Hilf Al Fudul - হিলফুল ফুজুল

Hilf Al Fudul - হিলফুল ফুজুল Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Hilf Al Fudul - হিলফুল ফুজুল, Dhaka.

একতাই হোক আমাদের শক্তি। বিনিয়োগের মাধ্যমে উদ্যোক্তা বাড়ানো ও বেকারত্ব দূর করা। নিরীহ-অসহায়দের সহায় হওয়া, অবিচার-জুলুম প্রতিরোধ করা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে পরস্পরের মেধা, সম্পদ, শ্রম ও মূল্যবান পরামর্শ নিয়ে একসাথে এগিয়ে যাবো। হিলফুল ফুজুল - Hilf Al-Fudul (حلف الفضول) এর অর্থ হলো "শান্তি সংঘ" বা "কল্যাণের শপথ"। এটি ইসলামপূর্ব যুগে মক্কায় প্রতিষ্ঠিত একটি সামাজিক সংঘ, যা

র প্রধান উদ্দেশ্য ছিল সমাজের নিরীহ ও অসহায় ব্যক্তিদের রক্ষা করা, তাদের প্রতি হওয়া অবিচার ও জুলুম প্রতিরোধ করা এবং সকলের জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা। এই সংঘ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আমাদের এই উদ্যোগ যা হিলফুল ফুজুল নামেই সংজ্ঞায়িত যা সর্বসম্মতিক্রমে পরিবর্তনশীল। হিলফুল ফুজুল এই সংগঠনের উদ্দেশ্য সমাজের নিরীহ ও অসহায় ব্যক্তিদের রক্ষা করা, তাদের প্রতি হওয়া অবিচার ও জুলুম প্রতিরোধ করা, সকলের জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা ও অবহেলিত, দু:স্থ, সহায়হীন নারী ও পুরুষের কর্মসংস্থান এর ব্যবস্থা করা এবং মেধাবী নারী ও পুরুষের মেধা বিকাশে সহায়তা করে আমাদের বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। নিজের দেশে বিনিয়োগের মাধ্যমে উদ্যোক্তা বাড়ানো ও বেকারত্ব দূর করার চেষ্টা করা হবে। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে আপনার মেধা, সম্পদ, শ্রম অথবা মূল্যবান পরামর্শ দিয়ে একসাথে এগিয়ে চলার শপথ করতে হবে। আমাদের এই কার্যক্রমে দেশের প্রতিটি স্তরের প্রতিটি শ্রেণী, প্রতিটি পেশার মানুষের সহযোগিতা ও অংশ গ্রহণ প্রয়োজন। একতা বদ্ধ জনগোষ্ঠী একটি দেশকে কিভাবে উন্নতির সর্বোচ্চ স্তরে নিয়ে যেতে পারে তা পূর্ববর্তী হিলফুল ফুজুল সংগঠন থেকে আমরা দেখতে পাই। তাই একতাই হোক আমাদের শক্তি। আপনি যদি দেশ ও জাতি বিনির্মাণের অংশীদার হতে চান তাহলে আমাদের সাথে থাকুন। ধন্যবাদ, আল্লাহ্‌ হাফেজ।

বছরের শ্রেষ্ঠ ১০টি রাত হলো রমজানের শেষ দশক, আর বছরের শ্রেষ্ঠ ১০টি দিন হলো জিলহজ্বের প্রথম দশক। আল্লাহর কাছে এই ১০ দিনের ...
19/05/2026

বছরের শ্রেষ্ঠ ১০টি রাত হলো রমজানের শেষ দশক, আর বছরের শ্রেষ্ঠ ১০টি দিন হলো জিলহজ্বের প্রথম দশক। আল্লাহর কাছে এই ১০ দিনের আমল অনেক প্রিয়। জিলহজ্ব মাসের প্রথম ১০ দিনে আমরা যে আমলগুলো করতে পারি—

১। জিলহজ্বের প্রথম ৯ দিন নফল রোজা রাখা; বিশেষ করে আরাফার দিন :

