Techfors Limited

Techfors Limited শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্য?

24/09/2019

A royal family!!

অনলাইনে যে ৭ কাজ করবেন নাএকসময় ইন্টারনেট এতটা ব্যবহারবান্ধব ছিল না। মানুষকে কষ্ট করে ইন্টারনেটে যেতে হতো। তখন ইন্টারনেটে...
31/10/2016

অনলাইনে যে ৭ কাজ করবেন না
একসময় ইন্টারনেট এতটা ব্যবহারবান্ধব ছিল না। মানুষকে কষ্ট করে ইন্টারনেটে যেতে হতো। তখন ইন্টারনেটের নিরাপত্তার বিষয় নিয়ে এত বেশি দুশ্চিন্তারও কিছু ছিল না। কিন্তু আধুনিক কালের উচ্চগতির ওয়াই-ফাই বা সামাজিক যোগাযোগের যুগে শিশু থেকে বৃদ্ধরাও ইন্টারনেটে আসতে পারছেন। অনলাইনে কেনাকাটা, আর্থিক লেনদেন, সামাজিক যোগাযোগ থেকে শুরু করে নানা কাজ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বাড়ছে বিপদ। তাই ইন্টারনেটের কিছু বিষয়ে মানুষকে আগের চেয়ে বেশি সচেতন হতে হবে। ইন্টারনেট নিরাপত্তা সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ক্যাসপারস্কির তথ্য অনুযায়ী, সাতটি বিষয়ে মানুষকে এখন বেশি সচেতন থাকতে হবে। এ বিষয়গুলো সহজ হলেও মানুষকে বোকা বানাতে এগুলো ব্যবহার করা হয়।

১. মুক্ত ওয়াই-ফাইয়ের ওপর ভরসা করা
মুক্ত ওয়াই-ফাই বা বিনা মূল্যের ওয়াই-ফাই পেলেই ঝাঁপিয়ে পড়া ঠিক নয়। মুক্ত ওয়াই-ফাইয়ের ওপর আস্থা রাখলে ঝুঁকিতে পড়তে হতে পারে। অনেক সময় সাইবার দুর্বৃত্তরা পরিচিত নেটওয়ার্কের নাম দিয়ে ওয়াই-ফাই হটস্পট তৈরি করে রাখে। কোনো নেটওয়ার্ক পরিচিত হলেও তাতে আর্থিক লেনদেন, কেনাকাটা করা ঠিক হবে না। এ ছাড়া যেসব সাইটে লগইন করার দরকার পড়ে, সেগুলোয় উন্মুক্ত ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে বিশ্বাস করে ঢোকা ঠিক হবে না। সম্ভব হলে ভিপিএন ব্যবহার করুন।

২. সহজ, অনুমানযোগ্য পাসওয়ার্ড ব্যবহার
পোষা প্রাণীর নাম, জন্মদিন, পারিবারিক নামের মতো সহজে অনুমানযোগ্য পাসওয়ার্ডগুলো অনিরাপদ। যে পাসওয়ার্ড সহজে ধারণা করা যায় না, এমন জটিল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। সহজে মনে রাখতে পারেন, কিন্তু অন্যরা সহজে ধরতে পারবে না, এমন কৌশলী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন।

৩. পাসওয়ার্ড পুনর্ব্যবহার
হয়তো জটিল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করলেন, কিন্তু কোনো এক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার ফলে ওই পাসওয়ার্ড হাতছাড়া হতে পারে। তাই একই পাসওয়ার্ড আবার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

৪. ই-মেইলে আসা লিংকে ক্লিক
ই-মেইলে নানা প্রলোভন দেখানো মেইল আসতে পারে। আবার অনেক মেইলে নানা অফারের লিংক আসে। মেইলে অপরিচিত কিংবা পরিচিত কোনো উৎস থেকে আসা লিংকে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকুন। কোনো স্প্যাম বা ফিশিং ই-মেইলের লিংকে ক্লিক করলেও এমন কোনো সাইটে চলে যেতে পারেন, যেখান থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ম্যালওয়্যার ডাউনলোড হতে পারে। এমনকি এমন কোনো ভুয়া সাইটে চলে যেতে পারেন, যা দরকারি পাসওয়ার্ড হাতিয়ে নিতে পারে। এসব লিংকে ক্লিক করলে স্প্যামার বুঝতে পারে, কেউ ফাঁদে পা দিয়েছে। ই-মেইলে আসা লিংকের মতোই ফেসবুকে লাইক সংগ্রহ করে—এমন লিংকগুলোয় ক্লিক করা থেকেও বিরত থাকুন। আইফোন জেতার অফার কিংবা কোনো নির্যাতনের ভিডিও দেখিয়ে মন্তব্য বা শেয়ার করতে যেসব লিংকে বলা হয়, সেগুলো এড়িয়ে যেতে হবে।

