Computer and Laptop Home Service & Troubleshooting

Computer and Laptop Home Service & Troubleshooting We Service provide desktop, Laptop, Printer, UPS, Networking. So need your Desktop & Laptop Servicin

You Can't Aceees This Shared Folder,sbecause you'r your organizations Securitypolicies block  RunCmd ( administration mo...
31/05/2022

You Can't Aceees This Shared Folder,s
because you'r your organizations Security
policies block


Run
Cmd ( administration mode)
gpedit

Local Computer policy
Administrative templates
Network
Lanman workstation.
Enable Insecure guest Login
[Erabled] then ok

28/05/2022
প্রয়োজনীয় কিছু শর্টকাট দিলাম।আশা করি উপকৃত হবে।Windows এর RUN এ গিয়ে shortcut গুলো লিখবেন।
28/05/2022

প্রয়োজনীয় কিছু শর্টকাট দিলাম।
আশা করি উপকৃত হবে।
Windows এর RUN এ গিয়ে shortcut গুলো লিখবেন।

02/05/2022

ঈদ মুবারাক🌙

তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম!
আল্লাহ তাআলা আমাদের ও আপনার নেক আমল তথা ভাল কাজগুলো কবুল করুন।

15/11/2021

আপনার কম্পিউটার/ল্যাপটপ এর সমস্যা ?
সময় পাচ্ছেন না কোন সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে যেতে?
কল করুন, সমস্যা বলুন, আমি চলে আসবো আপনার ঠিকানায়।
# সকল ধরনের অফিসিয়াল সফটওয়ার ইনস্টল এবং ট্রাবলশ্যুটিং।
# সকল ধরনের প্রিন্টার, স্ক্যানার ইনস্টল ও ট্রাবলশ্যুটিং।
# প্রিন্টার শেয়ারিং, অফিসিয়াল নেটওয়ার্কিং পরিকল্পনা ও ইনস্টলেশন এবং ট্রাবলশ্যুটিং।
# রাউটার কনফিগার এবং ট্রাবলশ্যুটিং।
# সিসি টিভি ইনস্টলেশন এবং ডিভিয়ার ফুল সেটআপ।
# মাইক্রোসফট আউটলুক মেইল কনফিগার।
# আউটলুক মেইলের সকল ধরনের সমস্যার সমাধান ।

Call 01812-168554

আপনার কম্পিউটার/ল্যাপটপ এর সমস্যা ?সময় পাচ্ছেন না কোন সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে যেতে?কল করুন, সমস্যা বলুন, আমি চলে আসবো আপনা...
18/11/2020

আপনার কম্পিউটার/ল্যাপটপ এর সমস্যা ?
সময় পাচ্ছেন না কোন সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে যেতে?
কল করুন, সমস্যা বলুন, আমি চলে আসবো আপনার ঠিকানায়।
# সকল ধরনের অফিসিয়াল সফটওয়ার ইনস্টল এবং ট্রাবলশ্যুটিং।
# সকল ধরনের প্রিন্টার, স্ক্যানার ইনস্টল ও ট্রাবলশ্যুটিং।
# প্রিন্টার শেয়ারিং, অফিসিয়াল নেটওয়ার্কিং পরিকল্পনা ও ইনস্টলেশন এবং ট্রাবলশ্যুটিং।
# রাউটার কনফিগার এবং ট্রাবলশ্যুটিং।
# সিসি টিভি ইনস্টলেশন এবং ডিভিয়ার ফুল সেটআপ।
# মাইক্রোসফট আউটলুক মেইল কনফিগার।
# আউটলুক মেইলের সকল ধরনের সমস্যার সমাধান ।

Call: 01812-168554

We Service provide desktop, Laptop, Printer, UPS, Networking.
So need your Desktop & Laptop Servicin

পিসির নানাবিধ সমস্যা ও তার সহজ সমাধান কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ শনাক্তের উপায়ঃ-আমাদের সমাধান: কম্পিউটারের বিভিন্ন যন...
17/08/2020

পিসির নানাবিধ সমস্যা ও তার সহজ সমাধান

কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ শনাক্তের উপায়ঃ-

আমাদের সমাধান: কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ সম্পর্কে ধারণা পেতে হলে আগে আপনাকে কেসিং খুলেতে হবে। এজন্য কেসিং এর পেছনের দুইটি স্ক্রু খুলে ভেতরে তাকান।

মূল যে বড় সার্কিট বোর্ডটি দেখছেন তাই মাদারবোর্ড। আর পাওয়ার সাপ্লাই থাকে কেসিং এর উপরে পেছন দিকে। পাওয়ার সাপ্লাই থেকে অনেকগুলো লাল, হলুদ, কালো বা নীল তার বের হয়ে আসে। এর কিছু সংযুক্ত মাদারবোর্ডে আর কিছু সরাসরি অন্য হার্ডওয়্যারে যেমন- সিডি ড্রাইভ, ফ্লপি ড্রাইভ, হার্ডডিস্ক।
মাদারবোর্ডে প্রসেসর কোনটি তা বুঝতে এর কুলিং ফ্যান খুঁজে বের করুন। সাধারণত এটি মাদারবোর্ডের উপরে কিছুটা বামে থাকে। প্রসেসর ফ্যানের জন্য সরাসরি দেখা সম্ভব নয়।
র‌্যাম সাধারণ প্রসেসরের ডানপাশে থাকে। মডেলভেদে ২-৪টি স্লট, লম্বাকৃতির।
সাউন্ডকার্ড কোনটি বুঝতে হলে খুঁজে বের করুন স্পিকারের ইনপুট জ্যাক কোথায় লাগে সেই ডিভাইসটি।
একইভাবে মনিটরের ক্যাবল দিয়ে জানতে পারবেন কোনটি আপনার গ্রাফিক্স কার্ড।
একই উপায়ে মডেম (টেলিফোনের তার), ল্যান কার্ড (ব্রন্ডব্যান্ড ইন্টারনেটের তার) খুঁজে বের করতে পারবেন আপনি।
চিকন চিকন লাল, হলুদ, কাল বা নীল তারগুলো পাওয়ার ক্যাবল। সাদা বা লাল চওড়া ক্যাবলগুলো ডাটা ক্যাবল।
সাধারণ একটি পিসিতে কেসিং-এর পেছনে পাওয়ার কর্ড, মনিটর কর্ড, মাউস ও কী-বোর্ড, স্পিকার ইনপুট এগুলো প্রাথমিক অনুসঙ্গ যা সব পিসিতেই আছে।
বিভিন্ন ক্যাবল আলাদা রকমের হওয়াতে সবচেয়ে বড় সুবিধা এক ধরনের কানেকশন আপনি ভুল করে চাইলেও অন্যটিতে লাগাতে পারবেন না।

সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার

কম্পিউটার চালু না হলে করণীয় কি?
আমাদের সমাধান: এটিকে একটি পরিচিত সমস্যা হিসেবেই চিহ্নিত করতে চাই। নিয়মিত কম্পিউটার চালু হয় না এমনটা বললে মনে হয় ভুল বলা হবে না। নতুন ব্যবহারকারীদের কাছে এই সমস্যার একটাই সমাধান। তা হচ্ছে বিক্রেতার শরণাপন্ন হয়ে অযথা পয়সা খরচ। নিচের কথাগুলো শুনুন মনোযোগ দিয়ে। আশা করি আপনার চেষ্টা বিফলে যাবে না।
* পাওয়ার সুইচ অন করার পর সিস্টেমের ইন্টারনাল স্পিকার কয়টা আওয়াজ করলো খেয়াল করুন। যদি বীপ সংখ্যা এক হয় তার মানে কম্পিউটার ডিসপ্লে আউটপুট পাচ্ছে না। অথবা কীবোর্ড মাদারবোর্ডের সাথে ঠিকমতো সংযুক্ত না হলেও এমনটা হতে পারে।
# যদি একটি বড় বীপের পর দুটি ছোটো বীপ হয় তারমানে র‌্যাম পাচ্ছে না আপনার মাদারবোর্ড। র‌্যাম পরিবর্তন না স্লট পরিবর্তন করে দেখুন।
#যদি একটি বড় বীপের পর তিনটি ছোট বীপ হয় তাহলে বুঝবেন নিশ্চিতভাবেই ডিসপ্লে বা গ্রাফিক্স আউটপুটের সমস্যা।
# আর যদি একটা বড় বীপ তারপর চারটা ছোট বীপ হয় তারমানে আপনার মাদারবোর্ড বা গুরুত্বপূর্ণ কোন হার্ডওয়ার নষ্ট হয়ে গিয়েছে বা ঠিকমতো কাজ করছে না।
# তবে এর জন্য আপনার পিসিতে ইন্টারনাল স্পীকার কিন্তু থাকতে হবে। অনেক মাদারবোর্ডে ইন্টারনাল স্পীকার বিল্ট-ইন থাকে।অন্যগুলাতে আলাদা লাগাবে হয়।সাধারনত কম্পিউটার কেনার সময় বিক্রেতাই এটি দিয়ে দেয় তবে অনেকসময় ভুলে তা ঠিকমতো লাগানো নাও থাকতে পারে।সেক্ষেত্রে আপনার মাদারবোর্ডের বক্সে দেখুন স্পীকার পান কিনা।নইলে সময় করে বিক্রেতার কাছ থেকে নিয়ে আসুন।বুঝতেই পারছেন কেন আমি এটাকে এতো গুরুত্ব দিচ্ছি।
* মনিটরের দিকে তাকান। এটি কি স্লীপ মোডে আছে ? অর্থাৎ এর লেড লাইট কি জ্বলছে নিভছে কিনা খেয়াল করুন। যদি তা না হয় অর্থাৎ লেড লাইট জ্বলেই থাকে এবং মনিটরে কিছু না কিছু দেখা যায় তাহলে আপনাকে অভিনন্দন। আপনার মাদারবোর্ড ও গ্রাফিক্স কার্ড ঠিক আছে।সমস্যাটা ছোটোখাটো।নো টেনশন!
* যদি পাওয়ার অন করাই সম্ভব না হয় তাহলে কেসিং খুলে দেখুন নিঃসন্দেহে আপনার পাওয়ার সাপ্লাইয়ে সমস্যা। খোঁজার চেষ্টা করুন সমস্যাটা কোথায়।
* এবারে ধরুন মাদারবোর্ডের পাওয়ার লেড জ্বলছে কিন্তু কেসিংয়ের পাওয়ার বাটন চাপলেও পিসি রেসপন্স করছে না তখন বুঝতে হবে কেসিংয়ের পাওয়ার সাপ্লাইয়ে কোনো সমস্যা হবার কারণে এটি পর্যাপ্ত ভোল্টেজ আউটপুট দিতে পারছে না। এক্ষেত্রে সম্ভব হলে অন্য পাওয়ার সাপ্লাই লাগিয়ে চেষ্টা করে দেখুন।
* এবারেও কাজ হয়নি ? হতে পারে আপনার পাওয়ার সুইচেই সমস্যা। অভিজ্ঞ কাজ জানা ব্যবহারকারীরা সম্ভব হলে মাদারবোর্ডের ম্যানুয়াল দেখে মাদারবোর্ডের পাওয়ার বাটন পিন দুইটি বের করে তা কোনোভাবে কন্টাক্ট করে দেখতে পারেন কাজ হয় কিনা। তবে অনভিজ্ঞরা এই কাজটি না করতে যাওয়াটাই ভালো।
* পাওয়ার সংক্রান্ত সমস্যার আশাকরি সমাধান হলো। এবারও কম্পিউটার চালু হচ্ছে না ? তাহলে বুঝতে হবে র‌্যামের সমস্যা। র‌্যামের স্লট পরিবর্তন করে নতুবা অন্য র‌্যাম লাগিয়ে দেখুন।
* কম্পিউটার বুট হলো ঠিকঠাক কিন্তু উইন্ডোজ লোডিং-এর আগেই আটকে গেছে ? তখন বুঝতে হবে আপনার হার্ডডিস্কের সমস্যা। হার্ডডিস্কের পাওয়ার ও ডাটা ক্যাবলের কানেকশন চেক করুন। সম্ভব হবে মাদারবোর্ডের যে কানেক্টরে ক্যাবলটি লাগানো তা পরিবর্তন করে দেখুন। এছাড়া এমনটি কি হচ্ছে কম্পিউটার ঠিকমতো চালু হচ্ছে হয়তো অপারেটিং সিস্টেমও লোড হচ্ছে তারপর ধুড়ুম করে পিসি বন্ধ হয়ে রিস্টার্ট করছে। এটি সম্ভবত প্রসেসরের কুলিং ফ্যান বা হিটসিংক ও প্রসেসরের কানেকশনের দুর্বলতার কারণে হচ্ছে। চেক করে দেখুন ফ্যান ঠিকমতো ঘুরছে কি-না বা ফ্যানসহ সবকিছু ঠিকমতো টাইট আছে কিনা। পারলে কুলিং ফ্যানসহ হিটসিংক খুলে আবারও লাগান। কুলিং ফ্যান দুইপাশে একসাথে চাপ দিয়ে খুলতে হয়।
আর হঠাৎ করে বন্ধ না হলে মানে একটু সময় নিয়ে সংকেত দিয়ে বন্ধ হওয়া মানে ভাইরাসের আক্রমণের শিকার আপনি।
হঠাৎ বলতে আমি এটা বুঝাচ্ছি যে কম্পিউটার চলার সময় পাওয়ার চলে গেলে যেভাবে বন্ধ হয় সেরকম ঘটনা।
এছাড়াও কোনো না কোনো ক্যাবল লুজ/ নষ্ট হয়ে যাবার কারণেও কম্পিউটার চালু হওয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এই ব্যাপারটিও খেয়াল রাখবেন।

সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার

মনিটরে ছবি আসে না
আমাদের সমাধান: যদি মনিটরে কোনো ডিসপ্লে না আসে এবং এর লেড লাইট জ্বলে নিভে তখন বুঝতে হবে গ্রাফিক্স/ভিডিও কার্ডে কোনো সমস্যা বা মনিটরের ক্যাবল কানেকশন লুজ হয়ে গেছে। কানেকশন চেক করুন। অনেকসময় র‍্যামের স্লট পরিবর্তন করলেও এই সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। বায়োস সেটিংস রিসেট করেও দেখতে পারেন।

সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার

গ্রাফিক্স কার্ডের সমস্যা বোঝার উপায় কি?
আমাদের সমাধান: যদি মনিটর ও পিসির পাওয়ার সুইচ অন করার পর তিনটি শর্ট বীপ শুনতে পান তাহলে বুঝতে হবে গ্রাফিক্স কার্ডে সমস্যা। আপনার গ্রাফিক্স কার্ডটি খুলে অন্য পিসিতে লাগিয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন এটি ঠিক আছে কিনা। আর যদি বিল্টইন গ্রাফিক্স হয় তাহলে আলাদা গ্রাফিক্স কার্ড এজিপি স্লটে লাগিয়ে টেস্ট করতে পারেন।ইন্টিগ্রেটেড এজিপির সমস্যা সমাধানে বায়োস সেটিংস রিসেট করে দেখতে পারেন।

সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার

মনিটর ঝাপসা বা ছবি কাঁপলে কি করতে পারি?
আমাদের সমাধান: যদি মনিটর ঝাপসা মনে হয় বা এটি কাঁপতে থাকে তাহলে বুঝতে হবে মনিটর ও গ্রাফিক্স কার্ডের রিফ্রেশ রেটে অসামঞ্জস্য আছে। যদি উইন্ডোজ লোড হওয়াকালীন এই সমস্যা হয় তাহলে বুঝবেন মনিটরের রিফ্রেশ রেট ভুলভাবে সেটিংস করা হয়েছে। এমতাবস্থায় সিস্ট��ম বুট হবার পর যখন Starting Windows মেসেজটি দেখবেন তখনই কী-বোর্ডের এফ৮ চেপে সেফ মোডে উইন্ডোজ চালু করুন। এর গ্রাফিক্স/ডিসপ্লে প্রোপার্টিজে গিয়ে রিফ্রেশ রেট ঠিক করুন।

সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার

মনিটরে অস্পষ্ট কালার ও প্যাটার্ন-এর সমাধান কি?
আমাদের সমাধান: যদি মনিটরে অস্পষ্ট কালার ও প্যাটার্ন দেখা যায় এবং চালু করতে গেলে মনিটর কাঁপতে থাকে বা চালুই হয় না তখন বুঝতে হবে একহয় আপনার ডাইরেক্ট এক্স পুরাতন অথবা গ্রাফিক্স কার্ডের লেটেস্ট ড্রাইভার নেই। তাই সবসময় লেটেস্ট ডাইরেক্ট এক্স ব্যবহার করবেন ও গ্রাফিক্স কার্ড ড্রাইভার আপডেটেড রাখবেন। এরপরও সমস্যা থাকলে বুঝতে হবে আপনার ভিডিও কার্ড ও উইন্ডোজের মধ্যে কম্পাটিবিলিটিতে সমস্যা আছে। এমতাবস্থায় অভিজ্ঞ কাউকে দেখান অথবা বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ করুন।

সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার

17/08/2020

কম্পিউটারের সাধারণ কিছু সমস্যা ও তার সমাধান
#কম্পিউটার #সমস্যা #ধরন #কারণ #সমাধান
ডেস্কটপ কম্পিউটার
কম্পিউটার চালু হচ্ছে না হার্ডওয়ার
১. পাওয়ার সাপ্লাইয়ে সমস্যা
২. পাওয়ার বাটনের সমস্যা
৩. র‌্যামের সমস্যা
৪. প্রসেসরের সমস্যা
#সমাধান
১. পাওয়ার সাপ্লাই ঠিক আছে কিনা এবং প্রয়োজনীয় সব ক্যাবল লাগানো আছে কিনা চেক করুন।
২. কেসিং এর পাওয়ার বাটন চেক করুন।
৩. ইন্টারনাল স্পীকার একের অধিক বীপ আওয়াজ ক্রমাগত করলে বুঝতে হবে র‌্যামের সমস্যা। র‌্যাম বদলাতে হবে।
৪. প্রসেসর ঠিকমতো বসানো আছে কিনা এবং কুলিং ফ্যান চেক করুন।

