Joygraphy

Joygraphy Photography is my addiction

তোমার প্রতি কোনো অভিযোগ নেই। অভিযোগ করার জন্য মানুষকে অন্তত সত্যবাদী হতে হয়। আর অভিমানও নেই, কারণ অভিমান নিজের মানুষের ও...
05/06/2026

তোমার প্রতি কোনো অভিযোগ নেই। অভিযোগ করার জন্য মানুষকে অন্তত সত্যবাদী হতে হয়। আর অভিমানও নেই, কারণ অভিমান নিজের মানুষের ওপর করা যায়, অভিনয়শিল্পীর ওপর নয়।

শুধু একটা প্রশ্ন আজও রয়ে গেছে— আমার সঙ্গে এত বড় নাটকটা করার প্রয়োজন কী ছিল? চলে যেতে চাইলে চলে যেতে পারতে। কিন্তু মনে হয় তোমার কাছে সম্পর্কের চেয়ে চরিত্রে অভিনয় করাটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

সত্যি বলতে কী, তোমার কাছ থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি। বিশেষ করে একজন মানুষ কীভাবে একসঙ্গে কয়েকটা গল্প চালিয়ে যেতে পারে, কীভাবে প্রতিশ্রুতিকে বিনোদনের উপকরণ বানাতে পারে, আর কীভাবে নির্লজ্জভাবে মিথ্যাকে সত্যের পোশাক পরাতে পারে— এসব শিক্ষা তোমার কাছ থেকেই পাওয়া।

একসময় ইচ্ছে হয়েছিল তোমার বিয়ের পর তোমার নতুন পরিবারের কাছে গিয়ে তোমার আসল পরিচয়টা তুলে ধরব। কিন্তু পরে ভাবলাম, যে বই সবাই পড়তে চায় না, তার রিভিউ লিখে লাভ কী?

তারপর যখন শুনলাম তোমার ছোট মামাতো বোনেরও বিয়ে হয়ে গেছে, অথচ তোমার বিয়ে নিয়ে আত্মীয়স্বজনের বিশেষ কোনো আগ্রহ নেই, তখন বুঝলাম মানুষ সব খবর না জানলেও কিছু বিষয় ঠিকই বুঝে ফেলে।

আজ আর কোনো প্রতিশোধের ইচ্ছা নেই। কারণ প্রতিশোধ সাধারণত সমান প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নেওয়া হয়। জীবন তোমার জন্য যা জমা রেখেছে, তার সঙ্গে আমার সামান্য প্রতিশোধের তুলনা হয় না।

শুধু আল্লাহর কাছে একটা দোয়া করি— তোমার জীবনে এমন একজন মানুষ আসুক, যে তোমার মতোই মিষ্টি কথা বলবে, তোমার মতোই প্রতিশ্রুতি দেবে, তোমার মতোই গল্প সাজাবে, আর প্রয়োজন শেষ হলে তোমার মতোই চলে যাবে। তখন হয়তো তুমি বুঝবে, বিশ্বাস ভাঙার শব্দ কানে শোনা যায় না, কিন্তু তার প্রতিধ্বনি অনেক দূর পর্যন্ত যায়।

আর হ্যাঁ, যদি কোনোদিন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে খুব ভালো মানুষ মনে হয়, তাহলে আয়নাটার দোষ দিও না। আয়না শুধু চেহারা দেখায়, চরিত্র নয়।

আমার একটা স্বপ্ন আছে। খুব অদ্ভুত একটা স্বপ্ন। যে স্বপ্নে শহর নেই, মানুষের ভিড় নেই, প্রতিযোগিতা নেই, কারো কাছে নিজেকে প্র...
12/05/2026

আমার একটা স্বপ্ন আছে। খুব অদ্ভুত একটা স্বপ্ন। যে স্বপ্নে শহর নেই, মানুষের ভিড় নেই, প্রতিযোগিতা নেই, কারো কাছে নিজেকে প্রমাণ করার তাড়নাও নেই। আমি একদিন সবকিছু ছেড়ে এমন একটা অরণ্যে চলে যেতে চাই, যেখানে পৌঁছাতে গেলেও মানুষ ভয় পায়। পাহাড়ের গা ঘেঁষে থাকা ঘন সবুজ বন, মাথার উপর মেঘ, ভোরে কুয়াশা আর রাতে শুধু ঝিঁঝিঁ পোকার শব্দ— এমন একটা জায়গা আমার বহুদিনের কল্পনায় বাসা বেঁধে আছে।

আমি সেখানে একা থাকতে চাই। পুরোপুরি একা। আমার ছোট্ট একটা কাঠের ঘর থাকবে পাহাড়ের ঢালে। ঘরের ছাদে টিন নয়, কাঠ আর শ্যাওলা জমবে। বর্ষার রাতে বৃষ্টির শব্দ সরাসরি ঘরের ভেতর শোনা যাবে। ঘরের সামনে ছোট্ট একটা খোলা জায়গা থাকবে, যেখানে সকালে কুয়াশা নেমে আসবে। হয়তো একটা কাঠের চেয়ার থাকবে, সেখানে বসে চা খেতে খেতে আমি সূর্য উঠা দেখবো।

সেখানে কোন মোবাইল নেটওয়ার্ক থাকবে না। কেউ ফোন দিবে না। কেউ জিজ্ঞেস করবে না — “কি করছো?”, “কোথায় আছো?”, “জীবনে কি করলে?”