৫. কারও সঙ্গে লগইন তথ্য আদান-প্রদান না করা
যত ঘনিষ্ঠ হোক না কেন, অনলাইনের লগইন তথ্য আদান-প্রদান না করাই ভালো। কারও কাছে লগইন তথ্য থাকলে অ্যাকাউন্ট বেহাত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

৬. অবস্থানগত তথ্য অনলাইনে না জানানো
অনেকেই কোথাও বেড়াতে যাওয়ার আগে বা বাড়ির বাইরে থাকলে ফেসবুক-টুইটারে জানিয়ে দেন। অবস্থানগত তথ্য অনলাইনে জানিয়ে দেওয়ার ফলে দুর্বৃত্তদের অসৎ উদ্দেশ্য পূরণে সুবিধা হতে পারে। কোথাও বেড়াতে গেলে বিশ্বস্ত বন্ধুদের জানাতে পারেন, তবে তা ইন্টারনেটের পুরো দুনিয়ায় ছড়িয়ে দিলে নানা ঝুঁকি বাড়ে।

৭. সামাজিক যোগাযোগের সাইটের ডিফল্ট সেটিংস রেখে দেওয়া
এখন অনেক মানুষ ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগের সাইট ব্যবহার করেন। এ ধরনের সাইট ব্যবহারের সময় প্রাইভেসি সেটিংস নিয়মিত পরিবর্তন করা উচিত। নতুন অ্যাকাউন্ট খোলার সময় অন্তত পাঁচ মিনিট প্রাইভেসি ও নিরাপত্তা সেটিংস নিয়ে কাজ করুন। যাঁদের অনলাইন অ্যাকাউন্ট আছে, তাঁরা প্রতি মাসে প্রাইভেসির বিষয়টি একবার পরিবর্তন করুন। ফেসবুক, টুইটার, লিংকডইনে কোনো কিছু পোস্ট করার আগে দ্বিতীয়বার ভাবুন। অপরিচিত কারও কাছে ব্যক্তিগত তথ্য তুলে দেওয়ার আগে একটু ভাবনা অনেক ক্ষতি থেকে বাঁচিয়ে দিতে পারে। তথ্যসূত্র: জিনিউজ।

ফেসবুক আপনাকে কী দিচ্ছে?আমাদের কর্মব্যস্ত জীবনের অবসর সময়ের পুরোটাই দখল করে নিয়েছে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। তরুণ-ত...
29/10/2016

ফেসবুক আপনাকে কী দিচ্ছে?