#কম্পিউটার #বারবার #রিস্টার্ট #হচ্ছে
#সফটওয়ার
১. ভাইরাসের কারণে
২. এন্টিভাইরাসের সমস্যার কারণে
৩. কোনো বিশেষ অসামঞ্জস্যপূর্ণ সফটওয়ার ইন্সটলের কারণে
৪. অপারেটিং সিস্টেমের সমস্যার জন্য
#সমাধান
১. এন্টিভাইরাস দিয়ে পুরো পিসি ভালো করে স্ক্যান করুন।
২. একাধিক এন্টিভাইরাস পিসিতে ইন্সটল করবেন না।
৩. যদি বিশেষ কোনো সফটওয়ার ইন্সটল করার পর থেকে সমস্যাটি দেখা দিয়ে তাহলে সেটি মুছে ফেলুন।
#হার্ডওয়ার
১. র‌্যাম
২. পাওয়ার সাপ্লাই
৩. কুলিং ফ্যান
৪. নতুন হার্ডওয়ার
৫. ধুলাবালি
১. কখনোই ভিন্ন ভিন্ন বাস স্পীডের র‌্যাম ব্যবহার করবেন না।
২. র‌্যামটি খুলে অন্য স্লটে লাগিয়ে দেখুন।
৩. বিদ্যুতের উঠানামার জন্য এমনটা হলে ইউপিএস ব্যবহার করুন।
৪. প্রসেসর কুলিং ফ্যান ঠিকমতো ঘুরছে কিনা এবং সেটি শক্তভাবে প্রসেসরে লাগানো আছে কিনা তা পরীক্ষা করুন।
৫. নতুন কোনো হার্ডওয়ার লাগানোর পর থেকে যদি সমস্যার শুরু হয় তাহলে সেটি খুলে ফেলুন।৬. কম্পিউটারের কেসিং এর ভেতরটা ধুলাবালি মুক্ত রাখুন।

কম্পিউটার চালুর পর নিজেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে #হার্ডওয়ার
১. প্রসেসরের কুলিং ফ্যানের সমস্যা
২.. মাদারবোর্ডে প্রসেসরের কুলিং ফ্যান শক্তভাবে বসানো আছে কিনা চেক করুন।
৩. কম্পিউটার পুরাতন হলে প্রসেসরের আর ফ্যানের মাঝে থাকা থার্মাল পেস্ট ক্ষয়ে যাবার কারণে এমন হলে নতুন পেস্ট লাগাতে হবে।
৪. ফ্যানে জমে থাকা ধুলো পরিস্কার করতে হবে, এয়ার ব্লোয়ার ব্যবহার করলে সবচেয়ে ভালো হয়
#পিসি অন করলেই প্রসেসর থার্মাল ট্রিপ ওয়ার্নিং আসছে হার্ডওয়ার
১. প্রসেসরের উপরের কুলিং ফ্যান ঠিকভাবে শক্ত করে বসানো আছে কিনা চেক করুন।

#কম্পিউটার চালু করার পর বীপ দিতে থাকে হার্ডওয়ার
১.যদি বীপ সংখ্যা এক হয় তার মানে কম্পিউটার ডিসপ্লে আউটপুট পাচ্ছে না।অথবা কীবোর্ড মাদারবোর্ডের সাথে ঠিকমতো সংযুক্ত না হলেও এমনটা হতে পারে।
২. যদি একটি বড় বীপের পর দুটি ছোটো বীপ হয় তারমানে র‌্যাম পাচ্ছে না আপনার মাদারবোর্ড।
৩.যদি একটি বড় বীপের পর তিনটি ছোট বীপ হয় তাহলে বুঝবেন নিশ্চিতভাবেই ডিসপ্লে বা গ্রাফিক্স আউটপুটের সমস্যা।
৪.যদি একটা বড় বীপ তারপর চারটা ছোট বীপ হয় তারমানে আপনার মাদারবোর্ড বা গুরুত্বপূর্ণ কোন হার্ডওয়ার নষ্ট হয়ে গিয়েছে বা ঠিকমতো কাজ করছে না।

১.র‌্যাম পরিবর্তন না স্লট পরিবর্তন করে দেখুন।
২.মনিটরের দিকে তাকান। এটি কি স্লীপ মোডে আছে।? অর্থাৎ এর লেড লাইট কি জ্বলছে নিভছে কিনা খেয়াল করুন। যদি তা না হয় অর্থাৎ লেড লাইট জ্বলেই থাকে এবং মনিটরে কিছু না কিছু দেখা যায় তাহলে আপনার মাদারবোর্ড ও গ্রাফিক্স কার্ড ঠিক আছে।
৩.যদি পাওয়ার অন করাই সম্ভব না হয় তাহলে কেসিং খুলে দেখুন নিঃসন্দেহে আপনার পাওয়ার সাপ্লাইয়ে সমস্যা।
৪.এবারে ধরুন মাদারবোর্ডের পাওয়ার লেড জ্বলছে কিন্তু কেসিংয়ের পাওয়ার বাটন চাপলেও পিসি রেসপন্স করছে না তখন বুঝতে হবে কেসিংয়ের পাওয়ার সাপ্লাইয়ে কোনো সমস্যা হবার কারণে এটি পর্যাপ্ত ভোল্টেজ আউটপুট দিতে পারছে না। এক্ষেত্রে সম্ভব হলে অন্য পাওয়ার সাপ্লাই লাগিয়ে চেষ্টা করে দেখুন।
৫.পাওয়ার সুইচেই সমস্যা। অভিজ্ঞ কাজ জানা ব্যবহারকারীরা সম্ভব হলে মাদারবোর্ডের ম্যানুয়াল দেখে মাদারবোর্ডের পাওয়ার বাটন পিন দুইটি বের করে তা কোনোভাবে কন্টাক্ট করে দেখতে পারেন কাজ হয় কিনা।

