পাওয়া যায়। আর শরীরের মূল অংশটি পাওয়া যায় খাঁটের নিচ থেকে। ভাবতে পারেন কী নৃশংসতা? একটা বাচ্চা মেয়ে কত কী সহ্য করলো! মেয়েরা আসলে কত বছর বয়সে এ দেশে নিরাপদ? ঠিক কার কাছেই বা নিরাপদ ‼️
ধারণা করা হচ্ছে, অপরাধ গোপন ও মরদেহ সরিয়ে ফেলার উদ্দেশ্যে আসামি মরদেহ খণ্ডবিখণ্ড করার চেষ্টা করেছিলো। কিন্তু তার আগেই ভিকটিমের মা বিষয়টি টের পেয়ে যাওয়ায়, সে তার পরিকল্পনা সম্পূর্ণ করতে পারেনি এবং পালিয়ে যায়। যদিও পরে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায়, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকও গ্রেপ্তার করেছে।
দেশে ভাই এসবই চলছে! ভালো খবর নাই যে শেয়ার করবো। যাই হোক, আসামী যখন হাতে! এত একটা ভয়াবহ শাস্তি দিয়ে, ভবিষ্যতের জন্য নজির রাখা উচিত। আর কত!