ALY is back

ALY is back ALY= Aindrita Laugh With You. ❤️
আমার অফিসিয়াল ব্যাকআপ পেজ। সবাই ফলো করে রাখুন।

সিপিডি যেহেতু একটা মিথ্যাচার সম্পর্কে ক্ষমা চাইলো ভেম্পির কাছে, এবার তারা আওয়ামী লীগের ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার নিয়ে ওদে...
27/08/2026

সিপিডি যেহেতু একটা মিথ্যাচার সম্পর্কে ক্ষমা চাইলো ভেম্পির কাছে, এবার তারা আওয়ামী লীগের ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার নিয়ে ওদের অভিযোগের বিষয়ে কী বলবে?

প্রমাণ দেবে, নাকি কান ধরে উঠবস করে জাতির কাছে ক্ষমা চাইবে?

দেবপ্রিয় নামের এই খা.পো আপাদমস্তক ইউনূস দালাল, হিন্দু রাজাকার।

সে খুব ভালো করেই জানে, শেখ হাসিনা যখন ক্ষমতা নিয়েছিল তখন টোটাল দেশের জিডিপি ছিল এইমাত্র ৬৮ বিলিয়ন ডলার। সেই জিডিপিকে যে ৫০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করে দিয়ে গেছে, সেই সাথে যেদিকে তাকাবেন সবকিছুই শেখ হাসিনার উন্নয়ন।

এত কিছু করে যাওয়ার পরে এই মাদারচোদ বলেছে, ২৩৪ বিলিয়ন টাকা চুরি করেছে।

খা.পো আপাদমস্তক মিথ্যুক—সে সময় আমরা বলেছিলাম। এখন কিন্তু প্রমাণিত হয়ে গেছে যে খা.পো পুরোটাই মিথ্যুক।

অবশ্য এই বাইনচদ কে শেখ হাসিনা চ্যালেঞ্জ দিয়েছিল। তার নামে এক টাকা দুর্নীতি বের করে দিতে তারপরে এই খান কির পোলা আর কোন জবাব দেয়নি।

✍️_____বারখার ডাইরি (পৃষ্ঠা ৩৬৪৫)

প্রধানমন্ত্রীর খাবারের বাজেট ১০০ টাকার পরিবর্তে ৫,০০০ টাকা করা উচিত। তাহলে মস্তিষ্ক কিছুটা হলেও ভালো হবে।কারণ, এই ব্যক্ত...
24/08/2026

প্রধানমন্ত্রীর খাবারের বাজেট ১০০ টাকার পরিবর্তে ৫,০০০ টাকা করা উচিত। তাহলে মস্তিষ্ক কিছুটা হলেও ভালো হবে।

কারণ, এই ব্যক্তি মুখ খুললেই শুধু বলছেন—বিদ্যুতের পুরো সমস্যা নাকি শেখ হাসিনা তৈরি করে দিয়ে গেছেন। তাদের আমলে, মানে তাদের আগের আমলে, নাকি বিদ্যুতের কোনো সমস্যাই ছিল না! গতকালের বক্তব্যেও এমনটাই শুনলাম।

আবার এটাও বলছেন, খালেদা জিয়ার যোগ্য নেতৃত্বে সেই সময় জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের বিস্তর উন্নয়ন করা হয়েছিল। সেই সবকিছু নাকি শেখ হাসিনা নষ্ট করে দিয়েছেন।

উনি একের পর এক এ ধরনের বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু অবাক করার বিষয় হচ্ছে, কমেন্ট বক্সে কেউই তাঁর কথা বিশ্বাস করছে না। সবাই বলছে—

“মানুষকে মূর্খ ভাবা বন্ধ কর, খাম্বা।”

✍️______বারখার ডায়েরি (পৃষ্ঠা ৩৬৪০)

আজকে বিএনপির ২০২৪ সালের আগের পোস্টগুলো দেখছিলাম। অধিকাংশ জায়গাতেই দেখলাম—গ্যাস আর বিদ্যুৎ নিয়ে একের পর এক পোস্ট। তাদের প...
23/08/2026

