কোয়েল খামার

কোয়েল খামার Hi Everyone.

🍓🍓🍓আপডেট কৃষি ও পরামর্শ আরহাম এগ্রো ভাই চারা গুলোর কুশি পচে যায়।চারা গুলো সুস্থ করার উপায় কি।
09/02/2026

🍓🍓🍓
আপডেট কৃষি ও পরামর্শ আরহাম এগ্রো ভাই চারা গুলোর কুশি পচে যায়।চারা গুলো সুস্থ করার উপায় কি।

এগুলো কোন জাতের মুরগির বাচ্চা।
29/12/2025

এগুলো কোন জাতের মুরগির বাচ্চা।

21/12/2025
যাদের কোয়েল পাখির ৪৫/৫০ দিন বয়স কিন্তু ডিম দিচ্ছেনা তারা এটা👇খাওয়াতে পারেন।
23/08/2025

যাদের কোয়েল পাখির ৪৫/৫০ দিন বয়স কিন্তু ডিম দিচ্ছেনা তারা এটা👇খাওয়াতে পারেন।

পুরুষ ও মহিলা কোয়েল চেনার উপায়--পুরুষ ও মহিলা কোয়েল চেনার বেশ কিছু পদ্ধতি রয়েছে–বুকের পালক দেখেডাক শুনেপায়ুপথ দেখেএছাড়...
24/03/2025

পুরুষ ও মহিলা কোয়েল চেনার উপায়--

পুরুষ ও মহিলা কোয়েল চেনার বেশ কিছু পদ্ধতি রয়েছে–
বুকের পালক দেখে
ডাক শুনে
পায়ুপথ দেখে
এছাড়া বাচ্চা কোয়েলের ভেণ্ট পরীক্ষা করেও লিঙ্গ বাছাই করা যায় তবে সেক্ষেত্রে অভিজ্ঞ হতে হয়।

কোয়েল পাখি পুরুষ ও মহিলা কোয়েল চেনার উপায় | পোলট্রি রেয়ারিং এন্ড ফার্মিং
১)বুকের পালক দেখেঃ
পুরুষ কোয়েলঃ সাধারনত পুরুষ কোয়েলের বুকের দিকের পালক গুলা গাঢ় বাদামি কালারের হয়ে থাকে।
মহিলা কোয়েলঃ মহিলা কোয়েলের বুকের দিকের পালক বাদামি কালারের মাঝে মাঝে কালো রঙ্গের ফোটা ফোটা থাকে।দেখতে ফুলের মত মনে হয়।
কোয়েলের বয়স ২৫ দিন না হলে এই পালক দেখে পুরুষ–মহলা শনাক্ত করা যায় না।কারন ২০ দিনের কম বয়সী বাচ্চাদের বুকের কালার দেখতে প্রায় একইরকম হয়ে থাকে।
২) ডাক শুনেঃ
পুরুষ কোয়েলঃ সাধারনত পুরুষ কোয়েল গলা টানা দিয়ে উচু হয়ে প্রচুর ডাকাডাকি করে।
তবে কোয়েলের বয়স যখন ৩৫ দিনের বেশি হয় তখনই কেবল এরা ডাকাডাকি করে থাকে।তাই ৩৫ দিনের কম বয়সয় পাখি এই পদ্ধতিতে সনাক্ত করা যায় না।
মহিলা কোয়েলঃ মহিলা কোয়েল সাধারনত ডাকাডাকি করে না।

গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন
গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন
৩) পায়ুপথ দেখেঃ
পুরুষঃ প্রাপ্ত বয়স্ক কোয়েল (৪০–৪৫ দিন বয়সী) এর পায়ুপথের দিকে টিউমারের মত ফোলা অংশ দেখা যায়।এখানে হাল্কা চাপ দিলে সাদা ফেনার মত বের হবে।
মহিলাঃ মহিলা কোয়েলের পায়ুপথে এরকম কোনো ফোলা অংশ থাকে না।স্বাভাবিক ও প্লেইন থাকে।