জিলহজ্বের প্রথম দশকে রোজার বিষয়ে উম্মুল মুমিনীন হযরত হাফসা (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন, ❝চারটি আমল রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনো ছাড়তেন না। আশুরার রোজা, জিলহজ্বের প্রথম দশকের (অর্থাৎ প্রথম নয় দিনের) রোজা, প্রত্যেক মাসের তিন দিনের রোজা, ফজরের আগে দুই রাকাত সুন্নত নামাজ।❞
— সুনানে নাসায়ী : ২৩৭৪; সহীহ ইবনে হিব্বান : ৬৪২২; মুসনাদে আহমাদ : ২৬৩৩৯।

রাসূল (ﷺ) বলেন, ❝আরাফার দিনের রোজার বিষয়ে আমি আল্লাহর নিকট আশা করি যে, তিনি এর দ্বারা বিগত বছর ও আগামী এক বছরের গুনাহ মাফ করে দেবেন।❞
— সহীহ মুসলিম : ১১৬২

২। সামর্থ্য থাকলে হজ্জ ও উমরাহ করা :

আল্লাহ তা'আলা বলেন, ❝তাতে রয়েছে স্পষ্ট নির্দশনসমূহ, মাকামে ইবরাহীম। আর যে তাতে প্রবেশ করবে, সে নিরাপদ হয়ে যাবে এবং সামর্থ্যবান মানুষের উপর আল্লাহর জন্য বায়তুল্লাহর হজ্জ করা ফরজ। আর যে কু*ফরী করে, তবে আল্লাহ তো নিশ্চয় সৃষ্টিকুল থেকে অমুখাপেক্ষী।❞
— সূরা আল-ইমরান : ৯৭

৩। সামর্থ্য থাকলে কুরবানি করা :

❝কাজেই তুমি তোমার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে নামায আদায় কর এবং কুরবানী কর।❞
— সূরা আল-কাউসার : ২

৪। চুল ও নখ না কাটা :

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, ❝যখন তোমরা জিলহজ্ব মাসের (নতুন চাঁদ দেখতে পাও) আর তোমাদের কেউ কুরবানি করার ইচ্ছা করে, তবে সে যেন তার চুল না ছাটে ও নখ না কাটে।❞
— সহীহ মুসলিম : ১৯৭৭

৫। আল্লাহর কাছে আন্তরিকভাবে তাওবাহ করা :

এ দিন গুলোতে তাওবাহ করে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করার একটি সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
❝হে মোমিনগণ! তোমরা আল্লাহর নিকট তাওবাহ কর—বিশুদ্ধ তাওবাহ; সম্ভবত তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের মন্দ কাজগুলো মোচন করে দেবেন এবং তোমাদের জান্নাতে প্রবেশ করাবেন যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত। সে দিন আল্লাহ লজ্জা দেবেন না নবীকে এবং তার মোমিন সঙ্গীদেরকে, তাদের জ্যোতি তাদের সম্মুখে ও দক্ষিণ পার্শ্বে ধাবিত হবে। তারা বলবে, হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের জ্যোতিকে পূর্ণতা দান কর এবং আমাদেরকে ক্ষমা কর, নিশ্চয় তুমি সর্ব বিষয়ে সর্বশক্তিমান।❞
— সূরা আত-তাহরীম : ৮

৬। অধিক পরিমাণে আল্লাহর যিকির করা :

আল্লাহ ত'আলা বলেন, ❝যাতে তারা তাদের কল্যাণময় স্থানগুলোতে উপস্থিত হতে পারে এবং তিনি তাদেরকে চতুষ্পদ জন্তু হতে যা রিজিক হিসেবে দান করেছেন তার উপর নির্দিষ্ট দিনসমূহে আল্লাহর নাম স্মরণ করতে পারে।❞
— সূরা আল-হাজ্জ : ২৮