#পাওয়ার সাপ্লাইকাজ করছে না হার্ডওয়ার
১. পাওয়ার সাপ্লাইনষ্ট হয়ে গেছে
২. নষ্ট হলে ঠিক না করে নতুন পাওয়ার সাপ্লাই লাগানো যেতে পারে।

#উইন্ডোজ চালু হতে বেশি সময় নিচ্ছে সফটওয়ার
১. স্টার্টআপে প্রোগ্রামের সংখ্যা বেশি
২. স্টার্ট মেনু বা রানে গিয়ে MSCONFIG লিখে এন্টার দিন। স্টার্ট আপ ট্যাব থেকে অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম আনচেক করুন।
#কম্পিউটার বারবার হ্যাং করছে সফটওয়ার
১. ভাইরাস২. একাধিক এন্টিভাইরাস
২. এন্টিভাইরাস দিয়ে পিসি ভালোমতো স্ক্যান দিন।
৩. একসাথে একের অধিক এন্টিভাইরাস পিসিতে ইন্সটল করবেন না।
#হার্ডওয়ার ১. র‌্যাম ১. র‌্যাম ঠিকমতো স্লটে বসানো আছে কিনা দেখুন।২. একই বাসস্পীডবিশিষ্ট র‌্যাম ব্যবহার করবেন।
কম্পিউটার স্লো হয়ে গেছে সফটওয়ার ১. ভাইরাস২. অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম৩. সি ড্রাইভে অপর্যাপ্ত স্পেস ১. এন্টিভাইরাস দিয়ে পিসি স্ক্যান করুন।২. খুব বেশি এপ্লিকেশন বা সফটওয়ার পিসিতে ইন্সটল করবেন না।৩. সি ড্রাইভ বা উইন্ডোজের ড্রাইভে ২০% স্পেস সবসময় খালি রাখবেন।
#হার্ডওয়ার ১. র‌্যাম২. ধুলাবালি ১. কম্পিউটারের ভেতর এবং আশপাশ সবসময় ধুলাবালি মুক্স রাখবেন।২. উষ্ণ কোনো স্থানে কম্পিউটার রাখবেন না।৩. প্রয়োজনের চেয়ে র‌্যামের মেমোরির পরিমাণ কম।
কম্পিউটারের ঘড়ির সময় ঠিক থাকছে না হার্ডওয়ার ১. মাদারবোর্ড পুরাতন হলে বায়োসের ব্যাটারী ডাউন হবার কারণে ১. কম্পিউটার মাদারবোর্ডে থাকা বায়োসের কয়েন সদৃশ ব্যাটারীটি বদলে দিতে হবে।
#মনিটর
কম্পিউটারের ডিসপ্লেতে কিছু আসছে না হার্ডওয়ার
১. র‌্যামের সমস্যা
২. গ্রাফিক্স কার্ডের সমস্যা
৩. কানেকশনের সমস্যা
১. মনিটরের পাওয়ার এবং সিপিইউ’র ডিসপ্লে আউটপুট থেকে মনিটর পর্যন্ত সব কানেকশন ঠিক আছে কিনা চেক করুন।
২. র‌্যামের স্লট পরিবর্তন করে বসালেও এ সমস্যা মাঝেমাঝে ঠিক হতে পারে।
৩. যদি কম্পিউটার অন করার পর ইন্টারনাল সিস্টেম স্পীকার তিনবার ছোটো ছোটো বীপ করে তাহলে বুঝতে হবে গ্রাফিক্স কার্ডের সমস্যা। আপনার গ্রাফিক্স কার্ড চেক করুন।
৪. বায়োস রিসেট দিন।

#মনিটরের স্ক্রীণ ঝাপসা সফটওয়ার
১. ড্রাইভার ইন্সটল করা নেই
২. ডাইরেক্ট এক্স এর সমস্যা
৩. সেটিংস এর সমস্যা
১. আপনার গ্রাফিক্স কার্ডের জন্য সর্বশেষ ড্রাইভার ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন
২. ডাইরেক্ট এক্স আপডেট করুন।
৩. ডিসপ্লে সেটিংস এ গিয়ে রেজুলেশন এবং রিফ্রেশ রেট(৬০ হার্টজ) চেক করুন। কালার মোড(৩২ বিট) চেক করুন।
#গ্রাফিক্স কার্ডের সমস্যা হার্ডওয়ার
১. কানেকশনের সমস্যা
২. বায়োস সেটিংস
৩. ত্রুটিপূর্ণ গ্রাফিক্স কার্ড
১. গ্রাফিক্স কার্ড এবং মনিটরের কানেকশন চেক করুন।
২. বায়োসের সেটিং ডিফল্ট করে দিন।
৩. যদি কম্পিউটার অন করার পর সিস্টেম স্পীকার ৩টি বীপ করে তাহলে বুঝতে হবে গ্রাফিক্স কার্ডে সমস্যা হয়েছে। অন্য গ্রাফিক্স কার্ড লাগিয়ে চেক করুন।

মনিটরের স্ক্রিনে নীল রং এসে থেমে যায় এবং মনিটর চালু হয় না হার্ডওয়ার
১. হার্ডওয়্যার এর সমস্যা হতে পারে

#সফটওয়ার
১.র‌্যাম স্লটে সমস্যা হতে পারে।
২.উইন্ডোজ ইন্সটলেশন সমস্যা হতে পারে।
৩.বেড সেক্টর এর কারণে হতে পারে।৪.ভাইরাসের কারণে হতে পারে।
১. পুনরায় কম্পিউটার রিস্টার্ট করা যেতে পারে।
২.র‌্যাম স্লট পরিবর্তন করে দেখা যেতে পারে।
৩.উইন্ডোজ সেট আপ দেয়া যেতে পারে।