কোয়েল আমাদের দেশে অতি পরিচিত পাখি। এ পাখির আদি নিবাস জাপানে। অনেকে শখ করে কোয়েল পালন করেন বাড়িতে। একে সহজেই পোষ মানানো য...
05/01/2025

কোয়েল আমাদের দেশে অতি পরিচিত পাখি। এ পাখির আদি নিবাস জাপানে। অনেকে শখ করে কোয়েল পালন করেন বাড়িতে। একে সহজেই পোষ মানানো যায়। এবং পালনের জন্য অতিরিক্ত কোনও চাপও নিতে হয় না। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোয়েল পাখি পালনের কিছু নিয়ম।

বাড়িতে কোয়েল পাখি পালনের জন্য প্রথমে উপযুক্ত খাঁচা তৈরি করতে হবে। এক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরণের খাঁচা রয়েছে যেমন, লেয়ার খাঁচা, ব্রিডার খাঁচা, ব্রডার খাঁচা, বিয়ারিং খাঁচা ইত্যাদি। তবে অল্প জায়গায় যদি বেশি সংখ্যক কোয়েল পাখি পালন করতে চান তাহলে বেটারি পদ্ধতি ব্যবহার করাই ভালো।

আমাদের দেশে চাষ করার মত কোয়েলের দুটি জাত রয়েছে। একটি হলো, লেয়ার কোয়েল, অন্যটি ব্রয়লার কোয়েল। এই পাখি চাষের কোনও নির্দিষ্ট সময় নেই। আপনি চাইলে বছরের যেকোনো সময়েই কোয়েল পাখির চাষ করতে পারেন। বেশি পরিশ্রম করতে হয় না।

তবে খেয়াল রাখতে হবে, কোয়েল পাখির বাসায় যাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে আলো বাতাসের ব্যবস্থা থাকে। এছাড়াও কোয়েল পাখির বাসা সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ময়লাযুক্ত ডিম সাধারণত রোগ ও জীবাণুর প্রধান উৎস। তাই পাখি বাচ্চা ফুটানোর জন্য সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ডিম বসাতে হবে । তবে খেয়াল রাখবেন বাচ্চা ফুটানোর ডিম কখনও ধোওয়া উচিত নয় ।

কোয়েল ডিম ফোটানোর সময় ডিমে তা দেয় না। এ পাখির বাচ্চা সাধারণত ইনকিউবেটরে ফোটানো হয়। এই কাজ সম্পাদন করতে প্রায় ১৬–১৮ দিন সময় লাগে।

বাড়িতে কোয়েল চাষ করার ক্ষেত্রে যদি শুধুমাত্র ডিম ফুটাতে চান তাহলে স্ত্রী কোয়েল প্রতিপালন অধিক লাভজনক। তবে খেয়াল রাখতে হবে কোয়েল পাখি পালনে ব্রুডারের তাপমাত্রা যেন সবসময় সঠিক নিয়মে থাকে। পাখির ক্ষতি হতে পারে ।

কোয়েলের সুষম খাবারের প্রয়োজন হয় না। বর্তমানে বাজারের ব্রয়লার মুরগির খাদ্য এবং পশুখাদ্য হিসেবে মিক্সার খাদ্যই তাদের সাধারণ খাবার। শুধুমাত্র ডিম থেকে বাচ্চা ফুটে বের হওয়ার পর কিছুটা বিশেষ যত্ন প্রয়োজন হয়।

এইসময় কোয়েলের বাচ্চাকে সুষম খাদ্য প্রদান করতে হয়। তবে খেয়াল রাখবেন কোয়েলের খাঁচায় যেন যথেষ্ট পানি ব্যবস্থা থাকে। এবং কোয়েল কে দিনে তিনবার খাবার দেওয়ার চেষ্টা করবেন ।

