29/03/2023
হাতে তৈরি কাস্টোমাইজ বাইক লক এর
গুরুত্বপূর্ণ ১৫টি বৈশিষ্ট্য যেনে নেই......
দয়া করে সম্পূর্ণ পোস্ট টি পড়ুন।
০১। বাইকের ব্যাটারি ছাড়া পরিচালিত: এই ডিভাইটি দিয়ে বাইক লক রাখতে বাইকের ব্যাটারির শক্তি বা অতিরিক্ত ব্যাটারি প্রয়োজন হয় না, কারণ ডিভাইসটিতে একটি (AMCR-r21) Automatic Magnetic Contact of Relay সংযুক্ত করা আছে।
যার প্রধান কাজ হচ্ছে বাইক বন্ধ অবস্থায় ব্যাটারি থেকে ডিভাইস কে সবসময় আলাদা রেখেই বাইক লক রাখতে সাহায্য করা এবং সচল অবস্থায় RR Unit থেকে শক্তি গ্রহণ করা। তাই বাইকের ব্যাটারি থাকে সর্বদা ফ্রী এবং নিরাপদ।
০২। ব্যাটারি বসে যাবার সম্ভনা নাই: বেশিরভাগ ডিভাইসের ক্ষেত্রে দেখা যায় ২/১ দিন বাইক না চালালে বা কোন কারণে বাইকটি দীর্ঘ সময়কাল বন্ধ রাখলে ডিভাইসটি বাইকে লক রাখার স্বার্থে ব্যাটারি চার্জ শেষ করে দেয় এবং বাইকটি আর স্টার্ট নিতে চাই না। কিন্ত এই ডিভাইসে AMCR প্রযুক্তির থাকার কারনে বাইক ৫ বছর বন্ধ থাকলেও এই ডিভাইসের প্রভাব ব্যাটারির উপর পড়বে না। কারণ ডিভাইসের সাথে বাইকের ব্যাটারির কোন কানেকশন-ই নাই।
০৩। অতিরিক্ত খরচের প্রয়োজন নাই: অনেক নামি দামি ডিভাইসের নিজস্ব ব্যাটারি থাকে, বাইকের ব্যাটারি ব্যবহার করে না। তবে নিজস্ব ব্যাটারির ক্ষেত্রে বাইক কয়েকদিন না চালালে ডিভাইসের ব্যাটারি দুর্বল হয়ে যায় এবং ৬/১২ মাস পর পর পরিবর্তনে বাড়তি খরচের প্রয়োজন হয়। এই ডিভাইসের নিজস্ব কোন ব্যাটারিও নাই। তাই পরিবর্তনের ঝামেলা বা এই ধরনের কোন টেনশন নাই।
০৪। হঠাৎ বাইক আনলক হবার কোন সম্ভাবনা নাই: অনেক সময় আমরা বাইক লক করে চাবি সহ রিমোট পকেটে করে সিঁড়ি দিয়ে উঠা বা চেয়ারে বসার সময় অথবা বাচ্চারা বাইকের চাবি নিয়ে খেলা করার সময় যেকোন কারণে আচমকা রিমোটে চাপ লেগে বাইক আনলক হয়ে যায়। কিন্তু এই ডিভাইসের ক্ষেত্রে বাইকে চাবি বাইকে প্রবেশ না করা পর্যন্ত রিমোট হাজার বার চাপ দিলেও বাইক আনলক হবেনা। কারণ বাইকের চাবি বাইকে না দিলে এই রিমোটটি কাজ করবেনা।
০৫। বাইক লক করার কোন টেনশন নাই: আমরা ব্যস্ততার কারণে অনেক সময় তাড়াহুড়া করে বাইক লক করতে ভুলে যায়। কিন্তু এই ডিভাইসের ক্ষেত্রে চাবি অফ করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাইক লক হয়ে যাবে। রিমোট প্রেস করে লক করার প্রয়োজন নাই। তবে রিমোট দিয়ে লক করার সুবিধাও আছে।