আমাদের কর্মব্যস্ত জীবনের অবসর সময়ের পুরোটাই দখল করে নিয়েছে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে ৮০ বছরের বৃদ্ধরাও প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ সময় ব্যয় করছেন। ব্যবহারকারী বিবেচনায় বর্তমানে শীর্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক। যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, ফেসবুক ব্যবহারকারীরা যত বেশি সময় ফেসবুক ব্যবহার করেন, তত বেশি নিজের জীবন নিয়ে হতাশ হন, আর নিজের দুঃখ বাড়িয়ে তোলেন। ফেসবুকের বিস্তারিত নিয়ে লিখেছেন আহমেদ ইফতেখার
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন জরিপ ফলাফলে দেখা গেছে, ফেসবুক আসক্ত হয়ে আমাদের নিদ্রা অভ্যাসের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বিভিন্ন বিষয়ে আপডেট পেতে বারবার ফেসবুকে চোখ রাখায় মানুষের ঘুমের প্যাটার্ন পুরোপুরি নষ্ট করে দিচ্ছে। এ ছাড়াও নানাবিধ সমস্যার কারণ ফেসবুক। অবাক করার বিষয় হলো ব্যবহারকারীর ঘুমাতে যাওয়ার সময় জানে ফেসবুক। সোস্যাল মাধ্যমটি গ্রাহকের এত বেশি তথ্য সংগ্রহ করে যে, তারা বলে দিতে পারে আপনি কখন ঘুমাতে যান। ড্যানিশ সফটওয়্যার ডেভেলপার সোরেন লুইভ-জনসেন একটি টুল উন্নয়ন করেছেন, যার মাধ্যমে একজন ফেসবুক ব্যবহারকারীর রাতে ঘুমাতে যাওয়া এবং সকালে ওঠা থেকে শুরু করে নানা অ্যাক্টিভিটি ট্র্যাক করা সম্ভব। বিষয়টির সঙ্গে ডাটা প্রাইভেসি ইস্যু জড়িত থাকার কারণে এ টুল ডিঅ্যাকটিভ করার অনুরোধ করেছিল ফেসবুক। অনলাইনে আমরা অনেক সময় খুব বেশি তথ্য প্রকাশ করে ফেলি। কিন্তু আমরা জানি না যে, এটা অন্যরা কিভাবে ব্যবহার করছে বা করতে পারে। অনেকেই মনে করেন, আধুনিক প্রযুক্তি হিসেবে ফেসবুক অনেক কাজের। যোগাযোগমাধ্যম হিসেবে, শিক্ষার বাহন হিসেবে, কিংবা বিনোদনের অনুষঙ্গ হিসেবে চাইলেই এর সম্ভাবনার দিকগুলোকে কোনোভাবে অস্বীকার করা যাবে না। পুরনো বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজন, শিক্ষক বা সহকর্মীদের সাথে সহজে যোগাযোগ, খবরাখবর নেয়া, কী হলো না হলো, দেশ কোন দিকে যাচ্ছে, কে কী বলছে- এসব জানতে পারা, কার বেবি হলো, ছেলে না মেয়ে, কে পাস করল না করল থেকে শুরু করে এই মাত্র খেলাম, কখন বাথরুমে যাচ্ছি- এসব ছোটখাটো বিষয় পর্যন্ত শেয়ার করছি। মাঝে সাঝে মনে হয়, লেখাপড়ার প্রয়োজনে গ্রুপ ডিসকাশনসহ কত না উপকার করছে ফেসবুক। যে সামাজিক যোগাযোগে মানুষের কাছে আসার কথা, সেই দেখা যাচ্ছে বাবা-মা, ভাই-বোন, স্বামী-স্ত্রীকে পর করে দিচ্ছে, দূরে ঠেলে দিচ্ছে। যার ফেসবুকে এত ফ্রেন্ড, সে-ই দেখা যায় পড়ন্ত বিকেলে কিংবা সাঁঝবেলার মলিন আলোয় ঘরের কোনায় বসে ফেসবুকে লিখছে- আমি একা!
বিষণ্ণতার জন্য দায়ী
ফেসবুকে দীর্ঘ সময় কাটানো ব্যাক্তিরা প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়। গত বছরের এক জরিপ অনুযায়ী, প্রবল হিংসা একসময় হতাশায় পরিণত হয়ে ধীরে ধীরে আপনাকে বিষণœ করে তুলবে। যেসব ফেসবুক ব্যবহারকারী বন্ধুর অনলাইন কার্যক্রম এবং ভার্চুয়াল লাইফস্টাইল দেখে হিংসাবোধ করেন। মূলত তারাই বেশি বিষণœতায় ভুগতে থাকার কথা উল্লেখ করেছেন।
এ ছাড়া ফেসবুক মানুষের মনোযোগ নষ্ট করে দিচ্ছে। সম্প্রতি গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, গড় মনোযোগের হার অনেকাংশে হ্রাস পেয়েছে। এ জন্য ফেসবুকের মতো বিভিন্ন সোস্যাল মাধ্যমগুলোকে দায়ী করা হচ্ছে। ডিজিটাল জীবনধারার দ্বারা সৃষ্ট ক্রমাগত বিক্ষিপ্ত মনোভাব মস্তিষ্কের রসায়ন পরিবর্তন করে দিচ্ছে। এতে করে দীর্ঘ সময় কোনো কাজে মনোযোগ দেয়ার ক্ষমতা হারাচ্ছি আমরা।
সম্পর্ক নষ্টের কারণ
