25/01/2017
সুস্থ থাকতে কিছু করণীয় যা সব সময় করা উচিত_________
ফাস্টফুড থেকে দূরে থাকুনঃ- দোকানে যে সব রেডিমেড খাবার বা ফাস্টফুড পাওয়া যা, সেগুলো একেবারেই খাওয়া উচিত নয় কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে চিনি, তেল, ফ্যাট এবং নানা রকম ক্ষতিকর পদার্থ লুকিয়ে থেকে । বিজ্ঞানীরা বলছেন, শিশুদের ক্ষেত্রে ফাস্টফুড হাঁপানি হওয়ার শঙ্কা প্রায় ৪০ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়৷ ৩১টি দেশের শিশুদের ওপর এক গবেষণা করে এ তথ্য জানা গেছে৷ তাই ছোটবেলা থেকেই স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করতে হবে৷
ব্রেনের জন্য খাবারঃ - মস্তিষ্ক কে খাবার দিনঃ- শর্করা এবং গ্লুকোজ মানুষের ব্রেইনের জন্য খুবই উপকারী। এই খাদ্য উপাদান থাকে বিভিন্ন ফল, রুটি, মিষ্টি আলু, নুডলস, মাছ-মাংস, কাঠবাদাম প্রভৃতিতে৷ তাই অল্প পরিমাণে বিভিন্ন ধরনের বাদাম নিয়মিত খাওয়া প্রয়োজন৷ এতে শরীরের প্রয়োজনীয় মৌলিক উপাদানগুলি রয়েছে৷ দেখা গেছে, সপ্তাহে দুই বা তিনদিন বিভিন্ন রকমের বাদাম খেলে হৃদরোগ থেকে দূরে থাকা সম্ভব৷ ডিমের কুসুমও মস্তিষ্কের জন্য উপকারী৷
দুধ জাতীয় খাবারঃ- প্রতিদিন খাবারের তালিকায় দুধ জাতীয় খাবার রাখা উচিত। তবে আজকাল এমন অনেকেই আছেন অ্যালার্জির কারণে সরাসরি দুধ পান করতে পারেন না । এই কারণে দুধের তৈরি অন্য কিছু যেমন মাখন, পনির খেতে পারেন। দুধে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ রয়েছে যা শরীরের জন্য খুবই উপকারী । দুধ কে সুষম খাবার ও বলে।
আদা, রসুন, পেঁয়াজের জুড়ি নেইঃ-রান্নায় যতটা সম্ভব কম তেল ব্যবহার করুন৷ আর যদি সম্ভব হয় সরাসরি উদ্ভিজ্জ তেল ব্যবহার করাই ভালো৷ উদ্ভিজ্জ খাদ্যে যেমন অল্প পরিমাণে ক্যালোরি থাকে, তেমনি অন্যদিকে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, খনিজ পদার্থ আর ফাইবার৷ এশীয় রান্নাঘরে আদা, রসুন, পেঁয়াজের ব্যবহার এমনিতেই রয়েছে৷ এই পেঁয়াজ, রসুন, ক্যানসার রোধে সহায়ক৷ আর আদা ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলে পেট পরিষ্কার রাখে৷
প্রচুর পানি পান করুনঃ- প্রতিদিন কমপক্ষে দুই লিটার পানি পান করুন । আর চিনি বা মিষ্টি মেশানো পানীয় থেকে দূরে থাকুন। যাদের ডায়াবেটিক আছে তারা উচ্চরক্তচাপ এড়িয়ে নিজেকে সুস্থ ও সুন্দর রাখতে লবণ ও চিনি খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমিতিবোধ বজায় রাখুন৷ লক্ষ্য রাখবেন, চিনির ক্ষেত্রে তা যেন হয় প্রকৃতিক উপায়ে তৈরি, অর্থাৎ ব্রাউন চিনি আর লবণ যেন হয় আয়োডিন এবং ফ্লোরাইড যুক্ত৷
ধীরে খানঃ- অফিসের যাবার তাড়া আছে বা যেতে দেরী হয়ে গেছে !! তাড়া-হুড়ো করে খেতে যাবেন না বা খাবার খাবেন না কারণ এতে বেশি খেয়ে ফেলার ভয় থাকে সাথে সাথে কিছুটা বাতাস ও পেটে যাবার সম্ভাবনা থাকে যা আপনাকে সুন্দর একটা ভুঁড়ি উপহার দিয়ে পারে।
হাটুনঃ- প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা হাটুন । এতে হাত-পা চলাচলের পাশাপাশি মুক্ত বাতাসও সেবন হবে, যা ‘ফিট’ থাকতে বিশাল ভূমিকা পালন করে৷ হাঁটার সময় কেউ পাশে থাকলে ভালো, না হলে একাই কিছুক্ষণ হেঁটে আসুন৷ ফিরে এসে দেখবেন শরীর এবং মন – দুটোই কেমন ফুরফুরে লাগছে! হাঁটাহাটি বা ব্যায়াম শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও বিশেষভাবে সাহায্য করে৷