আজকে বিএনপির ২০২৪ সালের আগের পোস্টগুলো দেখছিলাম। অধিকাংশ জায়গাতেই দেখলাম—গ্যাস আর বিদ্যুৎ নিয়ে একের পর এক পোস্ট। তাদের পোস্ট দেখে মনে হচ্ছিল, প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠেই নাকি বাসায় কারেন্ট থাকত না! হারিকেন নিয়েও অসংখ্য পোস্ট দেখলাম।

আচ্ছা, আপনারা একটা বিষয় লক্ষ্য করেছেন?

তারা যখন এসব নিয়ে আন্দোলন করেছে, তখন কারও বাসায় কিন্তু বিদ্যুৎ যায়নি। অথচ এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি করে আন্দোলন, প্রতিবাদ আর ফেসবুক পোস্ট করেছে—যেন দেশে বিদ্যুৎ বলতেই কিছু নেই!

তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে—এরা কি সত্যিই আপাদমস্তক মূর্খ ছিল? নাকি পুরোটাই ছিল হাওয়ার ওপর রাজনীতি?

অথচ এখন ঢাকা শহরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কারেন্ট থাকে না। কালকে দেখলাম, বিমানবন্দর পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ—সাত ঘণ্টা করে কারেন্ট নেই।

কিন্তু এই বক্সোদগুলা এখন আর পোস্ট করে না কেন?

তারা যখন পোস্ট করেছে, তখন কোথায় কারেন্ট গেছে—মানুষ খুঁজেও পায়নি। অথচ হাওয়ার ওপর দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করেছে, আন্দোলন করেছে, দিনের পর দিন পোস্ট করেছে!

একবার ভাবেন—কতটা আপাদমস্তক মূর্খ হলে হাওয়ার ওপর দাঁড়িয়ে এভাবে প্রতিবাদ করা যায়!

✍️_____বারখার ডায়েরি (পৃষ্ঠা ৩৬৩৭)

“সকল লাশ তুলে তাদের ফরেন্সিক পরীক্ষা করাবো। তাদের দাবিকৃত ১৪০০ নিহতের বাড়ি বাড়ি গিয়ে দেখব।তাদের শরীরে বুলেট ৬.৭২ আছে,...
21/08/2026

“সকল লাশ তুলে তাদের ফরেন্সিক পরীক্ষা করাবো। তাদের দাবিকৃত ১৪০০ নিহতের বাড়ি বাড়ি গিয়ে দেখব।

তাদের শরীরে বুলেট ৬.৭২ আছে, সেই বুলেট কার নামে ইস্যু করা হয়েছিল, কে কখন চালিয়েছিল—সকল তদন্ত করব। এবং এই বন্ধুক কারা আমদানি করেছিল, সবকিছু বের করব।

আর এই কাজে জাতিসংঘের যে সদস্যরা রিপোর্ট বানিয়েছে, তাদের কান চেপে ধরে নিয়ে এসে সবার বাড়ি বাড়ি নিয়ে যাব।

তাদেরকে এটাও দেখাবো—ওই একই সময়ে আওয়ামী লীগের কতজনকে তারা হত্যা করেছে।”

—শেখ হাসিনা

বয়কটের রাজনীতি, সুবিধার আমদানি!বয়কট ইন্ডিয়া—কিন্তু কাঁচামরিচ চাই।বয়কট ইন্ডিয়া—কিন্তু বিদ্যুৎ চাই।বয়কট ইন্ডিয়া—কিন...
20/08/2026

বয়কটের রাজনীতি, সুবিধার আমদানি!