সাধারণত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো মানুষকে একে অন্যের সাথে সম্পৃক্ত থাকতে ভূমিকা রাখে। কিন্তু মনোবিজ্ঞানীদের মতে, বর্তমানে দাম্পত্যজীবনে বিভেদ সৃষ্টির জন্য এ ধরনের মাধ্যমগুলোর ভূমিকা খুবই নেতিবাচক। ঘনিষ্ঠ মুহূর্তগুলো নষ্ট করে ধারাবাহিক ফেসবুক নোটিফিকেশন চেক করার মতো অভ্যাস দেখা যাচ্ছে। এ ছাড়া বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কে জড়ানোর ক্ষেত্রেও নানা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহৃত হচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন বিষয়ে সোস্যাল মিডিয়ার ওপর নির্ভরশীলতা বাস্তবজীবন নাজুক করে তোলে। ভার্চুয়াল জগতে একে অন্যের সাথে সম্পৃক্ত থাকলেও প্রকৃত অর্থে কারো সাথে সংযুক্ত থাকা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।
চিন্তাধারার সীমাবদ্ধতা
ফেসবুকের অ্যালগরিদম ঘিরে সোস্যাল মিডিয়া সমালোচকদের মধ্যে দীর্ঘ দিনের বিতর্ক রয়েছে। বলা হয়, একজন গ্রাহক যে ধরনের পোস্টে ক্লিক করেন, তার ওপর ভিত্তি করে সেই ধরনের পোস্টগুলোই বেশি বেশি প্রদর্শন করা হয়। এতে ব্যবহারকারীর চিন্তাধারা নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। হারিয়ে যায় জীবনের বৈচিত্র্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সাইটে মানুষ কী চায়, তা নির্ধারণে মেশিন লার্নিং অ্যালগরিদম ব্যবহার করে ফেসবুক। ধরা যাক, একজন গ্রাহক ফুটবলসংশ্লিষ্ট পোস্ট বেশি পছন্দ করছেন। সে ক্ষেত্রে সাইটটি ওই গ্রাহকের নিউজফিডে ফুটবলসংশ্লিষ্ট পোস্ট বেশি প্রদর্শন করবে। কিন্তু সবসময় যে এমনটা হয়, তা নয়। কারণ মেশিন লার্নিং প্রযুক্তির ট্র্যাকিং ভুল হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। ফেসবুক যে হারে মানুষের আচরণগত বৈশিষ্ট্য ট্র্যাক করছে, তাতে ভবিষ্যৎ বিপণন ও রাজনৈতিক প্রচারণা বিষয়ে উদ্বিগ্ন বিশ্লেষকেরা। যদিও ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এ ধরনের অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, মানুষ সোস্যাল মিডিয়ায় যে ধরনের তথ্য চায়, সে ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ফেসবুক। সহজ কথায় একটা নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে পড়ে যাচ্ছি আমরা।
সময়ের অপচয়
আচরণগত বিজ্ঞানবিষয়ক গবেষণা তথ্য অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে যত বেশি সময় ব্যয় করবেন, ঠিক ততটাই আপনি খারাপ অনুভব করবেন। ফেসবুককে অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ সময় অপচয়ের জন্য দায়ী করেন। ২০১৪ সালে অস্ট্রিয়ার ইন্সব্র“ক বিশ্ববিদ্যালয়ের আচরণগত বিজ্ঞানী ক্রিস্টিনা সাগিওগলুই এবং টবিয়াস গ্রিটেমেয়ার লিখিত একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়। যেখানে বলা হয়, শুধু ফেসবুকের জন্য ইন্টারনেট ব্রাউজিং করা অর্থহীন। এটা সময়ের অপচয়, যা স্বাভাবিক মানসিকতা নষ্ট করে। সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো, বহুল ব্যবহৃত স্মার্টফোন ডিভাইসের ব্যাটারি দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার জন্য ফেসবুকের অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস অ্যাপকে দায়ী করা হয়। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ নিজেও এটি স্বীকার করেছে। স্মার্টফোন থেকে ফেসবুক অ্যাপ মুছে দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাটারির স্থায়িত্ব ২০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়। অথচ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যতীত অন্য অ্যাপে এত বেশি চার্জ প্রয়োজন হয় না।

