Bangladeshi Mobile Operators 2G/3G News & offers

Bangladeshi Mobile Operators 2G/3G News & offers Join with this page and get latest 2G, 3G & 4G offers, promotion & all details of all operators across Bangladesh.

মোবাইল ফোন অপারেটররা নিয়মিত নানা অফার সাময়িক সময়ের জন্য দিয়ে থাকে,যা অনেক সময় আমাদের চোখ এড়িয়ে যাওয়ায়,অনেক সুন্দর সুন্দর অফার থেকে আমরা বঞ্চিত হই।কিন্তু এক সাথে সব অপারেটরের 2G, 3G ও 4G সংক্রান্ত অফারগুলোর নিয়মিত খবর নেয়াও অনেক কষ্টকর।আপনার সেই কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে এবং সকল মোবাইল অপারেটরের অফারের নিয়মিত আপডেট পেতে চাইলে আজই লাইক দিন ।এই পেজটি মিস করা আপনার উচিত না।আশা করি আপনার Like বিফলে যাবে না৷

04/04/2023
16/07/2022
02/11/2021

সতর্কতামূলক পোস্ট!!!

ঢাকার রাস্তায় ভয়ংকর মাইন্ড কন্ট্রোল ড্রাগ 'ডেভিলস ব্রেথ' বা 'শয়তানের শ্বাস' বা স্কোপোলামিন (Scopolamine)
ছিনতাইকারী, পকেটমার ও মলম পার্টির পর বাজারে নতুন এসেছে 'ডেভিলস ব্রেথ' (Devil’s Breath) বা 'শয়তানের শ্বাস' নামে পরিচিত স্কোপোলামিন নামক ড্রাগ। যা ব্যবহার করে যাত্রী ও পথচারীদের সর্বস্ব লুটে নেয় এক চতুর পার্টি।

ঘটনা-১
রাস্তায় হাটছিলেন রহমান সাহেব, হঠাৎ খুব পরিচিত ভঙ্গিতে একজন ডাক দিল। যেন রহমান সাহেব কে চিনে ভাল করে! রহমান সাহেব কিছুটা দ্বিধাগ্রস্ত! পরে লোকটা জাস্ট হ্যান্ডশেক করল, এরপর বেশ কিছু সময় গল্প করল। এরপর উনাকে বলল "ভাই, মানিব্যাগ আর মোবাইলটা দিয়ে দিন'। রহমান সাহেব বিনাবাক্যে এবং বিনাদ্বিধায় পকেট থেকে বের করে পুরো মাসের বেতন সহ মোবাইল দিয়ে দিলেন। কেন দিলেন উনি নিজেই জানেন না! উনি এখনো মোহগ্রস্ত!

ঘটনা-২
রাস্তায় একটা লোক এক্সকিউজ মি বলে নীলা কে ডাক দিল, নীলা ঘুরে তাকাল। এরপর লোকটা জাস্ট মুখের উপর ফু দিল, বলল গাড়ীতে উঠ। নীলা গাড়ীতে উঠল, লোকটা তাকে একটা বাসায় নিয়ে গেল। এরপর কয়জন মিলে ওর সাথে শারিরীক সম্পর্ক করল! নীলা তেমন কোন উচ্চ বাচ্চ করে নি। এরপর ওকে জাস্ট রাস্তায় নামিয়ে দিয়ে গেল। নীলা আবছা আবছা মনে করতে পারে ওর সাথে কি হয়েছে, কিন্তু বাসার ঠিকানা বা লোকগুলোর চেহারা মনে করতে পারছে না। নীলার ঘোর এখনো কাটে নি সে শারিরীক বা মানসিক ভাবে বিধ্বস্ত।