মানুষের এই অবিরাম প্রশ্ন থেকে আমি পালাতে চাই। কারণ কখনও কখনও মনে হয়, পৃথিবীতে মানুষ বাঁচার চেয়ে অন্যকে বোঝাতেই বেশি ক্লান্ত হয়ে যায়।

আমি এমন একটা জীবনের স্বপ্ন দেখি যেখানে সময়ের কোন তাড়া থাকবে না। সকালে ঘুম ভাঙবে পাখির শব্দে, অ্যালার্মে না। দুপুরে হয়তো বনের ভিতর হাঁটবো। গাছ চিনবো, বাতাসের গন্ধ বুঝতে শিখবো। বৃষ্টির দিনে ঘরের জানালার পাশে বসে মেঘ নামা দেখবো। রাতে আগুন জ্বালিয়ে বসে থাকবো নিঃশব্দে।

সেখানে বিদ্যুৎ না থাকলেও সমস্যা নেই। কারণ আমি আলো থেকে যতটা না আলোকিত হয়েছি, তার চেয়ে বেশি পুড়েছি।
আমি চাই সন্ধ্যার সাথে সাথে পুরো পৃথিবী অন্ধকার হয়ে যাক। শহরের মত হাজার রঙের লাইট না, শুধু চাঁদের আলো থাকবে। আকাশ ভর্তি তারা থাকবে। অনেকদিন ধরে আকাশের দিকে তাকিয়ে মনে হয়, মানুষ যত সভ্য হয়েছে, আকাশ দেখা তত ভুলে গেছে।

আমি সেখানে বিলাসিতা চাই না। চাই শান্তি।

হয়তো একটা ছোট্ট সবজি বাগান করবো। কিছু ফলের গাছ লাগাবো। নদী থাকলে মাছ ধরবো। না থাকলে শুধু পানির শব্দ শুনবো। আমি এমন একটা জীবন চাই যেখানে বেঁচে থাকার জন্য খুব বেশি কিছুর প্রয়োজন হবে না।

সবচেয়ে বড় কথা, সেখানে অভিনয় করতে হবে না।

লোকালয়ে মানুষ প্রতিদিন অভিনয় করে। হাসি অভিনয়, সম্পর্ক অভিনয়, ভালো থাকার অভিনয়। ক্লান্ত মানুষগুলো মুখে হাসি লাগিয়ে বেঁচে থাকে। আমি সেই অভিনয় থেকে পালাতে চাই।

অনেকে একাকীত্বকে ভয় পায়। কিন্তু আমার মনে হয়, মানুষের সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা কখনও কখনও একাকীত্বই। কারণ অরণ্য কখনও মিথ্যা বলে না। পাহাড় কখনও বিশ্বাসঘাতকতা করে না। মেঘ কখনও কারো চরিত্র বিচার করে না।

আমি জানি, বাস্তবতা খুব কঠিন। হয়তো কোনদিন সত্যি সেখানে যাওয়া হবে না। হয়তো জীবন আবার আমাকে শহরের ধুলা, শব্দ আর মানুষের ভিড়ের মাঝেই আটকে রাখবে। তবুও এই স্বপ্নটা আমি বাঁচিয়ে রাখতে চাই।
কারণ মানুষ সবসময় বাস্তবতায় বাঁচে না।

কিছু মানুষ শুধু একটা শান্ত জায়গার স্বপ্ন দেখেই বেঁচে থাকে।

আমি বলি, আমার কোনো গল্প নেই—এই মিথ্যাটা আমি খুব যত্নে বাঁচিয়ে রাখি।কারণ সত্যিটা ভয়ংকর—আমার গল্প আছে,কিন্তু বলার মতো কেউ ...
24/03/2026

আমি বলি, আমার কোনো গল্প নেই—
এই মিথ্যাটা আমি খুব যত্নে বাঁচিয়ে রাখি।

কারণ সত্যিটা ভয়ংকর—
আমার গল্প আছে,
কিন্তু বলার মতো কেউ নেই।

শব্দগুলো গলায় এসে থেমে যায়,
বিশ্বাসের জায়গাটা বহু আগেই ভেঙে গেছে—
এখন আর কাউকে খুলে বলতে ইচ্ছে করে না,
আর সাহসও হয় না।