০৬। রিমোট ব্যতীত বাইক স্টার্ট করা সম্ভব না: বাইক লক থাকা অবস্থায় রিমোট ব্যতীত বাইকের ঘাড়ের তার কেটে, মাস্টার চাবি অথবা বাইকের অরিজিনাল চাবি দিয়েও বাইক স্টার্ট হবে না। কোন সাধারণ মানুষ বা বাইক চোর তো দূরের কথা। একজন বাইকের মেকানিকেরও রিমোট ব্যতীত বাইক স্টার্ট দিতে হলে দুইটি সাইট কভার সিট কভার এবং কোন কোন বাইকের ক্ষেত্রে ফুয়েল ট্যাংকও খুলে ওয়ারিং রি-ইন্সটল করে বাইক স্টার্ট দিতে সব মিলিয়ে কমপক্ষে 20 থেকে 25 মিনিট সময় লাগবে। এরকম সাহস বা সময় চোরের কোনটাই নাই।
০৭। CDI বা ECU চেঞ্জ করেও বাইক স্টার্ট সম্ভব না: ডিভাইসটি ইন্সটল করা থাকলে বাইকের CDI বা ECU চেঞ্জ করেও বাইক স্টান্ট দেয়া সম্ভব না। কারণ ডিভাইসটির CDI বা ECU লক করে না।
সরাসরি ইঞ্জিন লক করে।
তাই এই পার্টস গুলা পরিবর্তন করে বাইক স্টার্ট দেয়া সম্ভব না।
০৮। CDI ECU দুর্বল বা পুড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নাই:
ডিভাইসটির কোন কানেকশন CDI বা ECU তে নাই এবং যেহেতু ডিভাইসটি CDI বা ECU লক করে না।
এজন্য এই পার্টস গুলা নষ্ট বা পুড়ে যাওয়ার সম্ভবনা নাই এবং সাথে থাকবে সর্বদাই নিরাপদ।
০৯। ফ্রিকুইন্সি হ্যাক করা সম্ভাবনা না: বাইকের চাবি ব্যতীত রিমোট+ডিভাইস বন্ধ বা (Deactivate) থাকায় ফিকুইন্সি হ্যাক করা সম্ভব না। কারণ বাইক থেকে চাবি খুলে নেওয়ার পর AMCR প্রযুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাইকটির লক করে ডিভাইসটি সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ করে দেয়। ফ্রিকুয়েন্সি হ্যাক করতে গেলে আগে এগুলা অন (Active) করতে হবে। আর তার জন্য বাইকের অরিজিনাল চাবি প্রয়োজন হবে। তাই হ্যাক করার সুযোগ অনেকাংশেই কম।
১০। ডিভাইস চেঞ্জ করে আনলক করার সম্ভাবনা নাই: সম্পূর্ণ হাতে তৈরি কাস্টোমাইজ ডিভাইস। তাই অন্য ডিভাইসের মত একচেঞ্জ করে লাগালেই আনলক হয়ে যাবে এমন কোন সম্ভাবনা নাই।
তাছাড়া ডিভাইসটির সম্পূর্ণ সাইলেন্ট হওয়ায়, বাইকে কি জাতীয় ডিভাইস এবং কোথায় ইন্সটল করা আছে দেখে বোঝার কোন উপায় নাই।
উদাহরণস্বরূপ সাধারণ তালা/চাবি আর কামারের তৈরি তালা/চাবির মতো,নকল করার সুযোগ খুব একটা থাকে না।
১১। রিমোটলেস চাবির সুবিধা: যেহেতু রিমোট ছাড়া বাইক স্টার্ট দেওয়া সম্ভব না। তাই বাইক নিয়ে বের হবার পর কোন কারণে রিমোটটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে যেমন নষ্ট বা ভেঙে গেলে অথবা দুর্গম পরিবেশে রিমোটে থাকা ছোট 3 ভোল্ট ব্যাটারিটি লো হয়ে গেলে। সে ক্ষেত্রে রিমোটের সাথেই একটি রিমোটলেস চাবি সুবিধা থাকছে।
এটি ১টি ভিন্ন ও নির্দিষ্ট মডেলের চাবি। এই চাবিটির মাধ্যমে রিমোটের কার্যকারিতা বন্ধ করে বাইক পূর্বের মত স্বাভাবিক ভাবে স্টার্ট দেয়া যাবে। যদিও এটা বছরে একবার লাগতেও পারে নাও পারে। পরবর্তীতে চাবিটি খুলে ফেললেই রিমোটটি আবার কাজ করা শুরু করবে।