বয়কট ইন্ডিয়া—কিন্তু কাঁচামরিচ চাই।
বয়কট ইন্ডিয়া—কিন্তু বিদ্যুৎ চাই।
বয়কট ইন্ডিয়া—কিন্তু ডিজেল চাই।
বয়কট ইন্ডিয়া—কিন্তু ভিসা চাই।
বয়কট ইন্ডিয়া—কিন্তু বউয়ের জামাকাপড়ও চাই!
বয়কট ইন্ডিয়া—চিকিৎসা চাই।

ভাই, বয়কট যদি করতেই হয়, তাহলে সম্পূর্ণ বয়কট করুন—সুবিধামতো বয়কট আর প্রয়োজনমতো আমদানি একসঙ্গে চলে না!

ভারতবিরোধী স্লোগান মুখে, আর প্রয়োজনের সময় ভারতের দরজায় কড়া—এই দ্বিচারিতা সত্যিই হাস্যকর।

✍️_____বারখার ডায়েরি (পৃষ্ঠা ৩৬৩১)

শুভ সকাল।

১০টা পুরোনো বাসে শুধু পিংক রঙ দিয়েই যত প্রচার করল, ঢাকঢোল পিটিয়ে!শেখ হাসিনা মুজিববর্ষে ১,৮৪৬টি বাস দিয়েও এত প্রচার করেনন...
19/08/2026

১০টা পুরোনো বাসে শুধু পিংক রঙ দিয়েই যত প্রচার করল, ঢাকঢোল পিটিয়ে!
শেখ হাসিনা মুজিববর্ষে ১,৮৪৬টি বাস দিয়েও এত প্রচার করেননি! 😂

ভাবুন একবার—যদি দুই হাজার বাস বিএনপি রাস্তায় নামায়, তাহলে এটা দিয়েই ২০ বছর প্রচারণা করতে পারত। 😁

এখন প্রশ্ন করবেন, শেখ হাসিনা কেন এগুলা নিয়ে প্রচারণা করে নাই?

আরে ভাই, প্রচারণা করবে কী করে? তখন তো প্রতিদিন কোনো না কোনো জায়গায় বড় বড় মহাপ্রকল্প উদ্বোধন হচ্ছিল। এর মধ্যে এটা খুব সামান্য একটা বিষয়; এটা নিয়ে আলাদা করে প্রচারণা করার মতো কিছুই ছিল না।

আর এ ধরনের কাজ হচ্ছে পপুলিস্ট কাজ। যখন কোনো সরকার দেশের জন্য তেমন কিছু করতে পারে না, তখন এ ধরনের পপুলিস্ট অনেক কাজ করে কিছুদিনের জন্য মানুষকে বোকা বানানোর চেষ্টা করে।

এই বাসগুলার অবস্থাও এটাই হবে। দুইদিন পরে এগুলা পড়ে থাকবে, অথবা মুড়ির টিন হিসেবে পরে বিএনপির লোকজন এটা বিক্রি করে দিবে।

চাকরিজীবী মেয়েরা অফিসে যাওয়ার আশায় নির্দিষ্ট বাসের জন্য অপেক্ষা করবে—এটা ভাবল কী করে?

আর চালু করেছে দোতলা বাস! এই বাস পুরো ভরবে, তারপরে ছেড়ে যাবে। তা না হলে লস হবে, তেল খরচ ড্রাইভার খরচ মেইনটেনেন্সকষ্ট উঠবে না—মনে করেন, দশটা যাত্রী নিয়ে তো আর যাওয়া যাবে না। এটা ডাবল ডেকার বাস; পুরো ভরবে, তারপরে যাবে।

অফিসে যাওয়ার জন্য কেউ এই বাসের জন্য অপেক্ষা করবে না, অফিস থেকে ফেরার পথেও অপেক্ষা করবে না। সামনে যে বাস পাবে, সেটাতেই উঠে পড়বে।

তখন এই বাসগুলো যাত্রী সংকটে যেতে পারবে না। আবার যদি যাওয়া-আসা করে, অল্প যাত্রী নিয়ে চালালে লসের মুখে পড়বে।

দেখলাম কিছু মেয়ে এটার প্রশংসা করতেছে। কিন্তু যারা প্রশংসা করতেছে, আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি—এদের ভিতর ৯০% এই বাসে যাওয়া-আসাই করবে না।

কিন্তু প্রশংসা কেন করতেছে?