#ল্যাপটপ চালু হচ্ছে না হার্ডওয়ার ১. ব্যাটারীর সমস্যা
২. চার্জিং পোর্টের সমস্যা৩. কারিগরী সমস্যা
১. ল্যাপটপের ব্যাটারীর ক্ষমতা পুরো কমে গেলে কিংবা ত্রুটি দেখা দিলে এমন হয়, ব্যাটারী পরিবর্তন করতে হবে।
২. চার্জিং পোর্ট এবং এডাপ্টার ঠিক আছে কিনা দেখুন।
৩. ল্যাপটপের ইন্ডিকেটর লাইট অন না হলে কোনো টেকনিশিয়ানকে দেখান।
ল্যাপটপ ব্যাকআপ কম দিচ্ছে হার্ডওয়ার
১. ল্যাপটপের ব্যাটারীর আয়ু কমে গেছে
১. ল্যাপটপ ব্যবহারের কিছু নিয়মকানুন আছে সেগুলা মেনে চলুন।
সফটওয়ার
১. ভুল পাওয়ার সেটিংস
১. উইন্ডোজের পাওয়ার সেটিং ঠিক করে ব্যাকআপ বাড়ানো সম্ভব।
ল্যাপটপ অতিরিক্ত গরম হয়ে যাচ্ছে হার্ডওয়ার
১. অপর্যাপ্ত কুলিং
২. অতিরিক্ত কাজের চাপ
১. ল্যাপটপের কুলিং ফ্যানের একদম সামনে কোনো কিছু রাখবেন না।
২. ল্যাপটপের প্রসেসর যেখানে থাকে সেই স্থান বেশি গরম হয়। খেয়াল রাখবেন সবসময় যেন সেখানে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা থাকে।
৩. ল্যাপটপে টানা বেশিক্ষণ মুভি দেখবেন না বা সারাক্ষণ কাজ করবেন না।
ল্যাপটপ পাওয়ার পাচ্ছে না হার্ডওয়ার
১. এডাপ্টারের সমস্যা
১. পাওয়ার সাপ্লাই-এর সকেট এবং ল্যাপটপের এডাপ্টার চেক করুন।
ল্যাপটপের ডিসপ্লে আসছে না সফটওয়ার
১. উইন্ডোজের সমস্যা
১. যদি বায়োসের স্ক্রীন আসার পর ডিসপ্লে কালো হয়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে উইন্ডোজের সমস্যা। উইন্ডোজ রিপেয়ার করুন বা নতুন করে সেটআপ করুন।

17/08/2020

পিসি কনফিগারেশন

অনেকে আছেন যে নতুন পিসি কিনবেন কিন্তু পিসিতে কি কি লাগে এবং কোনটা কোনটা ভালো কিনতে হয় জানেন না । আবার অনেকে আছেন যে পিসি অনেকদিন ধরে ব্যবহার করছেন কিন্তু নতুন পিসি কিনবেন । তাদের জন্য মুলত এই পোষ্ট ।

একটা পিসিতে বেশ কিছু কম্পনেন্ট আছে যা ব্যবহার না করলে আপনার কম্পিউটার চলবে না । আবার অনেক কিছু আছে যার ব্যবহার আপনার কাজের উপর নির্ভর করবে যে আপনি কি করতে চান আপনার কম্পিটার দিয়ে তার উপর নির্ভর করবে । যেমন একটা কম্পিউটার চলতে গেলে আপনার ব্যবহার করতেই হবে মাদারবোর্ড, প্রসেসর, র‍্যাম, হার্ড ডিস্ক, পাওয়ার সাপলাই, এবং সাথে ক্যাসিং যা আপনার কম্পিটারকে সুরক্ষা করার পাশাপাশি আপনার কম্পিউটারকে করবে আকর্ষনিয় । তবে আপনি যদি আরো ভালো কিছু করতে চান আপনার কম্পিউটার দিয়ে যেমন গেমিং কম্পিউটার বানাতে চান অথবা আপনি বানাতে চান একটা ভিডিও এডিটিং কম্পিউটার সেই ক্ষেত্রে আপনাকে লাগাতে হবে গ্রাফিক্স কার্ড এবং গ্রাফিক্স কার্ডে পাওয়ার সাপলাই এর জন্য লাগাতে হবে উন্নতমানের রিকমেন্ডেট পাওয়ার সাপলাই । আর সাথে আপনার CPU কে ঠান্ডা রাখার জন্য ব্যবহার করতে হবে উন্নতমানের কুলার । কুলারের মধ্যে এয়ার কুলার আছে এবং আছে ওয়াটার কুলার । আপনার কাজের উপর নির্ভর করবে আপনার জন্য কোন কুলার ভালো হবে । আর আপনার সি.পি.ইউ. এর সাথে যে কুলার থাকবে তা গেম এবং ভিডিও এডিটিং করতে আপনাকে ভালো পারফমেন্স দিবে না । তো এবার আসা যাক পিসি কনফিগারেশন নিয়ে আলোচনা, কোন পিসি এর জন্য নুন্যতম কি লাগবে ।

সাধারন ব্যবহারকারী

যারা সাধারনত অফিসের কাজ করবেন, অথবা শুধু শখে কপিউটার কিনতে চান, মাঝে মাঝে টুকটাক গেম খেলতে চান( হালকা মানের গেম ), এবং মুভি দেখে অবসর সময় কাটাতে চান এবং ইন্টার্নেট ব্যবহার করতে চান তাদের জন্য মুলত এই অপশন । নরমাল ব্যবহারকারীদের জন্য যে যে কম্পোনেন্ট লাগবেই তা নিচে দেওয়া হল ঃ
১) প্রসেসর
২) মাদারবোর্ড
৩) র‍্যাম
৪) হার্ড ডিস্ক
৫) অপ্টিক্যাল ড্রাইভ (অপশনাল)
৬) পাওয়ার সাপলাই
৭) ক্যাসিং