কোয়েলের বেশকিছু রোগ বালাই দেখা যায়। তারমধ্যে আমাশয় উল্লেখ্যযোগ্য। আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কোয়েলের বাচ্চার নিউমোনিয়া হয়ে মারাও যেতে পারে। এর জন্য ব্রুডারে তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে হবে ৷ তবে যদি কোনও পাখি অসুস্থ হয় তাহলে তাকে অন্য পাখি থেকে আলাদা রাখতে হবে। অসুস্থ কোয়েলের সংস্পর্শে থাকলে বাকিরাও আক্রান্ত হতে পারে ।

যে খাঁচাতে পাখি পালন করা হবে সেই খাঁচার জালের ফাঁকগুলো একটু ঘন হতে হবে। যাতে মুখ বা গলা সেই ফাঁক দিয়ে বাইরে বেরিয়ে না আসে। এছাড়াও কোয়েলের খাঁচায় যেন ইঁদুর, ছুঁচো, ইত্যাদি না ঢুকতে পারে।

সর্বোপরি খেয়াল রাখতে হবে, খাঁচায় পানি রাখার পাত্র উল্টে যেন পাখির গা ভিজে না যায়। ভালো জাতের কোয়েল থেকে বছরে অন্তত ২৫০ থেকে ৩০০টি ডিম পাওয়া যায়। কোয়েল চাষের ঝুঁকি কম। মুরগির মতো কোন টিকা দিতে হয় না।
সামান্য কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখলেই শখের পাখিটি পালনে সফল হবেন।

কোয়েল পাখি তিতিরের মতো দেখতে Galliformes বর্গের Phasianidae গোত্রের মুরগিজাতীয় মাঝারি আকারের ভূচর পাখি। পৃথিবীতে প্রায় ১...
03/01/2025

কোয়েল পাখি তিতিরের মতো দেখতে Galliformes বর্গের Phasianidae গোত্রের মুরগিজাতীয় মাঝারি আকারের ভূচর পাখি। পৃথিবীতে প্রায় ১৮ প্রজাতির কোয়েল আছে। প্রজাতিভেদে এদের দৈর্ঘ্য ১৫ সেমি থেকে ২০ সেমি এবং ওজন ১২০ থেকে ১৫০ গ্রাম হয়। বাংলাদেশসহ ভারতীয় উপমহাদেশে মাত্র চার থেকে পাঁচ ধরনের কোয়েলের জাত দেখতে পাওয়া যায়।

এদের বেশির ভাগই এখন হাঁস-মুরগির মতো গৃহে পালিত হচ্ছে।
কোয়েল পাখি সাধারণত হালকা ধূসর বর্ণের। কোনো কোনো প্রজাতির পেটের পালকে ডোরা দাগ বা ফোঁটা থাকে। কতক প্রজাতির পুরুষে দেহের দুই পাশে হালকা নীল রঙের আভা দেখা যায়।

অনেকের গলার নিচে রিংয়ের মতো সাদা রঙের দাগ থাকে। লাভজনক হওয়ায় বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে কোয়েল পাখি পালন এখন বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। আমাদের দেশে Coturnix coromandelica এবং Turnix tanki প্রজাতির কোয়েল হচ্ছে স্থানীয়। এ ছাড়া Coturnix japonica নামক একটি জাপানি জাতের কোয়েলও আমাদের দেশে পালন করা হচ্ছে।
এদের মাংস ও ডিম বেশ সুস্বাদু।
শান্ত স্বভাবের কারণে কোয়েল পাখিকে সহজেই পালন করা যায়। এ ছাড়া এদের লালন-পালনের জন্য বেশি জায়গার প্রয়োজন হয় না। স্ত্রী কোয়েল বছরে ২০০ থেকে ২৫০টি ডিম দেয়। ডিমের ওজন হয় ৮ থেকে ১২ গ্রাম।