কীভাবে কাজ করে 'ডেভিল ব্রেথ' পার্টি?
স্কোপোলামিন মাদক ব্যাবহারের কারণে ছিনতাইকারীদের মতো ছুরি, চাকু বহন করা লাগে না এই পার্টির সদস্যদের। এমনকি পকেটমারদের মত ধরা পড়া বা গণপিটুনি খাওয়ার রিস্কও থাকে না তাদের। স্কোপোলামিনের ব্যবহার তাদেরকে এমন সব ঝুট-ঝামেলা থেকে মুক্তি দিয়ে শহরের সবচেয়ে সফল হাইজ্যাকারে পরিণত করেছে। প্রথমে এই পার্টির এক সদস্য তার টার্গেটেড লোকের কাছে যেয়ে একটি কাগজ বা মোবাইলের মেসেজ দেখিয়ে বলবে আন্টি/ভাই/আপু এই ঠিকানাটা কোথায়? কিংবা কোন এক রিকশাওয়ালা সদস্য একটি প্রেসক্রিপশন দেখিয়ে বলবে 'বাবা, এই প্রেসক্রিপশনের ওষুধের নামটা কী? কোথায় পাওয়া যাবে?'
মানবিক বোধ থেকে তাদের সাহায্য করতে গেলেন মানেই তাদের ফাঁদে পা দিলেন। এরা ইচ্ছা করেই কাগজে লেখা ছোট করে থাকে যাতে তাদের 'সম্ভাব্য মুরগী' মোবাইল বা কাগজটা নাক ও মুখের কাছাকাছি নিয়ে পড়তে বাধ্য হয়। তাদের দেওয়া কাগজ, ফোন বা অন্যকিছু আপনি নাক, চোখমুখের কাছাকাছি ধরার মাধ্যমে নিজে নিজেই স্কোপোলামিন গ্রহণ করে ফেলবেন। এরপর আপনি হয়ত ঠিকানা খুঁজতে যাবেন বা ঔষধের নাম, কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ। আপনার মাথা ঝিমঝিম লাগবে এবং আপনি বুঝবেন না আপনি কী করছেন! আপনি নিজ থেকেই আপনার কাছে থাকা টাকাপয়সা, গহনা, মোবাইল সহ সব দিয়ে দিবেন আপনার সামনে থাকা ভয়ংকর 'ডেভিলস ব্রেথ' পার্টির সেই কুচক্রী সদস্যের হাতে।
এই পার্টি প্রধানত জুয়েলারি ও ব্যাংকের আশেপাশে ঘোরাফেরা করে এবং অবস্থাসম্পন্ন পথচারী নারীদের টার্গেট করে। এই ঘটনা অনেকেই ফেস করেছেন কিংবা ফেসবুকে বা বন্ধু বান্ধবের কাছ থেকে শুনেছেন। অনেকেই সর্বস্ব খুইয়েছেন। কয়েক মুহুর্তের মধ্যে 'চিন্তাশক্তি অকার্যকর হয়ে হিপনোটাইজড হওয়া এবং ভিকটিমের নিজ থেকেই সব দিয়ে দেওয়া' কীভাবে সম্ভব?
এই পাউডার ভিকটিমের উপর খাবারের মাধ্যমে, মুখের উপর ফু দিয়ে (যা বেশি করা হয়) অথবা হ্যান্ডশেকের সময় হাতে একটা পিন ফুটিয়ে প্রয়োগ করা হয়। এটা প্রথমে আক্রান্ত ব্যাক্তির মস্তিস্কের প্রাথমিক স্মৃতি বা ইনিশিয়াল স্টেইজ অব মেমোরিকে ব্লক করে দেয়। যার ফলে সে এ্যাটাকারকে ভালভাবে চিনতে পারে না। সেই সাথে ব্রেইনের Amigdale নামক অংশকে আক্রান্ত করে যা তার মস্তিস্কের চিন্তা করার অংশকে ব্লক করে দেয়! যার ফলে তার চিন্তা করার ক্ষমতা চলে যায়, এবং বাহির থেকে আক্রমন আসলে তার প্রতি যে স্বভাবগত প্রতিক্রিয়া দেখানোর কথা সেটা আর পারে না। ভিক্টিমের আচরন হয়ে যায় সাবমিসিভ, বা বশীভূত! তখন তাকে যে কমান্ড দেয়া হয় সে তাই মানে!
নাসা তাদের এ্যাস্ট্রোনাটদের উপর ০.৩৩ মিলিগ্রাম ইউজ করে, তাদের মোশন সিকনেস কাটানোর জন্য। আর যেকোন সাধারণ মানুষের উপর যদি এর ৫-৭ মিলিগ্রাম ইউজ করা হয় তবে সে হয়ে যাবে এমন হেল্পলেস জম্বি। তাকে দিয়ে যা ইচ্ছা করানো যাবে! আর যদি ১০ মিলিগ্রাম বা তার বেশি হয় তবে রোগী কোমায় চলে যাবে এবং সেখান থেকে মারা যেতে পারে।
তাই রাস্তাঘাট, জুয়েলারি, ব্যাংক, যেকোনো শপিং সেন্টার থেকে বের হবার সময় এই ঘটনাগুলো মনে রাখুন, সতর্ক থাকুন। সতর্ক থাকুন যখন আপনি রিক্সার যাত্রী তখনও! বৈশ্বিক এয়ার ইনডেক্সের টপলিস্টে থাকা বসবাসের অযোগ্য দূষিত এই ধুলাময় শহরে ডাস্ট অ্যালার্জি, ফুসফুসের ক্ষতি, মলম পার্টি, ক্লোরোফর্ম ও ডেভিলস ব্রেথ পার্টিসহ অজানা সব বিপদ থেকে রক্ষা পেতে "মাস্ক" ব্যবহার করুন। এর সুবিধা হলো মাস্ক পরা থাকলে এই সব দুষ্কৃতিকারীরা আপনাকে সহজে টার্গেট করবে না এবং টার্গেট করলেও মাস্ক আপনাকে ওয়ান স্টেপ প্রোটেকশন দিবে। এই রকম ভিক্টিম কেউ হলে তাকে পীর ফকির বাদ দিয়ে, সোজা ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবেন।
নিজেকেই সাবধান হতে হবে, নির্জন যায়গায় কেউ ডাকলে যাওয়া যাবে না। অপরিচিত কেউ বেশি ঘনিষ্ঠ বা পরিচিত আচরণ করলে তার পরিচয় জিজ্ঞেস করে শিওর হয়ে নিবেন এবং তার থেকে একটা নির্দিষ্ট দুরুত্ব বজায় রাখবেন। যার তার সাথে হ্যান্ডশেক করবেন না।