এটিএমে টাকার বদলে বের হচ্ছে সোনা!এটিএম থেকে টাকা নয়, বের হচ্ছে সোনা!! তাও আবার তালকে-তাল। বিশ্বাস হচ্ছে না তো!! না হওয়ার...
27/10/2016

এটিএমে টাকার বদলে বের হচ্ছে সোনা!
এটিএম থেকে টাকা নয়, বের হচ্ছে সোনা!! তাও আবার তালকে-তাল। বিশ্বাস হচ্ছে না তো!! না হওয়ারই মতো। যেখানে টাকা গায়েব হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটছে একের পর এক সেখানে এটিএম থেকে বের হচ্ছে টাকা!! হ্যাঁ, একদমই ঠিক ধরেছেন। সম্প্রতি ভারতের বেঙ্গালুরুর একটি এটিএম মেশিন থেকে টাকা নয়, বের হচ্ছে সোনা। আর এই সোনা পেতে এটিএমের সামনে এখন লম্বা লাইন।
দীপাবলী নামের হিন্দু ধর্মের এক উৎসব উপলক্ষ্যে এটিএম মেশিনটির মাধ্যমে পরীক্ষামূলকভাবে অভিনব উদ্যোগ শুরু করেছে অনলাইন গয়না কোম্পানি ব্লুস্টোন। এই মেশিন থেকে সোনা বের করাটা খুব সহজ। কত গ্রামে সোনা নিতে চান তা মেশিনে জানান দিলেই চলে আসবে। ওই মেশিনেই মিটিয়ে দেয়া যাবে সোনার দাম। কারণ, মেশিনেই চলে আসবে সোনার দাম। যদিও দাম মেটানোর জন্যে বিপল্প ব্যবস্থা রেখেছে কর্তৃপক্ষ। গ্রাহকরা নগদ বা ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে দাম মেটাতে পারেন।
বাজার দরে ১ গ্রাম থেকে ২০ গ্রামের সোনার কয়েন এটিএম থেকে পাওয়া যাচ্ছে। সেইসঙ্গে সোনাটা কতটা খাঁটি ও আসল, তার প্রমাণপত্রও মিলছে এটিএম মেশিন থেকেই। এখন পর্যন্ত গ্রাহকদের কাছ থেকে সে সাড়া মিলেছে তাতে খুশি ব্লুস্টোন কর্তৃপক্ষ।

বিছানায় মোবাইল ফোন রাখলে যে ঝুঁকি ঘুমের সময় বিছানায় মোবাইল ফোন রাখলে আগুন ধরা বা বিস্ফোরণের ঝুঁকি থাকে। একই সঙ্গে আরও মা...
24/10/2016

বিছানায় মোবাইল ফোন রাখলে যে ঝুঁকি
ঘুমের সময় বিছানায় মোবাইল ফোন রাখলে আগুন ধরা বা বিস্ফোরণের ঝুঁকি থাকে। একই সঙ্গে আরও মারাত্মক ঝুঁকির বিষয়ে সতর্ক করেছেন গবেষকেরা। তাঁরা বলছেন, স্মার্টফোন, ট্যাবলেটের মতো কোটি কোটি যন্ত্রের ব্যাটারি থেকে কয়েক ডজন মারাত্মক গ্যাস বের হয়।
‘ন্যানো এনার্জি’ সাময়িকীতে প্রকাশিত এই গবেষণাসংক্রান্ত নিবন্ধে এ তথ্য জানানো হয়।
চেক রিপাবলিক ও চীনের গবেষকেরা সম্প্রতি লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি থেকে বের হওয়া ১০০-র বেশি মারাত্মক গ্যাস শনাক্ত করেছেন। এসব গ্যাসের মধ্যে রয়েছে কার্বন মনোক্সাইডের মতো মারাত্মক গ্যাস। বিছানার পাশে মোবাইল ফোন রাখলে ত্বক, চোখ ও নাকের মধ্যে তীব্র চুলকানিসহ পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন গবেষকেরা।
ইনস্টিটিউট অব এনবিসি ডিফেন্স ও সিংহুয়া ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা বলেন, অধিকাংশ ফোন ব্যবহারকারী ফোনের অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়া, পুনঃ চার্জযোগ্য ডিভাইসে খারাপ চার্জার ব্যবহারের ক্ষতি সম্পর্কে জানেন না।
গবেষক জি সান বলেন, আজকাল লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি বিশ্বজুড়ে ব্যবহৃত হচ্ছে। লাখো পরিবারে এ ধরনের ব্যাটারিচালিত যন্ত্রের ব্যবহার দেখা যায়। তাই সাধারণ মানুষের এ ধরনের ব্যাটারির ঝুঁকি সম্পর্কে জানা উচিত।
ব্যাটারি বিস্ফোরণের ঝুঁকির কারণে অনেক প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা লাখ লাখ পণ্য ফেরত নিয়েছে। যেমন ২০০৬ সালে ডেল লাখো ল্যাপটপ ও ২০১৬ সালে নোট ৭ স্মার্টফোন ফেরত নিয়েছে স্যামসাং।
গবেষক সান বলেন, কোনো ছোট ও বদ্ধ পরিবেশে যদি কার্বন মনোক্সাইডের মতো ক্ষতিকর উপাদান বের হতে থাকে, তবে তা খুব কম সময়ের মধ্যে মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। বিশেষ করে গাড়ি ও বিমানের মতো জায়গায় বেশি ক্ষতি হতে পারে।
গবেষকেরা লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির নিরাপত্তা পদ্ধতি উন্নত করার পরিকল্পনা করছেন। এতে এ ধরনের ব্যাটারি ভবিষ্যতে বৈদ্যুতিক গাড়িতে শক্তির উৎস হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। তথ্যসূত্র: আইএএনএস।