অধিকাংশ আলেম বলেছেন : এ আয়াতে নির্দিষ্ট দিন বলতে জিলহজ্বের প্রথম দশ দিনকে নির্দেশ করা হয়েছে। এ সময়ে আল্লাহর বান্দাগণ বেশি বেশি করে আল্লাহর প্রশংসা করেন, তার পবিত্রতা বর্ণনা করেন, তার নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করেন, কুরবানির পশু য*বেহ করার সময় আল্লাহর নাম ও তাকবীর উচ্চারণ করে থাকেন।
হাদিসে আছে চারটি বাক্য আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয়।
ক. সুবহানাল্লাহ, খ. আলহামদুলিল্লাহ, গ. লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ঘ. আল্লাহু আকবর। এ দিনগুলোতে এ যিকিরগুলো করা যেতে পারে।

৭। বেশি বেশি তাকবীর, তাহলীল ও তাহমীদ পাঠ করা :

রাসুল (ﷺ) বলেন, ❝আল্লাহ তা‘আলার নিকট জিলহজ্বের দশ দিনের আমলের চেয়ে মহান এবং প্রিয় অন্য কোনো দিনের আমল নেই। সুতরাং, তোমরা সেই দিনগুলোতে অধিক পরিমাণে
তাসবিহ ( سُبْحَانَ اللّٰهِ ), সুবহানাল্লাহ
তাহমিদ ( ٱلْحَمْدُ لِلَّٰهِ ), আলহামদুলিল্লাহ
তাহলিল ( لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ ) লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ
ও তাকবির ( اللّٰهُ أَكْبَر ) আল্লাহ আকবার, পড়ো।❞
— মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৪৬; (হাদিসটির সনদ সহীহ)

এবং আরাফার দিন অর্থাৎ জিলহজ্বের ৯ তারিখ ফজর থেকে শুরু করে ১৩ তারিখ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর একাকী বা জামাতে নামাজ আদায়কারী, নারী অথবা পুরুষ— প্রত্যেকের জন্য একবার তাকবিরে তাশরিক —
(اَللهُ أَكْبَرُ، اَللهُ أَكْبَرُ، لَاإِلَهَ إِلاَّ اللهُ، وَاللهُ أَكْبَرُ، اللهُ أَكْبَرُ وَلِلهِ الحَمْدُ)
পাঠ করা ওয়াজিব। পুরুষরা উচ্চ আওয়াজে বলবে, আর নারীরা নিচু আওয়াজে।
— ইবনু তাইমিয়্যাহ, মাজমু‘উ ফাতাওয়া : ২৪/২২০; ইবনুল কায়্যিম, যাদুল মা‘আদ : ২/৩৬০; ইবনু আবিদিন, রাদ্দুল মুহতার : ৩/৬১।

৮। সকল প্রকার গুনাহ থেকে বিরত থাকা :

চারটি সম্মানিত মাসের একটি হলো জিলহজ্ব; তাই এই মাসের সম্মানে যথাসম্ভব সকল গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা।

আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ❝নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট সংরক্ষিত ফলকে (বছরে) মাসের সংখ্যা বারোটি—আসমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকে। তার মধ্যে চারটি (মাস) সম্মানিত। এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান; সুতরাং এর মধ্যে তোমরা (গুনাহ করার মাধ্যমে) নিজেদের প্রতি অত্যাচার করো না।❞
— সূরা আত-তাওবা : ৩৬

৯। বেশি বেশি নফল ইবাদত করা :

এই দিনগুলো বছরের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ, তাই অধিক পরিমাণে নেক আমল করা।

রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ❝আল্লাহ তা‘আলার নিকট জিলহজ্বের (প্রথম) দশ দিনের আমলের চেয়ে অধিক মর্যাদাপূর্ণ ও প্রিয় অন্য কোনো আমল নেই। সাহাবিগণ বললেন, ‘ইয়া রাসুলাল্লাহ! আল্লাহ রাস্তায় জি*হা/দও কি এর চেয়ে উত্তম নয়?’ তিনি বললেন, না। আল্লাহর রাস্তায় জি*হা/দও নয়। তবে যে ব্যক্তি তার জান ও মাল নিয়ে (জি*হা/দে) ঝাঁপিয়ে পড়লো এবং এর কোনো কিছু নিয়েই আর ফিরে এলো না (অর্থাৎ, শহীদ হয়ে গেলো, তার কথা ভিন্ন)।❞
— সহীহ বুখারী : ৯৬৯; মুসনাদে আহমাদ : ৬৫০৫; আবু দাউদ : ২৪৩৮।