কারণ ওই যে বললাম, কিছু পপুলিস্ট কাজ আছে—যেগুলা করলে সাময়িকভাবে মনে হয়, “ও, আচ্ছা! এটা তো অনেক ভালো কাজ হয়েছে!” কিন্তু পরবর্তীতে এটার কোনো কার্যক্ষমতা থাকে না।

সব থেকে বড় কথা হচ্ছে, নিরাপত্তার বুলি আউড়িয়ে নারীদেরকে পুরো আইসোলেট করে ফেলা হচ্ছে।

কিছুদিন পরে পুরুষ বাসে যখন উঠবে, নারীদেরকে এমনভাবে বলবে—“আপনাদের জন্য আলাদা বাস রেখেছে, আপনারা পুরুষের বাসে আসছেন কেন?”

এভাবে আরও বুলিং করা হবে।

সাধারণ বাসে নারীরা যখন উঠতে চাইবে, উঠতেই দিবে না। উঠলেও প্রত্যেকটা নারীকে এই কথাগুলো শুনতেই হবে—“আপনাদের জন্য আলাদা বাস রাখছে, আপনারা সাধারণ বাসে কেন আসছেন? আপনাদের জন্য ডেডিকেটেড বাস আছে, কেন এটাতে আসছেন?”

সামান্য বিষয় নিয়ে ঝগড়াঝাঁটি হবে।

আর এই পুরো কাজটা জামাতের প্রেসক্রিপশনে হয়েছে—এটা বুঝাই যায়। নিরাপত্তার কথা বলে নারীদেরকে চার দেয়ালে বন্দী করাই যাদের কাজ।

এমনভাবে চলতে থাকলে কিছুদিন পরে বলবে—নারীদের জন্য আলাদা হাসপাতাল চাই, আলাদা রাস্তা চাই, আলাদা ইউনিভার্সিটি চাই, আলাদা কলেজ চাই, আলাদা কর্মজগৎ চাই। এমনকি সংসদ ভবনে নারীদের জন্য আলাদা কক্ষ করলেও এবং তাদের জন্য আলাদা স্পিকার নিয়োগ করলেও অবাক হওয়ার কিছু নাই।

তারপর ধীরে ধীরে নারীদেরকে আইসোলেট করে ফেলা হবে।

যেহেতু এখন এমন একটা পজিশনে আছে যে নারীদেরকে সরাসরি ঘরে বন্দী করা যাবে না, কিন্তু পোর্টেবল ঘর তৈরি করা যাবে—যেখানে শুধু নারী থাকবে।

এটা হচ্ছে আধুনিক ঘরবন্দী করার ফর্মুলা।

তবে আমার অনুমান বলতেছে, এই বাসগুলোর ভবিষ্যৎ ভালো না। এগুলা সর্বোচ্চ ৬ মাস মতো চলবে, তারপর যাত্রী সংকটে বন্ধ হয়ে যাবে।

কারণ এর আগেও এমন চালু হয়েছিল। আমরা তখনও প্রতিবাদ করেছিলাম—এভাবে নারী-পুরুষকে আইসোলেট করলে এটার ফল ভালো হবে না। এবং ওটা ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে গেছে।

কেউ বলতে পারবেন, ওটা বন্ধ হওয়ার কারণ কী?

কেউ বন্ধ করতে চায় নাই; বন্ধ হয়েছে যাত্রী সংকটে।

কারণ নারী বলে কি সারাদিন পরিশ্রম করা একজন নারী রাস্তায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকবে নির্দিষ্ট বাস কখন আসবে তার জন্য? এটা অবাক বিষয়!