সফটওয়্যারের মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করা যায়।স্বাস্থ্যবিষয়ক নানা অ্যাপ, ট্র্যাকার সফটওয়্যার ও আধুনিক অন...
22/10/2016




সফটওয়্যারের মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করা যায়।

স্বাস্থ্যবিষয়ক নানা অ্যাপ, ট্র্যাকার সফটওয়্যার ও আধুনিক অনেক প্রযুক্তি বের হওয়ার পরও রোগনির্ণয়ে চিকিৎসকেরাই এগিয়ে আছেন। সম্প্রতি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।
‘জেএএমএ ইন্টারনাল মেডিসিন’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে এই গবেষণা–সংক্রান্ত নিবন্ধ।
হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের করা এক গবেষণায় ২৩৪ জন চিকিৎসককে ৪৫ কেস স্টাডি পর্যবেক্ষণ করে রোগ নির্ণয় করতে বলা হয়। এ ক্ষেত্রে রোগের পরিচিত-অপরিচিত নানা উপসর্গ ও তীব্রতার বিভিন্ন মাত্রা তাদের জানানো হয়। প্রতিটি ক্ষেত্রে ২০ জন চিকিৎসক রোগ নির্ণয় করেন। এরপর বহুল ব্যবহৃত ২৩টি স্বাস্থ্যবিষয়ক অ্যাপ ব্যবহার করে ওই চিকিৎসকদের পাওয়া ফলের সঙ্গে তুলনা করা হয়।
গবেষণায় দেখা গেছে, রোগনির্ণয়ে অ্যাপ বা সফটওয়্যারের তুলনায় ওই চিকিৎসকেরাই ভালো করেছেন। চিকিৎসকদের ক্ষেত্রে নিখুঁত রোগনির্ণয়ের হার ৭২ শতাংশ আর অ্যাপের ক্ষেত্রে এ হার ৩৪ শতাংশ। সম্ভাব্য তিনটি রোগের মধ্যে নিখুঁতভাবে রোগনির্ণয়ের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের সফলতা ৮৪ শতাংশ আর অ্যাপের ৫১ শতাংশ।

ইন্টারনেট সার্ভিস সাময়িক বিঘ্নিত হতে পারেআগামীকাল ২১ অক্টোবর শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টা থেকে ২৭ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুর ২ট...
20/10/2016

ইন্টারনেট সার্ভিস সাময়িক বিঘ্নিত হতে পারে
আগামীকাল ২১ অক্টোবর শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টা থেকে ২৭ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা পর্যন্ত সাবমেরিন ক্যাবলের সিঙ্গাপুর প্রান্তের রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য ইন্টারনেট সার্ভিস সাময়িক বিঘ্নিত হতে পারে।
ওই সময়ে বিটিসিএলের গ্রাহকবৃন্দের ইন্টারনেট সার্ভিস বিকল্প ব্যবস্থায় চালু রাখার ব্যবস্থাদি গৃহীত হয়েছে।
বিটিসিএল’র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ একথা বলা হয়।
গ্রাহকবৃন্দের সাময়িক অসুবিধার জন্য বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
সূত্র : বাসস

বিজয় দিবসে যাত্রা শুরু ডট বাংলা ডোমেইনেরঢাকা: চলতি বছরের বিজয় দিবসে যাত্রা শুরু করছে বহুল প্রত্যাশার ডট বাংলা ডোমেইন। ডট...
19/10/2016

বিজয় দিবসে যাত্রা শুরু ডট বাংলা ডোমেইনের

ঢাকা: চলতি বছরের বিজয় দিবসে যাত্রা শুরু করছে বহুল প্রত্যাশার ডট বাংলা ডোমেইন। ডট বাংলা ডোমেইন বাংলা ভাষাকে বিশ্বের দরবারে আরেক ধাপ ওপরে নিয়ে যাবে প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।



মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ডট বাংলা ডোমেইন চালুর ঘোষণা তিনি।

তারানা হালিম বলেন, ডট বাংলা ডোমেইনের জন্য সার্ভার তৈরি আছে। অটোমোশনের কাজ চলছে। মূল্যের খসড়া তৈরি হয়েছে। জনবল তৈরির কাজ চলছে। পরিচালনায় নিয়োজিত বোর্ড অনুমোদনের পর ব্যবহারকারীদের চার্জ জানানো হবে।