আমি শুনেছি—
অনেকের কান্না,
অনেকের ভাঙা স্বপ্ন,
অনেকের না বলা ভালোবাসা।

তারা বলেছে,
আমি চুপ করে থেকেছি—
কারণ আমি জানি,
সান্ত্বনা দেওয়া আমার কাজ না,
আর মিথ্যে আশ্বাস দেওয়ার অভিনয় আমি পারি না।

আমি শুধু তাদের গল্প জমিয়েছি,
অন্ধকার আলমারির মতো
নিজের ভেতরে লুকিয়ে রেখেছি—
অতিগোপনে।

কিন্তু কেউ কোনোদিন থামেনি,
একবারও না—
আমার চোখের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করেনি,
“তুমি ঠিক আছো তো?”

তাই আমার গল্পগুলো
ধীরে ধীরে পচে গেছে ভেতরে,
শব্দ না পেয়ে
নীরবতার লাশ হয়ে গেছে।

এখন আমি সত্যিই গল্পহীন—
কারণ আমার গল্পগুলো
কেউ শোনেনি,
আমি নিজেও আর বলিনি।

আমি এখন শুধু—
একটা কান,
একটা নীরব দেয়াল,
যেখানে অন্যরা তাদের গল্প লিখে যায়,
আর আমি মুছে ফেলি নিজেরটা।

তাই বলি—
আমি গল্পহীন মানুষ।

কারণ,
যার গল্প কেউ শোনে না,
তার গল্প থাকলেও
সে একসময় সত্যিই গল্পহীন হয়ে যায়।

নাম না জানা ফুল!!!
22/02/2026

নাম না জানা ফুল!!!

ভাষা আছে, শব্দ আছে—তবু কণ্ঠে অদৃশ্য শিকল!!!আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস....
21/02/2026

ভাষা আছে, শব্দ আছে—তবু কণ্ঠে অদৃশ্য শিকল!!!
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস....

কোটি রক্তের বিনিময়ে কেনা আমার সোনার বাংলা..."... শত্রু এলে অস্ত্র হাতে ধরতে জানি তোমার ভয় নেই মা আমরা প্রতিবাদ করতে জানি...
12/02/2026

কোটি রক্তের বিনিময়ে কেনা আমার সোনার বাংলা..."... শত্রু এলে অস্ত্র হাতে ধরতে জানি তোমার ভয় নেই মা আমরা প্রতিবাদ করতে জানি""""তাই যেন হয়। আমাদের বাংলা যেন নিরাপদ থাকে আল্লাহ

08/02/2026

কথা বলার জন্য তোমাকে দরকার,
উত্তাল সাগরে বৃষ্টি দেখার জন্য তোমাকে দরকার।
শুধু তোমাকে দরকার!

03/02/2026

আমার নিজের একটা কুকুর আছে—নাম মারলো। মারলো আমার পোষা প্রাণী না, মারলো আমার সঙ্গী। আমি যদি বাইক ছাড়া বাইরে যাই, সে আমাকে খুঁজতে বের হয়। আমি যেখানে থাকি, সে সেখানে পৌঁছানোর চেষ্টা করে। সকাল–বিকাল আমার সাথে দৌড়ায়।

আমি বাসায় না থাকলে আমার কবুতর পাহারা দেয়, তার আমার বাসার সামনে ফুল গাছে কেউ হাত দিতে পারে না, অপরিচিত কেউ এলে সিড়িতেই দাঁড় করিয়ে দেয়।বাসায় ঢোকার অনুমতি দেয় না।

আমি ফিরবো—এই বিশ্বাসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সিড়িতে বসে অপেক্ষা করে।

এই মারলোকে নিয়েই অনেক মানুষ আমাকে উপদেশ দেয়— “কুকুর রাখা ঠিক না”, “গুনাহ হয়”, “ঘরে ফেরেশতা আসে না”।

কিন্তু একটা প্রশ্ন কেউ করে না— যে প্রাণী দিন–রাত নিঃশব্দে পাহারা দেয়, বিশ্বাসঘাতকতা জানে না, স্বার্থ বোঝে না,
ভালোবাসার বিনিময়ে কেবল ভালোবাসাই চায়— সে কিভাবে অপবিত্র হয়?

আমি মানুষের বন্ধুত্বকে ভয় পাই। কারণ মানুষ পাশে থাকলেই মানুষ নিরাপদ থাকে না। মানুষের হাসির আড়ালে থাকে হিংসা, ভালোবাসার আড়ালে থাকে হিসাব, সহানুভূতির আড়ালে থাকে সুযোগ নেওয়ার অপেক্ষা।

তাহলে মানুষ কেন “সৃষ্টির সেরা জীব”?