নারীরা এখন যেখানে উবার-পাঠাও চালায়, নিজে বাইকে চলে যেতে পারে, সেখানে নারীদেরকে পোর্টেবল একটা বস্তাবন্দী জীবন উপহার দিচ্ছে। এটা বেশিদিন টিকে না।

ব্যর্থ শাসকের এমন কিছু অস্ত্র থাকে—এগুলো দুইদিন পরপর বাজারে ছেড়ে দিয়ে কিছুদিন সেটা নিয়ে মানুষ আলোচনা করে, মানুষকে ভুলিয়ে রাখার চেষ্টা করে। বেশিরভাগ কি কাজ হয় তাদেরকে মানে ধর্মীয় একটা গোষ্ঠীকে খুশি রাখার জন্য।

যখন কোনো কাজ করতে পারে না, যখন নারীদেরকে নিরাপত্তা দিতে পারে না, তখন এ ধরনের কাজ করে।

যে এই ধরনের বুদ্ধি দিয়েছে, সে আপাদমস্তক আবাল-মূর্খ। নিরাপত্তা দেওয়ার হেডাম নাই, তারাই এ ধরনের ফর্মুলা বের করেছে।

শুধু নিরাপত্তা না, পুরুষদের মনোভাবের পরিবর্তন জরুরি।

নারীদের জন্য আলাদা বাস, পুরুষের জন্য আলাদা বাস—এগুলাতে মনোভাব আরও বেশি তিক্ত হবে। ইন্টার‍্যাকশন না থাকলে শত্রুতা আরও বেড়ে যায়, এক ধরনের তীক্ষ্ণ মনোভাব তৈরি হয়।

নারী-পুরুষ এমন ভাগাভাগি করার আগে ভাবতে হবে—আমরা সবাই মানুষ।

একটা পুরুষ মানুষ যেটা করতে পারে, নারীদেরকেও সুযোগ দিলে সেটা করতে পারবে—আরও নিখুঁতভাবে করতে পারবে।

কিন্তু আমাদের পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীদেরকে আগে থেকেই বলা হয়—“এটা নারীরা পারবে না।”

বেগম রোকেয়ার এই বিষয়ে একটা কথা আছে—নারীদেরকে এমনভাবে দীর্ঘদিন ধরে বুঝানো হয়েছে যে, নারীদের মন-মস্তিষ্ক নিজে থেকেই মেনে নিয়েছে, “হ্যাঁ, আমরা এটা পারব না।” তারপর তারা চেষ্টাই করে না।

এজন্য এই পপুলিস্ট কাজে কিছু নারী খুশি হয়েছে। তবে সব নারী খুশি হয়েছে—এমনটা না।

কারণ যে নারী ব্যবসা সামলাতে পারে, বড় অফিসের কাজ করতে পারে, যার নিজের আইডেন্টিটি আছে—তার সাথে কেউ হেনস্থা করে চলে যাবে, এমন ক্ষমতা কারও নাই। সে ঠাটিয়ে চড় মারার ক্ষমতা রাখে, প্রতিবাদ করার ক্ষমতা রাখে।

দুর্বল নারী, অশিক্ষিত নারী, যারা সামাজিকভাবে দুর্বলভাবে গড়ে উঠেছে—তারাই বেশি হেনস্থার শিকার হয়, যার নিজের আইডেন্টিটি এখনো সে তৈরি করতে পারে নাই। যেসব নারীর কোন নিজস্ব আইডি এন্টিটি নাই যে অন্যের আইডেন্টিটি সমাজে সামনে রেখে নিজেকে পরিচিতি দেয় তারা সব জায়গাতেই হেনস্থার শিকার হয় শুধু বাসে না তারা বাসাতেও হেনস্থার শিকার হয়।

মনে করেন, লোকাল একটা বাসে বা সাধারণ একটা বাসে কোনো নায়িকা, কোনো ভালো নারী ব্যবসায়ী, সেলিব্রেটি অথবা ইনফ্লুয়েন্সার উঠল এবং তার গন্তব্যে গেল—আপনি কি বলতে পারবেন সেই নারী হেনস্থার শিকার হবে?