তিনি আরও জানান, এর মাধ্যমে বাংলাভাষা শক্তিশালী হবে। বাংলা ভাষায় কনটেন্ট তৈরিকারীদের ব্যবসার সুযোগ তৈরি হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডট বাংলা ডোমেইন ব্যবহারের নীতিমালা তৈরির কাজ চলছে। প্রস্তাবনা অনুযায়ী বছরে চার্জ হবে ৫শ’ টাকা। ব্যক্তিগত সাইটের জন্য ১০ হাজার টাকা। প্রথম পর্যায়ে ২ বছরের জন্য সাবস্ক্রাইব করতে হবে।

বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারত সরকারের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ এবং সিয়েরা লিওনও ‘ডট বাংলা’র জন্য আবেদন করেছিল।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম আরও জানান, গত ৫ অক্টোবর ‘ইন্টারনেট কর্পোরেশন অব অ্যাসাইন্ড নেমস অ্যান্ড নাম্বার (আইসিএএনএন)’ বোর্ড সভায় বাংলাদেশকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।’

গত ১২ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিএএনএন চিঠি দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তারানা বলেন, ‘বাংলাভাষী মানুষ হিসেবে আমরা গর্ববোধ করি, কেননা আমরাই একমাত্র জাতি যারা মাতৃভাষার জন্য ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রক্ত দিয়েছি। বর্তমানে এটি ইউনেস্কো ঘোষিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। জাতির আবেগ ও অনুভূতি এই ভাষার সাথে জড়িত এবং সাইবার জগতেও এর মাধ্যমে ভাব প্রকাশ করতে চায়। এ ডোমেইন চালু করা আমার প্রতিশ্রুতি ছিল। এ বরাদ্দের ফলে ডিজিটাল জগতে বাংলা আরও এগিয়ে গেল।

Endangered Bengal TigerSundarbans, the world 's largest mangrove forests is the largest habitat of Bengal Tiger in Bangl...
16/10/2016

Endangered Bengal Tiger
Sundarbans, the world 's largest mangrove forests is the largest habitat of Bengal Tiger in Bangladesh where they are being increasingly endangered due to climate change and other impacts of natural calamities.
The International Union for the Conservation of Nature has listed the tiger as critically endangered. Poaching, encroachment on its habitat and the illegal wildlife trade are blamed for the declining number

পুলিশের কাছে ফিড থেকে তথ্য ফাঁস করে ফেসবুক, টুইটার ও ইন্সটাগ্রাম?বর্ণবাদের অভিযোগে বাল্টিমোর ও ফারগুসনে যে বিক্ষোভ সমাবে...
13/10/2016

পুলিশের কাছে ফিড থেকে তথ্য ফাঁস করে ফেসবুক, টুইটার ও ইন্সটাগ্রাম?

বর্ণবাদের অভিযোগে বাল্টিমোর ও ফারগুসনে যে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়, সেখানে নজরদারির প্রয়োজনে এক শক্তিশালী প্রোগ্রাম হাতে নেয় পুলিশ। আর এ প্রোগ্রামের অধীনে টুইটার, ফেসবুক এবং ইন্সটাগ্রাম ব্যবহারকারীদের স্পেশাল ফিড থেকে তথ্য নেওয়া হয়।

এই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠাগুলো অনেক সময়ই ব্যবহারকারীদের অবস্থান, ছবি ও অন্যান্য তথ্য দিয়ে সহায়তাক করে পুলিশকে। শিকাগোর জিওফিডিং নামের এক প্রতিষ্ঠান জানায়, তারা অপরাধীদের শনাক্তকরণে ৫০০টি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সোশাল মিডিয়া পোস্টের তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে সহায়তা করে।

জিওফিডিয়া এবং এ ধরনের অন্যান্য প্রোগ্রামের মাধ্যমে সোশাল মিডিয়াগুলো সরকারকে নানা কাজে সহায়তা করতে শক্তিশালী ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে অপরাধ ও অরাজকতা দমনে সোশাল মিডিয়া সরকারের বড় শক্তি হয়ে উঠেছে।

ক্যালিফোর্নিয়ার এসিএলইউ এর টেকনলজি এবং সিভিল লিবার্টিস পলিসি ডিরেক্টর নিকোল ওজের বলেন, এসব প্লাটফর্মের আরো বড় ভূমিকা রাখতে পারে। তারা মানুষের অধিকার রক্ষায় ও বর্ণবাদীদের বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে। এর জন্য ফেসবুক বা টুইটারকে বলতে হবে না যে তাদের ডেভেলপাররা কি করছেন। তবে এদের শক্তিশালী পাবলিক পলিসি প্রণয়নের প্রয়োজন হবে।