আমি তো দেখি— মানুষই সৃষ্টির সবচেয়ে নিষ্ঠুর, সবচেয়ে প্রতারক, সবচেয়ে ভয়ংকর জীব। প্রাণীরা হত্যা করে ক্ষুধায়,
মানুষ হত্যা করে লোভে। প্রাণীরা আক্রমণ করে আত্মরক্ষায়, মানুষ আক্রমণ করে ক্ষমতার নেশায়।

মারলো আমাকে ভালোবাসে—কারণ আমি আমি, আর মানুষ ভালোবাসে—যতক্ষণ দরকার।

যদি এই ভালোবাসা গুনাহ হয়, তাহলে আমি সেই গুনাহ নিয়েই বাঁচতে রাজি। কারণ একজন সৎ কুকুরের পাশে আমি
হাজারটা ভণ্ড মানুষের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ।

মানুষের জীবন মানেই স্বপ্নের বহুবর্ণ রূপ। একেক মানুষের স্বপ্ন একেক দিকে ছুটে চলে—কেউ আলো খোঁজে শহরের কংক্রিটে, কেউ শান্তি...
23/01/2026

মানুষের জীবন মানেই স্বপ্নের বহুবর্ণ রূপ। একেক মানুষের স্বপ্ন একেক দিকে ছুটে চলে—কেউ আলো খোঁজে শহরের কংক্রিটে, কেউ শান্তি খোঁজে প্রকৃতির নিঃশব্দে। তাই কারও স্বপ্নকে অন্যের স্বপ্নের মানদণ্ডে বিচার করা যায় না। সভ্যতার প্রতি কারও আকর্ষণ যেমন স্বাভাবিক, তেমনি সভ্যতা থেকে দূরে সরে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষাও মানুষের অস্তিত্বের এক গভীর সত্য।

সভ্য মানুষ সাধারণত মনে করে—উন্নত জীবন মানে সুবিধা, আরাম এবং নিরাপত্তা। ঠান্ডার সময় গরম পানি, নরম বিছানা, পাকা রাস্তা, আধুনিক হাসপাতাল, প্রযুক্তিনির্ভর জীবন, সমৃদ্ধ খাবার—এসবই যেন সুখের চূড়ান্ত সংজ্ঞা। মানুষের হাতে যখন সবকিছু সহজলভ্য হয়, তখন সে নিজেকে উন্নত মনে করে, সভ্য মনে করে, সফল মনে করে।

কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়—এই আরামই কি সত্যিকার শান্তি?

আমার কাছে শান্তির অর্থ ভিন্ন। আমার শান্তি লুকিয়ে আছে ভোরের পাখিদের কলরবে, শীতের কুয়াশায় ভেজা মেঠো পথে হাঁটার অনুভূতিতে। বৃষ্টির একটানা শব্দ, ভেজা মাটির গন্ধ—এইসব দৃশ্য ও গন্ধে আমি এক ধরনের আদিম আনন্দ খুঁজে পাই। উনুনে পোড়ানো সাধারণ খাবার, শহরের যন্ত্রের কোলাহলের বদলে জঙ্গলের পশু-পাখির ডাক—এসব আমার কাছে শুধু জীবন নয়, বরং জীবনের প্রকৃত স্বর।

সভ্যতার শহর মানুষকে দিয়েছে গতি, দিয়েছে সুবিধা, কিন্তু অনেক সময় কেড়ে নিয়েছে গভীর অনুভবের ক্ষমতা। শহরের মানুষ হয়তো দ্রুত বাঁচে, কিন্তু গভীরভাবে বাঁচে না। আর জঙ্গল—সে মানুষকে ধীর করে, প্রকৃতির সঙ্গে একাত্ম হতে শেখায়, জীবনের মৌলিক সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করায়। হয়তো জঙ্গলে নেই উন্নত চিকিৎসা, নেই আধুনিক নিরাপত্তা। কিন্তু মৃত্যু তো অনিবার্য—শহরেও, জঙ্গলেও।

তাই প্রশ্নটা জীবন কতটা দীর্ঘ—তা নয়, বরং জীবন কতটা সত্য—তা নিয়েই। সভ্যতার আলো আর জঙ্গলের অন্ধকারের মাঝে দাঁড়িয়ে আমি বুঝি— উন্নত জীবন মানে শুধু আরাম নয়, উন্নত জীবন মানে নিজের আত্মার সঙ্গে সৎ থাকা,
নিজের প্রকৃতির সঙ্গে মিলিয়ে বেঁচে থাকা।

এ কারণেই, সভ্যতার কোলাহলের চেয়ে জঙ্গলের নীরবতাই আমার কাছে বেশি মানবিক, বেশি সত্য, বেশি শান্ত।

Address

Noorjahan Road, Mohammadpur
Dhaka
1207

Telephone

+8801715283197

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Joygraphy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Joygraphy:

Share