(সংগৃহীত)

12/06/2020

**পরীক্ষায়_সমাস_ভুল_করেন?
#আপনি_জীবনেও_সমাস_ভুলবেন_না_দেখুন।
#সমাস_সহজ_টেকনিক"
#খুব সহজ নিয়মে সমাস শিখুন।
"সত্যজিৎ স্যার এর কথা সমাস শিখতে ছয় মাস
সময় লেগে যায় তারপরও মনে হবে কিছুই শেখেননি।কিন্তু এভাবে শিখলে কতদিন।
"দ্বিগু সমাস কিভাবে চিনবেন জানেন? আচ্ছা, দ্বিগু শব্দের “দ্বি ” মানে কী? দ্বিতীয় শব্দে “দ্বি ” আছে না? আমরা ২ বুঝাতে “দ্বি ” শব্দটি ব্যবহার করি। ২ মানে কী? একটি সংখ্যা। তাহলে যে শব্দে সংখ্যা প্রকাশ পাবে এখন থেকে সেটাকেই “দ্বিগু ” সমাস বলে ধরে নিবেন। যেমন পরীক্ষায় আসলো শতাব্দী কোন সমাস? আচ্ছা শতাব্দী মানে হল শত অব্দের সমাহার। অর্থাৎ প্রথমেই আছে “শত ” মানে একশ, যা একটি সংখ্যা। সুতরাং এটি দ্বিগু সমাস। একইভাবে ত্রিপদী ( তিন পদের সমাহার)এটি ও দ্বিগু সমাস। কারণ এখানে ও একটি সংখ্যা (৩) আছে। এবার যেকোন ব্যাকরণ বই নিয়ে দ্বিগু সমাসের যত উদাহরন আছে সব এই সুত্রের সাহায্যে মিলিয়ে নিন।
বদরুল হাসান বাবুল
এবার আসুন কর্মধারয় সমাসে। খুব বেশি আসে পরীক্ষায় এখান থেকে। কর্মধারয় সমাসে “যে /যিনি/যারা ” এই শব্দগুলো থাকবেই। যেমন: চালাকচতুর – এটি কোন সমাস? চালাকচতুর মানে ‘যে চালাক সে চতুর ‘ তাহলে এখানে ‘যে ‘ কথাটি আছে,অতএব এটি কর্মধারয় সমাস। তবে কর্মধারয় সমাস ৪ প্রকার আছে। মুলত এই ৪ প্রকার থেকেই প্রশ্ন বেশি হয়। প্রথমেই আসুম মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস চিনি। নামটা খেয়াল করুন, মধ্যপদলোপী। মানে মধ্যপদ অর্থাৎ মাঝখানের পদটা লোপ পাবে মানে চলে যাবে। সহজ করে বললে হয়, যেখানে মাঝখানের পদটা চলে যায় সেটিই মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস। যেমনঃ সিংহাসন -কোন সমাস? সিংহাসন মানে ‘সিংহ চিহ্নিত যে আসন ‘। তাহলে দেখুন এখানে ‘সিংহ চিহ্নিত যে আসন ‘ বাক্যটি থেকে মাঝখানের “চিহ্নিত ” শব্দটি বাদ দিলে অর্থাৎ মধ্যপদ “চিহ্নিত ” শব্দটি লোপ পেলে হয় “সিংহাসন “। যেহেতু মধ্যপদলোপ পেয়েছে, অতএব এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস।