এসিএলইউ এর এই প্রতিবেদনের পর টুইটার জানায়, তাদের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তিত করে আমরা টুইটারে জিওফিডিয়ার বাণিজ্যিক প্রবেশ বন্ধ করে দিচ্ছি।

ফেসবুক বিবৃতিতে জানায়, জিওফিডিয়া আমাদের তথ্যে অবৈধ প্রবেশ করছে। তারা একমাত্র সেইসব তথ্য দেখতে পারে যা ব্যবহারকারীরা পাবলিক পোস্ট হিসাবে প্রকাশ করেন। এসব প্লাটফর্মের সবাই মন করেন, এখানকার সব পোস্ট তাদের চিন্তা ও মতামত প্রকাশ করে। তারা ছবি দেন বন্ধুদের জন্য। কিন্তু জিওফিডিয়ার মতো কিছু প্রতিষ্ঠান এসব তথ্য চুরি করে তাদেরই ক্লায়েন্টকে সেবা দিচ্ছে। সোশাল মিডিয়ার স্পেশালাইজড ডেটা স্ট্রিমে খুব সহজ ও দ্রুততার সঙ্গে প্রবেশ করা যায়।

ওকল্যান্ডের অ্যাক্টিভিস্ট গ্রুপ সেন্টার ফর মিডিয়া জাস্টিসের পরিচালক মালকিয়া সাইরিল জানান, সোশাল মিডিয়ায় পুলিমের নজরদারিতে কালো মানুষদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তাদের অধিকার রক্ষা করে কাজটি করতে হবে।

সোশাল মিডিয়া পোস্টে ব্যবহারকারীরা তাদের অবস্থান এবং অন্যান্য তথ্য দিয়ে থাকেন স্মার্টফোনের মাধ্যমে। এতে করে যারা নজরদারি করে তাদের পক্ষে সুবিধা হয়। এসিএলইউ এর এক কর্মী জানান, ফেসবুকের সঙ্গে তাদের এক গোপন চুক্তি রয়েছে যার মাধ্যমে তথ্য দেখার কাজটি বৈধতা পেয়েছি।

ফেসবুক, টুইটার এবং ইন্সটাগ্রামের আয়ের বড় উৎসটি হলো বিজ্ঞাপন। আবার সাইড ব্যবসা হিসাবে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কাছে তথ্যের বিশাল ভাণ্ডার প্রকাশ করেও অর্থ আয় করে তারা। এপিআই নামের সফটওয়্যারের মাধ্যমে ডেভেলপাররা ফেসবুকে কারো বন্ধুতালিকা, জন্ম তারিখ, প্রোফাইল ছবি, শিক্ষাগত ইতিহাস, রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস ইত্যাদি দেখতে সক্ষম হয়েছেন। টুইটারও তাদের কথিত ফায়ারহোস থেকে তথ্য বিক্রি করে।

এসিএলইউ জানায়, জিওফিডিয়াকে ফেসবুক তাদের তথ্যের বিশাল ভাণ্ডারে প্রবেশ করতে দেয়। চলতি ইভেন্ট বা বিষয় নিয়ে কি ঘটছে সে বিষয়ে নজরদারি করতে পারে। এর মাধ্যমে বিক্ষোভ, সন্ত্রাস বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে নজর দেয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো। টুইটার অবশ্য তার ফায়ারহোসে পুরোপুরি অধিকার দেয়নি। ইন্সটাগ্রাম ব্যবহারকারীদের ছবি কোন স্থান থেকে তোলা হয়েছে সেই তথ্য দেখতে দেয়।

এখন মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থাগুলো চায় সোশাল মিডিয়া তাদের কম্পানির পাবলিক পলিসির বিষয়ে আরো কঠোর হয়ে উঠুক। সরকার বা কোনো প্রতিষ্ঠান চাইলেই যে এসব তথ্য দেখতে না পারে।

এসিএলইউ আরো জানায়, শুধু ফেসবকু, টুইটার বা ইন্সটাগ্রামই নয়, জিওফিডিয়া ভাইন ও পেরিস্কোপেও দৃষ্টি দিয়েছে। রাশি বা চীনের জনপ্রিয় সোশাল প্লাটফর্মেও ঢুঁ মারে তারা। সূত্র : ওয়াশিংটন পোস্ট

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Techfors Limited posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Techfors Limited:

Share