গৃহপালিত প্রজাতিগুলো ডিমে তা দেয় না। তাই কৃত্রিম উপায়ে (ইনকিউবেটর পদ্ধতি) ডিম ফোটাতে হয়। ডিম থেকে ১৭-১৮ দিনের মধ্যে বাচ্চা বের হয়।
কোয়েল পাখি ৬ থেকে ৭ সপ্তাহের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক হয় এবং ডিম দেওয়া শুরু করে। খাঁচায়ও কোয়েল পাখি পালন করা যায়। কোয়েলের খাঁচার দৈর্ঘ্য হয় ১৩০ থেকে ১৫০ সেন্টিমিটার। প্রস্থ ৬০ থেকে ১০০ সেন্টিমিটার এবং উচ্চতা ২৫ থেকে ৪০ সেন্টিমিটার। এ ধরনের একটি খাঁচায় ৬০ থেকে ১০০টি কোয়েল পালন করা যায়। একটি খাঁচার ওপর

আরেকটি খাঁচা স্থাপন করা যায়।

ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল

ভরপুর পুষ্টিগুণ 🔽( ১ ) কোয়েল পাখির ডিম ভিটামিন ও খনিজের প্রাচুর্য।এতে রয়েছে আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, পটাসিয়াম, সোডিয়া...
29/12/2024

ভরপুর পুষ্টিগুণ 🔽

( ১ ) কোয়েল পাখির ডিম ভিটামিন ও খনিজের প্রাচুর্য।

এতে রয়েছে আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, জিঙ্ক, থায়ামিন, রিবোফ্লাভিন, নিয়াসিন, ভিটামিন বি১২, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন এ ও ভিটামিন ই।
এটি গর্ভাবস্থায় ও শিশুর জন্মগত সমস্যা প্রতিরোধে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
এটি শিশুর হাড় গঠনেও দারুণভাবে কার্যকর।

( ২ ) অ্যালার্জিজনিত রোগ প্রতিরোধ করে

পরিবেশ দূষণের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই অ্যালার্জিজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।
কোয়েলের ডিম এসব সর্দি ও কাশির বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে। এতে রয়েছে অ্যালার্জি প্রতিরোধকারী উপাদান। গবেষণায় দেখা যায় কোয়েলের কাঁচা ডিম অ্যালার্জির লক্ষ্মণ ও মাত্রা উভয়ই কমিয়ে দিতে পারে।
হাঁপানি শিথিল করে

কোয়েলের ডিমের অ্যালার্জি প্রতিরোধকারী উপাদান হাঁপানির বিরুদ্ধেও কাজ করে। ধুলোবালির জীবাণুতে আক্রান্ত ১৮০ জন হাঁপানি আক্রান্ত শিশু নিয়ে করা একটি গবেষণায় দেখা যায়, যারা কোয়েল পাখির ডিম খেয়েছে তাদের হাঁপানির তীব্রতা ও অস্থিরতা উল্লেখযোগ্যহারে কম।

( ৩ ) ত্বক কোমল রাখে

কোয়েলের ডিমের সাদা অংশে লাইসিন-৮ নামে এক ধরনের অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে। ত্বকে কোলাজেন গঠনে লাইসিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কোলাজেন হলো একটি প্রোটিনের নাম যা ত্বক কোমল রাখে ও ত্বকের প্রতিরোধী ক্ষমতা বাড়ায়। আমাদের শরীর এ ধরনের অ্যামিনো অ্যাসিড তৈরি করে না। তাই এর ঘাটতি পূরণে কোয়েল পাখির ডিম খাওয়া প্রয়োজন।

( ৪ ) রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে ও চোখ ভালো রাখে

এই ডিম ভিটামিন ‘এ’ এর ভালো উৎস। যা চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। ভিটামিন ‘এ’ অল্প আলোয় চোখকে দেখতে সাহায্য করে ও অন্ধত্ব প্রতিরোধ করে। এছাড়াও ভিটামিন ‘এ’ চোখের কর্নিয়া ও অন্য অংশে পুষ্টি দেয়। এর অভাবে বাচ্চাদের রাতকানা রোগ হয়।