আপনাদের প্রসেসরের সাথে যে সিপিইউ কুলিং ফ্যান দেওয়া হবে । আপনাদের কাজের জন্য যথেষ্ট । এবং এই কাজের জন্য নতুন করে অতিরিক্ত টাকা খরচ করে ফ্যান লাগানোর কোনো দরকার নেই । এতে শুধু শুধু আপনাদের টাকা নষ্ট হবে । এই কাজের জন্য সর্বোচ্চ Core i3 যথেষ্ট । অনেকে মনে করে থাকবেন যত বেশি প্রসেসর তত স্পিড । কিন্তু এসব নরমাল কাজে আপনি প্রসেসরের ব্যবহার বুঝতে পারবেন না । আর এখানে এত বেশী প্রসেসরের কোনো দরকার নেই । মাদারবোর্ডের ক্ষেত্রে একটু দেখে নিবেন । আপনি যদি ভবিষ্যতে গ্রাফিক্স কার্ড লাগাতে চান তাহলে মাদারবোর্ডে PCI-E 3.0 থাকতে হবে । কিন্তু যদি ভাবেন যে, আমি এমনি থাকব এবং সর্বোচ্চ এইটুকু কাজ করব তাহলে এত দামি মাদার্বোডের কোনো দরকার নেই । মাদারবোর্ডে সাউন্ড কোয়ালিটি, র‍্যাম এর স্লট ২ টা হলেই হবে এবং দেখতে হবে আপনার প্রসেসর যে সকেটে লাগবে সেই সকেটের মাদারবোর্ড নাকি । র‍্যাম আমি মনে করি এই কাজের জন্য, উইন্ডোজ, অফিস, বিভিন্ন সফটওয়ার এবং নরমাল গেম খেলার জন্য ৪ গিগাবাইটের বেশি র‍্যাম লাগবে না । হার্ড ডিস্ক আপনাদের ইচ্ছামত নিয়ে নিবেন । তবে খেয়ার রাখবেন যে, স্পিন স্পিড যেন ৭২০০ RMP হয় এবং ৩.৫ ইঞ্চি হার্ড ডিস্ক ডেস্কটপ কম্পিটারের জন্য বেশী ভালো । পাওয়ার সাপলাই ভালো হলে ভালো হয় । এই ক্ষেত্রে আপনি ক্যাসিং এর সাথে যে পাওয়ার সাপলাই থাকে এটার উপর নির্ভর করতে পারেন । অপ্টিক্যল ড্রাইভের কথা আমি অপশনাল বলেছি কারন এটা অনেকে লাগাতে পছন্দ করে আবার অনেকে লাগাতে চায় না । এটা ডিভিডি রোম, ডিভিডি চালানো অথবা ডিভিডি এর বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয় এবং ক্যাসিং আপনার ইচ্ছামত সাইজ এবং পছন্দ মত দেখে নিতে পারেন ।

গেমিং কম্পিউটার ব্যবহারকারী

যারা টুকটাক গেম খেলেন কিংবা অনেক বেশী গেম খেলেন এবং সাথে অন্যান্য কাজ করেন তাদের জন্য মুলত এই অপশন । এ ক্ষেত্রে কম্পিউটারের কনফিগারেশন একটু আলাদা হবে । যা যা লাগবে তা আপনাদের নিচে দেওয়া হলঃ

১) প্রসেসর
২) মাদারবোর্ড
৩) র‍্যাম
৪) হার্ড ডিস্ক
৫) এস এস ডি স্টোরেজ (অপশনাল কিন্তু লাগালে ভালো )
৬) অপ্টিক্যাল ড্রাইভ (অপশনাল)
৭) গ্রাফিক্স কার্ড
৮) পাওয়ার সাপলাই (গ্রাফিক্স কার্ডে রিকমেন্ডেট অনুযায়ী)
৯) সিপিইউ কুলার
১০) ক্যাসিং

প্রসেসরের ক্ষেত্রে বর্তমান গেমিং এর জন্য আমি রিকমেন্ডেট করব সর্বোচ্চ Overclocked Core i5 পর্যন্ত । গেমিং এর জন্য এর থেকে বেশী লাগে না । তবে গেমিং এর জন্য আপনার গ্রাফিক্স কার্ড যত বেশী ভালো হবে আপনি গেম খেলে অত বেশী মজা পাবেন । তাই গ্রাফিক্স কার্ডের ক্ষেত্রে একটু বেশি খরচ করবেন । এবং গ্রাফিক্স কার্ডের রিকমেন্ডেট অনুযায়ী পাওয়ার সাপলাই লাগাতে হবে তবে যত ভালো মানের পাওয়ার সাপলাই লাগাতে পারেন লাগাবেন । এক্ষেত্রে বিভিন্ন ভালো মানের ব্র্যন্ডের উপর নির্ভর করতে পারেন । গেমিং এর জন্য প্রসেসর এর সাথে যে এয়ার কুলার দেওয়া থাকে তা এড়াতে চেষ্টা করবেন । ভালো মানের এয়ার কুলার অথবা ওয়াটার কুলার এর উপর নির্ভর করবেন । এতে আপনার সিপিইউ বেশী ঠান্ডা থাকবে । র‍্যাম ৮ গিগাবাইট যথেষ্ট কিন্তু কেউ যদি আরো লাগাতে চায় তাহলে বর্তমানের গেমিং এর জন্য ১২ গিগাবাইট এবং গেম খেলা ছাড়াও যদি মাঝে মাঝে ভিডিও এডিটিং করতে চায় তাহলে ১৬ গিগাবাইট থাকলে ভালো তবে বাজেট কম হলে ৮ গিগাবাইটে কোনো সমস্যা হবে না । মাদারবোর্ডের জন্য আপনি আপনার প্রসেসরের সকেটের মডেল দেখবেন এবং সেই অনুযায়ী মাদারবোর্ড সিলেক্ট করবেন । গেমিং এর জন্য ওভারক্লোকেবল মাদারবোর্ড এবং র‍্যাম এর স্লট কমপক্ষে ৪ টা, সাউন্ড কোয়ালিট এবং হিট সিঙ্ক দেখে নিবেন । এবার আসি হার্ড ডিস্ক এর দিকে , এটা আপনাদের পছন্দ মত তবে আমার মতামত যদি নিতে চান তাহলে ২ টেরাবাইট এর কথা বলব কারনে গেম এর সাইজ বড় এবং বেশী জায়গা দিবে । এস এস ডি হল হার্ড ডিস্কের মত স্টোরেজ কিন্তু হার্ড ডিস্ক থেকে অধিক গতি সম্পন্ন । আপনার পিসিকে অনেক ফাষ্ট করে দিবে এবং খুব তাড়াতাড়ি কাজ করা যাবে । আপনার গেম তাড়াতাড়ি লোড হবে । রিকমেন্ডেট করব লাগানোর জন্য কিন্তু আপনার বাজেটের উপর নির্ভর করবে পুরোটা । ক্যাসিং এর জন্য আমি বলব একটু বড় সাইজের গেমিং ক্যাসিং নেওয়ার জন্য কারন আপনার মাদার্বোর্ড এর সাইজ বড় হবে সাথে আপনার গ্রাফিক্স কার্ডের সাইজ বড় হবে । এবং ক্যাসিং এ যে এয়ার ইনপুট আউটপুটের ফ্যান থাকে সেই দিকে খেয়াল রাখবেন ।