১২। বাইক লক থাকলে সাধারণ মানুষের বোঝার সুযোগ নাই: সাধারণত অন্যান্য লক বাইকে ইন্সটল করা থাকলে বাইকে হাত দিলে ইন্ডিকেটর লাইট বা বিভিন্ন সাউন্ডের মাধ্যমে চোর সহজেই বুঝতে পারে কোন জাতীয় সিকিউরিটি লাগানো আছে এবং সে তার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে হ্যাকিং-এর মাধ্যমে আনলকের চেষ্টা করে। কিন্তু এই ডিভাইসটি কোন ধরনের সংকেত বা সাউন্ডে করবেনা। এটার উপকারীতা হচ্ছে চোর না পারবে কোন জাতীয় ডিভাইস সনাক্ত করে আনলক করতে। না পারবে মাষ্টার চাবি বা ঘাড়ের তার কেটে বাইক স্টার্ট দিতে। লকের রহস্য বুঝে ওঠার আগেই দ্বিধা দ্বন্দ্বে পড়ে যাবে।
১৩। তার কাটা ছেঁড়ার প্রয়োজন নাই: বেশিরভাগ বাইক লকের-ই কমপক্ষে ৮ থেকে ১২ তার থাকে এবং এগুলা ইন্সটল করার জন্য বাইকের অনেক তার কাটা ছেড়া করতে হয়। এই ডিভাইসে মাত্র তিনটি তার এবং ইনস্টল খুব একটা কঠিন নয়। কোন প্রকার তার কাটা ছেঁড়ার প্রয়োজন হয় না।
১৪। অন্যান্য: ডিভাইসটির সাথে থাকতেছে আকর্ষণীয় লুকের (Stainless Steel) বডির দুইটি রিমোট (ব্যাটারি সহ) এবং ১টি রিমোটলেস চাবি।
রিমোটের ব্যাটারি স্থায়িত্বকাল ১৮ থেকে ২৪ মাস। তবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে কম বেশি হতে পারে।
১৫। আয়ুষ্কাল: ডিভাইসটি উন্নত মানের (PCB) Printed Circuit Board এবং রিমোটটির ফুল বডি ফ্রেম স্টিলের ও মজবুত প্লাস্টিকের সমন্বয়ে তৈরি।
মেইন PCB+রিমোট 2 টি সরাসরি বিদেশ থেকে আমদানিকৃত এবং অল্প কিছু দেশিও ইলেকট্রনিক্স কম্পনেন্ট দিয়ে আমার হাতে তৈরি তাই অনেক মজবুত,দীর্ঘস্থায়ী এবং সাথে সম্পূর্ণ ওয়াটারপ্রুফ সিল যুক্ত।
সার্ভিস: ১ বছরের রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি এবং লাইফ টাইম সার্ভিস থাকবে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: যেহেতু সম্পন্ন ডিভাইস টি কোন প্রকার এক্সট্রা ব্যাটারি শক্তি ছাড়া পরিচালিত হয়। তাই বাইক লক এবং আন-লকের সময় ইন্ডিকেটর লাইট জ্বলে সংকেত দেয়া বা হর্ন বাজিয়ে হুইসেল দেওয়া অথবা রিমোট ভাইব্রেশন করা এই ধরনের কোন সুবিধা থাকবে না। তবে রিমোটে ছোট্ট একটি লাইট আছে এটির মাধ্যমে বোঝা যাবে বাইকটি লক বা আনলক হচ্ছে।
মূল্য: ফিচারের দিক থেকে বিবেচনা করলে অন্য ডিভাইসের তুলনায় অনেকটাই কম। তবে যেহেতু মূল মেটেরিয়াল গুলা দেশের বাইরে থেকে আসে। তাই ডলারের মূল্য ওঠানামার কারণে কিছুটা কম বেশি হতে পারে। বর্তমান মূল্য ১২৫০ টাকা।