❝জিলহজ্ব মাসের ১ম ১০ দিনের ফরজ ইবাদত অন্যান্য মাসের ফরজ ইবাদতের তুলনায় অধিক মর্যাদার। এই দশদিনের নফল ইবাদত অন্যান্য মাসের নফল ইবাদতের চেয়ে শ্রেষ্ঠ।❞
— ইবনু রজব, ফাতহুল বারি : ৯/১৫

১০। বেশি বেশি দান-সাদাকাহ করা :

দান-সাদাকাহ এমনিতেই গুরুত্বপূর্ণ নেক আমল। বিশেষ দিনে এর গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়। তাই জিলহজ্ব মাসে দান-সাদাকাহ করা বিশেষ সওয়াবের কাজ ও ফজিলতপূর্ণ আমল। অন্যের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার মর্যাদা সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, ❝যারা নিজের সম্পদ দিনে বা রাতে প্রকাশ্যে অথবা গোপনে আল্লাহর পথে খরচ করে তাদের পুরস্কার তাদের প্রতিপালকের কাছে আছে। তাদের কোনো ভয় নেই। তাদের কোনো চিন্তাও নেই।❞ — সূরা বাকারা : ২৭৪

আল্লাহ তা'আলা আমাদের সবাইকে এই আমলগুলো সহীহ নিয়তে আমল করার তাওফিক দান করুন।

ভোট গুরুত্বপূর্ণ আমানত
28/01/2026

ভোট গুরুত্বপূর্ণ আমানত

শবে মেরাজ হলো ইসলাম ধর্মের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অলৌকিক ঘটনার রাত। 'শব' মানে রাত আর 'মেরাজ' মানে ঊর্ধ্বগমন...
16/01/2026

শবে মেরাজ হলো ইসলাম ধর্মের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অলৌকিক ঘটনার রাত। 'শব' মানে রাত আর 'মেরাজ' মানে ঊর্ধ্বগমন।

এই রাতে ইসলামের নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মহান আল্লাহর বিশেষ আমন্ত্রণে মক্কা থেকে ফিলিস্তিনের বায়তুল মুকাদ্দাস হয়ে সপ্ত আকাশ ভ্রমণ করেন এবং আল্লাহর সাথে সরাসরি কথা বলেন।

শবে মেরাজের মূল ঘটনা:
১. ইসরা: জিবরাঈল (আ.)-এর সাথে নবীজি (সা.) 'বোরাক' নামক দ্রুতগতির বাহনে চড়ে মক্কার মসজিদুল হারাম থেকে জেরুজালেমের মসজিদুল আকসায় গমন করেন।
২. মেরাজ: সেখান থেকে তিনি সপ্ত আকাশ পাড়ি দিয়ে 'সিদরাতুল মুনতাহা' এবং পরবর্তীতে মহান আল্লাহর আরশে আজিম পরিভ্রমণ করেন।

শবে মেরাজের উপহার:
এই অলৌকিক ভ্রমণের সময় মহান আল্লাহ উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করেন। প্রথমে ৫০ ওয়াক্ত থাকলেও পরবর্তীতে তা কমিয়ে ৫ ওয়াক্ত করা হয়, যা আদায় করলে ৫০ ওয়াক্তের সওয়াব পাওয়া যায়।

পালন ও গুরুত্ব:
সাধারণত হিজরি রজব মাসের ২৬ তারিখ দিবাগত রাতে শবে মেরাজ পালিত হয়। এ রাতে মুসলমানরা নফল নামাজ, কুরআন তেলাওয়াত, জিকির-আসকার এবং দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর ইবাদত করেন। অনেক জায়গায় দিনের বেলা নফল রোজা রাখার রেওয়াজও রয়েছে।

আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই।সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসন বেগম খা...
30/12/2025

আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আর নেই। মঙ্গলবার সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

খালেদা জিয়ার জানাজা বুধবার দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা পড়াবেন বায়তুল মোকাররমের খতিব আবদুল মালেক। এরপর তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হবে।

শরীফ ওসমানীর হাদির আত্মত্যাগ ফ্যাসিবাদ বিরোধী ও বাংলাদেশ পন্থী সকল রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিজীবি, পন্ডিত, শিক্ষক, ছাত্র ও সর্বস...
19/12/2025

শরীফ ওসমানীর হাদির আত্মত্যাগ ফ্যাসিবাদ বিরোধী ও বাংলাদেশ পন্থী সকল রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিজীবি, পন্ডিত, শিক্ষক, ছাত্র ও সর্বস্তরের জনগণ এর জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি সতর্ক বার্তা। যদি আমরা সবাই এক থাকতে না পারি তাহলে সবাইকে এভাবেই জীবন দিতে হবে।

হে আল্লাহ আপনি আমাদের হাদিকে শহীদের অমিয় সুদা পান করান, জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন।

আগামীকাল দুপুর ২ টায় আমাদের মহান নেতা হাদির জানাযা অনুষ্ঠিত হবে।

চলে গেলেন জুলাই বিপ্লবী ওসমান হাদি (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহে রজিউন)। বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে ওসমান হাদির ...
18/12/2025

চলে গেলেন জুলাই বিপ্লবী ওসমান হাদি (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহে রজিউন)। বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে ওসমান হাদির ভাই ওমর হাদি আমার দেশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এছাড়া ওসমান হাদির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

হিলফুল ফুজুল - সদস্য পদের আবেদনঃআসসালামু আলাইকুম, হিলফুল ফুজুল সংগঠনের  সদস্য হতে এই ফরমটি পূরণ করুন। হিলফুল ফুজুল এই সং...
16/12/2025

হিলফুল ফুজুল - সদস্য পদের আবেদনঃ
আসসালামু আলাইকুম, হিলফুল ফুজুল সংগঠনের সদস্য হতে এই ফরমটি পূরণ করুন। হিলফুল ফুজুল এই সংগঠনের উদ্দেশ্য সমাজের নিরীহ ও অসহায় ব্যক্তিদের রক্ষা করা, তাদের প্রতি হওয়া অবিচার ও জুলুম প্রতিরোধ করা। সকলের জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা, অবহেলিত, দু:স্থ, সহায়হীন নারী ও পুরুষের কর্মসংস্থান এর ব্যবস্থা করা। মেধাবী নারী ও পুরুষের মেধা বিকাশে সহায়তা করে আমাদের বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। নিজের দেশে বিনিয়োগের মাধ্যমে উদ্যোক্তা বাড়ানো ও বেকারত্ব দূর করার চেষ্টা করা। আমাদের এই কার্যক্রমে দেশের প্রতিটি স্তরের প্রতিটি শ্রেণী, প্রতিটি পেশার মানুষের সহযোগিতা ও অংশ গ্রহণ প্রয়োজন। একতা বদ্ধ জনগোষ্ঠী একটি দেশকে কিভাবে উন্নতির সর্বোচ্চ স্তরে নিয়ে যেতে পারে তা পূর্ববর্তী হিলফুল ফুজুল সংগঠন থেকে আমরা দেখতে পাই। এর প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের আপামর জন সাধারণকে সাথে নিয়ে একটি শক্তিশালী সামাজিক ও অর্থনৈতিক ভিত্তি গঠনের লক্ষে হিলফুল ফুজুল নামক সংগঠনের প্রস্তুতি বা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে এই সংগঠনের জন্য প্রাথমিকভাবে সদস্য বাছাই কার্যক্রম চলছে। আগ্রহী জন সাধারণের সাথে যথাক্রমে আলাপ-আলোচনা মাধ্যমে সদস্য বাছাই করা হবে। উক্ত সদস্যগণের মধ্য হতে পরবর্তীতে যথাক্রমে বিভিন্ন স্তরের কমিটি গঠন ও সংগঠনের কার্যক্রমের সঠিক দিকনির্দেশনা তৈরি করা হবে। আশা করি একটি আধুনিক ও শক্তিশালী, অর্থ ও মেধা নির্ভর বাংলাদেশ গঠনে আমাদের সাথে থাকবেন।
ইনশাআল্লাহ পরবর্তী দিকনির্দেশনা যথা সময়ে পাবেন।