( ৫ ) বার্ধক্য প্রতিরোধ করে

ঐতিহ্যবাহী চীনা ওষুধ অনুযায়ী কোয়েলের ডিম বয়সের বৃদ্ধি কমিয়ে দিতে পারে। কোয়েলের ডিমে কোলিন নামে এক ধরনের পুষ্টি থাকে যা মস্তিষ্ককে তীক্ষ্ম রাখে, বিশেষত বয়স বাড়ার ব্যাপারে। এছাড়াও এতে ভিটামিন এ, সেলেনিয়াম ও জিঙ্ক থাকে যা ত্বকের জন্য ভালো। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকের বার্ধক্য প্রতিরোধ করে।

( ৬ ) ডায়াবেটিস মোকাবিলা করে

ডায়াবেটিস একটি বিপদজনক অবস্থা যা কেবল বাড়তেই থাকে। ঐতিহ্যবাহী চীনা ওষুধে খাবার তালিকায় কোয়েলের ডিমের মাধ্যমে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা করা হয়।

⚠️সতর্কতা

কোয়েল পাখির ডিম পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর একটি খাবার। কিন্তু এটি অতি উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল সম্পন্ন। ১০০ গ্রাম কোয়েলের ডিমে ৮৪৪ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল থাকে। যা মুরগির ডিমের চেয়েও বেশি মাত্রার কোলেস্টেরল। তাই আপনি যদি দৈনিক প্রয়োজনীয় ২০০ গ্রামের বেশি কোলেস্টেরল খেয়ে ফেলতে না চান তাহলে গপাগপ কোয়েলের ডিম খাওয়ার আগে অবশ্যই একটু সাবধানী হতে হবে।

ডিম গুলো কিসের বলতে পারবেন।🐦🐧
27/12/2024

ডিম গুলো কিসের বলতে পারবেন।🐦🐧







▶️কোয়েল পাখি পালনে নতুন খামারিদের প্রশ্ন⤵️? কোয়েল কেন পালন করা হয়?অতি অল্প খরচে, অল্প সময়ে, অল্প জায়গায় ও অল্প খাদ্যে মু...
25/12/2024

▶️কোয়েল পাখি পালনে নতুন খামারিদের প্রশ্ন⤵️
? কোয়েল কেন পালন করা হয়?
অতি অল্প খরচে, অল্প সময়ে, অল্প জায়গায় ও অল্প খাদ্যে মুরগীর তুলনায় অধিক ওজনের ডিম ও মাংস উৎপাদনের জন্য কোয়েল পালন করা হয়।

!?• এক স্কয়ার ফিট জায়গায় কতটি কোয়েল পালন করা যায়?

• প্রায় ৫টি কোয়েল পালন করা যায়।

!? কোয়েলের দৈহিক ওজন কত হারে বাড়ে?

>• অতি দ্রুত হারে, ৬-৭ সপ্তাহে ডিম ও মাংস প্রদানের উপযোগী হয়।

!?• কোয়েল বছরে কতটি ডিম দেয়?

• কোয়েল বছরে ২৫০-২৬০টি ডিম দেয়।

!?• বাংলাদেশের সব জায়গায় কোয়েল পালন করা যায় কি?

• বাংলাদেশের আবহাওয়া কোয়েল পালনের খুবই উপযোগী।

!? কোয়েলের রোগ-বালাই কি রকম?

• অন্যান্য পোল্ট্রির তুলনায় খুবই কম।

!?• কোয়েল পালতে কি রকম খরচ হয়?

মুরগীর তুলনায় প্রায় ৬ ভাগের এক ভাগ খরচ হয়।

Address

Dhaka
Gazipur
1720

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কোয়েল খামার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to কোয়েল খামার:

Share