জীবনেও হবে না।

কারণ তার যে পার্সোনালিটি, তার কাছে ওই হেনস্তাকারী টুকাই পৌঁছাতেই পারবে না।

সুতরাং নারীকে আগে নিজের আইডেন্টিটি তৈরি করতে হবে। তাকে নিজেকেই শক্তভাবে তৈরি করতে হবে, যাতে অন্য কেউ হেনস্তা করতে আসলে অথবা মারতে আসলে সে নিজেই পাঁচবার ভাবে।

কিন্তু নারীরা যদি বলে—“আমাদেরকে এটা দাও, ওটা দাও, আমরা এটা করব”—সেই নারীরা খুশি হয়। কিন্তু এই নারীদের কারণে ভবিষ্যতে যে নারীরা নিজেদের নিজস্বতা তৈরি করতে চায়, তাদের পথে বাধা তৈরি হয়।

এটাও একটা ইনভেস্ট—যারা ধর্মীয় একটা রক্ষণশীলতা চায়, তাদের। তাদের পক্ষ থেকে অনেক নারীকে নিয়োগ দেওয়া হয় এ ধরনের বয়ান করার জন্য।

দেখা যাক কী হয়।

যাইহোক, শুভ সকাল। 🌞

✍️_____বারখার ডায়েরি (পৃষ্ঠা ৩৬৩১)

 #শালী বাস ড্রাইভার আর  #দুলাভাই ট্রাক ড্রাইভার! শালা শুমুন্দি গুলো ট্যাম্পু স্ট্যান্ডের চাঁদাবাজ। 🥱
18/08/2026

#শালী বাস ড্রাইভার
আর #দুলাভাই ট্রাক ড্রাইভার!
শালা শুমুন্দি গুলো ট্যাম্পু স্ট্যান্ডের চাঁদাবাজ। 🥱

রাশিয়া বাজারদরের চেয়ে ৫৫% কম দামে বাংলাদেশকে গ্যাস দিতে রাজি—অথচ বাংলাদেশ সেই গ্যাস কিনতে পারছে না। কেন?কারণ, আমেরিকার...
18/08/2026

রাশিয়া বাজারদরের চেয়ে ৫৫% কম দামে বাংলাদেশকে গ্যাস দিতে রাজি—অথচ বাংলাদেশ সেই গ্যাস কিনতে পারছে না। কেন?

কারণ, আমেরিকার সঙ্গে এমন এক গোলামির চুক্তি করা হয়েছে, যার ফলে রাশিয়ার কাছ থেকে কম দামে গ্যাস কেনার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশকে আমেরিকার কাছ থেকেই বাজারদরের চেয়ে ৭০% বেশি দামে গ্যাস কিনতে হবে।

অথচ আমেরিকার সঙ্গে এই বাণিজ্য চুক্তিতে যারা স্বাক্ষর করেনি, তারা ঠিকই রাশিয়ার কাছ থেকে কম দামে জ্বালানি কিনছে।

এবার বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে বিষয়টা মিলিয়ে দেখুন—

দেশে কৃত্রিম গ্যাস ও জ্বালানি সংকট দেখানো হচ্ছে। আর সেই সংকটকে সামনে রেখেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১১৭টি এলএনজি কার্গো কেনা, ভাসমান এলএনজি স্টেশন এবং আরও আমেরিকান কোম্পানির সঙ্গে নতুন নতুন চুক্তি একের পর এক বাস্তবায়ন করেই যাচ্ছে।

আমার প্রশ্ন—এগুলো কি সত্যিই সংকট মোকাবিলার ব্যবস্থা, নাকি আগে সংকটের আবহ তৈরি করে পরে ব্যয়বহুল বিদেশি চুক্তিগুলোকে মানুষের কাছে যৌক্তিক দেখানোর কারসাজি?