আসসালামু আলাইকুম, হিলফুল ফুজুল সংগঠনের সদস্য হতে এই ফরমটি পূরণ করুন। আবেদন ফরমটি শুধুমাত্র ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এ...

ইসলামে স্বাধীনতার ধারণা অত্যন্ত ব্যাপক, যা মানুষের আত্মমর্যাদা এবং আল্লাহর দাসত্ব ছাড়া অন্য সব দাসত্ব থেকে মুক্তির ওপর গ...
16/12/2025

ইসলামে স্বাধীনতার ধারণা অত্যন্ত ব্যাপক, যা মানুষের আত্মমর্যাদা এবং আল্লাহর দাসত্ব ছাড়া অন্য সব দাসত্ব থেকে মুক্তির ওপর গুরুত্বারোপ করে। নিচে স্বাধীনতা ও পরাধীনতা মুক্তি সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ কিছু হাদিস ও তথ্য তুলে ধরা হলো:

১. মানুষের জন্মগত স্বাধীনতা:
হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "প্রত্যেক নবজাতকই ফিতরাতের (সহজাত ইসলামি স্বভাব ও স্বাধীনতা) ওপর জন্মগ্রহণ করে..." (সহিহ বুখারি, হাদিস নং ১৩৫৮)। ইসলাম মনে করে মানুষ স্বাধীন হয়েই জন্মায়।

২. ক্রীতদাস মুক্তি ও স্বাধীনতা:
পরাধীনতা থেকে মানুষকে মুক্ত করাকে ইসলাম অত্যন্ত সওয়াবের কাজ হিসেবে ঘোষণা করেছে। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমকে দাসত্ব থেকে মুক্তি দেবে, আল্লাহ সেই দাসের প্রতিটি অঙ্গের বিনিময়ে ওই ব্যক্তির প্রতিটি অঙ্গকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দেবেন।" (সহিহ বুখারি, হাদিস নং ২৪৪৮)।

৩. অত্যাচারী শাসক ও সত্য বলার স্বাধীনতা:
প্রকৃত স্বাধীনতা হলো সত্য কথা বলার সাহস রাখা। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "অত্যাচারী শাসকের সামনে সত্য কথা বলাই হলো সর্বোত্তম জিহাদ।" (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৪৩৪৪)।

৪. মানুষের ওপর মানুষের দাসত্ব নিষিদ্ধ:
ইসলামের মূল শিক্ষা হলো মানুষকে মানুষের দাসত্ব থেকে মুক্ত করে আল্লাহর আনুগত্যের অধীনে আনা। ঐতিহাসিক তথ্যানুযায়ী, সাহাবী রবি ইবনে আমের (রা.) পারস্যের সেনাপতির সামনে বলেছিলেন: "আল্লাহ আমাদের পাঠিয়েছেন মানুষকে মানুষের দাসত্ব থেকে বের করে আল্লাহর দাসত্বের দিকে নিয়ে যেতে এবং দুনিয়ার সংকীর্ণতা থেকে প্রশস্ততার দিকে নিয়ে যেতে।" (আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া)।

৫. ব্যক্তিগত অধিকার ও সম্মান:
বিদায় হজের ভাষণে রাসূলুল্লাহ (সা.) মানুষের জান, মাল ও সম্মানের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দিয়ে বলেন: "তোমাদের রক্ত, তোমাদের সম্পদ এবং তোমাদের সম্মান আজকের এই দিন ও এই মাসের মতোই পবিত্র (অর্থাৎ অলঙ্ঘনীয়)।" (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ১২১৮)।

Address

Dhaka

Telephone

+881913723941

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hilf Al Fudul - হিলফুল ফুজুল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share