ভিডিও এডিটিং পিসি কনফিগারেশন

যারা প্রফেশনাল কিংবা নন প্রফেশনাল পিসি ভিডিও এডিটর তাদের জন্য এই অপশন । ভিডিও এডিটিং পিসি গেমিং পিসি থেকে একটু আলাদা হয় কিছু জিনিষ এবং সব থেকে বেশী বাজেটের পিসি হল ভিডিও এডিটিং পিসি । ভিডিও এদিটিং পিসি এর জন্য আপনাকে যে কম্পোনেন্ট ব্যবহার করতে হবে তা নিচে দেওয়া হলঃ
১) প্রসেসর
২) মাদারবোর্ড
৩) র‍্যাম
৪) হার্ড ডিস্ক
৫) এস এস ডি স্টোরেজ
৬) অপ্টিক্যাল ড্রাইভ (অপশনাল)
৭) গ্রাফিক্স কার্ড (NVidia GPU)
৮) পাওয়ার সাপলাই (গ্রাফিক্স কার্ডে রিকমেন্ডেট অনুযায়ী )
৯) সিপিইউ কুলার (ওয়াটার কুলার হলে বেষ্ট)
১০) ক্যাসিং

প্রসেসরের ক্ষেত্রে ভিডিও এডিটিং এর জন্য আমি রিকমেন্ডেট করব সর্বোচ্চ Overclocked প্রসেসর এর, যেমন core i7 (OC), Xeon, 6 core অথবা 8 core । প্রসেসর এর কোড় এবং থ্রেড যত বেশী রেন্ডারিং তত স্পিডে হবে এবং আপনার কাজের সময় অনেক কমে যাবে । গ্রাফিক্স কার্ড যত বেশী ভালো হবে ততই ভালো, বর্তমানে ভিডিও এডিটিং এর জন্য আমি রিকমেন্ট করব Nvidia গ্রাফিক্স কার্ড কিনতে কারন Nvidia তে আছে CUDA প্রসেসর যা আপনার 3d ray tracing রেন্ডারিং এর গতি বাড়িয়ে দিবে । তাই গ্রাফিক্স কার্ডের ক্ষেত্রে একটু বেশি খরচ করবেন । এবং গ্রাফিক্স কার্ডের রিকমেন্ডেট থেকে এক্তটু বেশি ওয়াটের পাওয়ার সাপলাই লাগাতে হবে তবে যত ভালো মানের পাওয়ার সাপলাই লাগাতে পারেন লাগাবেন । এক্ষেত্রে বিভিন্ন ভালো মানের ব্র্যন্ডের উপর নির্ভর করতে পারেন । প্রসেসর এর সাথে যে এয়ার কুলার দেওয়া থাকে তা এড়াতে চেষ্টা করবেন । ভালো মানের এয়ার কুলার অথবা ওয়াটার কুলার এর উপর নির্ভর করবেন । তবে আমি রিকমেন্ট করব ওয়াটার কুলার লাগাতে কারন সিপিইউ বেশী গরম হয় রেন্ডারিং এবং অন্যান্য কাজ করতে । এতে আপনার সিপিইউ বেশী ঠান্ডা থাকবে । র‍্যম ৩২ গিগাবাইট লাগানো ভালো তবে বাজেট কম থাকলে ১৬ গিগাবাইট । মাদারবোর্ডের জন্য আপনি আপনার প্রসেসরের সকেটের মডেল দেখবেন এবং সেই অনুযায়ী মাদারবোর্ড সিলেক্ট করবেন । ভিডিও এডিটিং এর জন্য ওভারক্লোকেবল মাদারবোর্ড এবং র‍্যাম এর স্লট কমপক্ষে ৪ টা, সাউন্ড কোয়ালিট এবং হিট সিঙ্ক দেখে নিবেন । এবার আসি হার্ড ডিস্ক এর দিকে , এটা আপনাদের পছন্দ মত তবে আমার মতামত যদি নিতে চান তাহলে কমপক্ষে ২ টেরাবাইট এর কথা বলব যা আপনাকে বেশী জায়গা দিবে । এস এস ডি হল হার্ড ডিস্কের মত স্টোরেজ কিন্তু হার্ড ডিস্ক থেকে অধিক গতি সম্পন্ন । আপনার পিসিকে অনেক ফাষ্ট করে দিবে এবং খুব তাড়াতাড়ি কাজ করা যাবে । আপনার ভিডিও এডিটিং এর রেন্ডারিং সহ অন্যান্য কাজ করবে খুব তাড়াতাড়ি । রিকমেন্ডেট করব অবশ্যই লাগানোর জন্য । ক্যাসিং এর জন্য আমি বলব একটু বড় সাইজের গেমিং ক্যাসিং নেওয়ার জন্য কারন আপনার মাদার্বোর্ড এর সাইজ বড় হবে সাথে আপনার গ্রাফিক্স কার্ডের সাইজ বড় হবে । এবং ক্যাসিং এ যে এয়ার ইনপুট আউটপুটের ফ্যান থাকে সেই দিকে খেয়াল রাখবেন ।

আশা করি আপনারা আমার কথা বুঝতে পেরেছেন যদি তারপরেও কোনো সমস্যা অথবা বুঝতে অসুবিধা হয় তাহলে ০১৮১২-১৬৮৫৫৪ নাম্বারে গিয়ে আমার সাথে সমস্যার কথা জানান ।

Address

Maona
Gazipur

Telephone

+8801812168554

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Computer and Laptop Home Service & Troubleshooting posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share