দেশে গ্যাস ও জ্বালানির প্রকৃত সংকট নেই—এই সংকটের বড় অংশই কৃত্রিমভাবে তৈরি করা নাটক। এরপর গ্যাসের দাম বাড়ানো হবে, আর জনগণকে বোঝানো হবে—দাম বাড়ানো ছাড়া সরকারের আর কোনো উপায় ছিল না।

অথচ মূল প্রশ্নটা থেকে যাবে—রাশিয়া যদি ৫৫% কম দামে দিতে রাজি থাকে, তাহলে বাংলাদেশ কেন ৭০% বেশি দাম দিয়ে আমেরিকার কাছ থেকে কিনতে বাধ্য হবে? আর শেষ পর্যন্ত এই অতিরিক্ত দামের বোঝা বহন করবে কে? অবশ্যই দেশের সাধারণ জনগণ।

আহারে আজকে আনু মুহাম্মদ আর জুনায়েদ সাকি বেঁচে থাকলে প্রতিদিন টিভিতে তাদের বড় বড় গলায় আওয়াজ শুনতাম। এই দুই কুলাঙ্গার সারাজীবন আমেরিকার বিরোধিতা করে এখন আমেরিকার পাচাটা কুত্বা হয়ে গেছে।

✍️_____বারখার ডায়েরী (পৃষ্ঠা ৩৬৩০)

আইনমন্ত্রী বলেছেন, দেশের মানুষ দুই বেলা খেতে পারে না। তাদের দুঃখ-কষ্ট অনুভব করার লাইগ্গা আমাগো প্রধানমন্ত্রীর দুপুরের লা...
17/08/2026

আইনমন্ত্রী বলেছেন, দেশের মানুষ দুই বেলা খেতে পারে না। তাদের দুঃখ-কষ্ট অনুভব করার লাইগ্গা আমাগো প্রধানমন্ত্রীর দুপুরের লাঞ্চের খরচ কমিয়ে নাকি মাত্র ১০০ টাকা করেছে।

এক কাপ চা ১৫ টাকা, সল্টেচ বিস্কুট এক প্যাকেট ১৫ টাকা, পানি ২০ টাকা, ১০ টাকার ভাত, ২০ টাকার ডাল আর ২০ টাকার ভর্তা—সব মিলিয়ে ১০০ টাকা।

পৃথিবীর ইতিহাসে আপনারা এমন প্রধানমন্ত্রী কখনো দেখেছেন, যিনি গরিব-দুঃখী মানুষের কষ্ট অনুভব করার জন্য নিজেকেও এভাবে কষ্ট দেন? 🤣

কিন্তু আমার কথা হলো—প্রধানমন্ত্রীর দুপুরের লাঞ্চ ১০০ টাকা কেন, ১,০০০ টাকা, ১০,০০০ টাকা কিংবা ১ লাখ টাকার হলেও তা নিয়ে জনগণের মাথাব্যথা নেই। এমনকি প্রধানমন্ত্রী যদি ভালো খাদক হন এবং প্রতি বেলায় ৫০ হাজার টাকার ফাইভ-স্টার খাবারও খান, তা নিয়েও জনগণের কোনো সমস্যা থাকার কথা নয়।

জনগণের সমস্যা প্রধানমন্ত্রীর প্লেটে কী আছে, সেটা নয়; সমস্যা হলো জনগণের নিজের প্লেটে কী আছে।

জনগণ কেন ১০০ টাকার খাবারের মধ্যে আটকে থাকবে? কেন তারা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী যথেষ্ট প্রোটিন, শর্করা, ফাইবারসহ পুষ্টিকর খাবার খেতে পারবে না? আগে যদি পরিস্থিতি এমন না হয়ে থাকে, তাহলে এখন কেন এমন হয়েছে—সেই সমস্যার সমাধান করুন।

প্রধানমন্ত্রী ১০০ টাকায় দুপুরের খাবার খান—এটা বলে মানুষের জীবনযাত্রার সমস্যার সমাধান হবে না। এসব পপুলিস্ট কথা বলে কোনো লাভ নেই। বরং এসব কথা শুনে মানুষ হাসাহাসি করে। বিশ্বাস না হলে আপনাদের নিজেদের নিউজের কমেন্টগুলো একবার পড়ে দেখুন। পড়লে হয়তো লজ্জায় দ্বিতীয়বার একই কথা বলার আগে চিন্তা করবেন।

পপুলিস্ট কথা একদিন-দুইদিন শুনতে ভালো লাগতে পারে। কিন্তু প্রতিদিন নিয়ম করে হাতে মাইক নিয়ে সারাদিন পপুলিস্ট কথা বলতে থাকলে একসময় মানুষ আর কথাগুলোকে গুরুত্ব দেয় না—বক্তাকেই জোকার ভাবতে শুরু করে।

সব থেকে বড় কথা হচ্ছে—মানুষকে মূর্খ ভাবা বন্ধ করে দিন।

প্রধানমন্ত্রীর খাবার রান্না করার জন্য ৯ জন বাবুর্চি আছে, যাদের বেতন লাখ টাকার উপরে। এই খাবার টেস্ট করার জন্য ২ জন ব্যক্তি আছে, তাদের বেতন দুই লাখ টাকার উপরে। বাজার করার জন্য ৫ জন মানুষ আছে, যাদের বেতন লাখ টাকার কাছাকাছি। খাবার সার্ভ করার জন্য ১০–১২ জন থাকে, যাদের বেতন দেড় লাখ টাকার উপরে। খাবার খাওয়ার পরে হাত ধুইয়ে দেওয়া, প্লেট পরিষ্কার করার জন্যও আরও লোকজন আছে—তাদেরও বেতন আছে।

এগুলা তো সেই খাবারের খরচের মধ্যেই পড়ে। তাদের বেতনের টাকা কি হিসাবে ধরবেন না?

সেই টাকা কি প্রধানমন্ত্রী নিজের পকেট থেকে দেবেন, নাকি আমাদের রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে যাবে? নাকি এই টাকা আইনমন্ত্রী খরচ করে নিজের পকেট থেকে।

সুতরাং শুধু ১০ টাকার ভাত, ২০ টাকার ডাল আর ২০ টাকার ভর্তার হিসাব দেখিয়ে হুদাই মানুষকে মূর্খ বানান কেন?

মানুষ প্রধানমন্ত্রীর ১০০ টাকার লাঞ্চ দেখতে চায় না; মানুষ চায় নিজের আয়ে যেন পরিবারের জন্য পুষ্টিকর খাবার কিনতে পারে।

মানুষের ভাগ্য বদলান, প্রধানমন্ত্রীর লাঞ্চের মেনু শুনিয়ে লাভ নেই।

ধন্যবাদ।

✍️______বারখার ডায়েরি (পৃষ্ঠা ৩৬২৯)

কমেন্টে ১০০ টাকার প্রধানমন্ত্রীর খাবার নিউজ 👇👇

লোডশেডিংয়ের আসল রহস্য!😂কয়েকদিন আগে দেশবাসী এমন বাংলা গালি দিছিলো যে, বিদ্যুৎ বিভাগও ২/৩ দিন মোটামুটি ভালো সাপ্লাই দিয়ে চ...
17/08/2026

লোডশেডিংয়ের আসল রহস্য!😂

কয়েকদিন আগে দেশবাসী এমন বাংলা গালি দিছিলো যে, বিদ্যুৎ বিভাগও ২/৩ দিন মোটামুটি ভালো সাপ্লাই দিয়ে চুপচাপ ছিল!😌

কিন্তু মানুষ গালি দেওয়া বন্ধ করতেই আবার শুরু—
“এই নেন বিদ্যুৎ, এই নেন লোডশেডিং!”🤦‍♂️😂

এখন মনে হচ্ছে, বিদ্যুৎ পেতে হলে নিয়মিত গালি দেওয়াটাও জাতীয় দায়িত্বের মধ্যে পড়ে! 🤣

দেশবাসী, গালি বন্ধ করবেন না--
বিদ্যুৎ পাওয়ার স্বার্থে হলেও গালি চালিয়ে যান!😄

Address

Iqbal Road, Mohammadpur
Dhaka
1205

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ALY is back posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share