উপমান কর্মধারয় সমাস কিভাবে চিনবেন জানেন? যদি ২টি শব্দ তুলনা করা যায় তবে সেটি হবে উপমান কর্মধারয় সমাস। যেমনঃ তুষারশুভ্র – কোন সমাসের উদাহরন? এটি পরীক্ষায় অনেকবার এসেছে। শব্দটি খেয়াল করুন “তুষারশুভ্র “। তুষার মানে বরফ, আর শুভ্র মানে সাদা। বরফ তো দেখতে সাদা। তাহলে তো এটি তুলনা করা যায়। অতএব এটি উপমান কর্মধারয়। একইভাবে “কাজলকালো “এটিও উপমান কর্মধারয় সমাস। কারণ কাজল দেখতে তো কালো রঙেরই হয়। তার মানে তুলনা করা যাচ্ছে। অতএব এটি উপমান কর্মধারয়।

এটি অন্যভাবে ও মনে রাখা যায়। উপমান মানে Noun + Adjective. যেমন তুষারশুভ্র শব্দটির তুষার মানে বরফ হল Noun, আর শুভ্র মানে সাদা হল Adjective। কাজলকালো শব্দটির কাজল হল Noun, এবং কালো হল Adjective। অতএব Noun + Adjective = উপমান কর্মধারয় সমাস।

উপমিত কর্মধারয় মানে যেটা তুলনা করা যাবে না। বিগত বছরের একটি প্রশ্ন ছিল :সিংহপুরুষ – কোন সমাসের উদাহরণ? খেয়াল করুন শব্দটি। সিংহপুরুষ মানে সিংহ আর পুরুষ। আচ্ছা সিংহ কি কখনো পুরুষ হতে পারে নাকি পুরুষ কখনো সিংহ হতে পারে? একটা মানুষ আর অন্যটা জন্তু, কেউ কারো মত হতে পারেনা। অর্থাৎ তুলনা করা যাচ্ছে না। তার মানে যেহেতু তুলনা করা যাচ্ছেনা, অতএব এটি উপমিত কর্মধারয় সমাস। চন্দ্রমুখ শব্দটি কোন সমাস? খেয়াল করুন মুখ কি কখনো চাঁদের মত হতে পারে, নাকি চাঁদ কখনো মুখের মত হতে পারে? কোনোটাই কোনটার মত হতে পারেনা। অর্থাৎ তুলনা করা যাচ্ছে না। তার মানে যেহেতু তুলনা করা যাচ্ছেনা, অতএব এটি উপমিত কর্মধারয় সমাস।

এটিও অন্যভাবে মনে রাখা যায়। উপমিত মানে Noun+ Noun. যেমন -পুরুষসিংহ শব্দটির পুরুষ ও সিংহ দুটোই Noun। অর্থাৎ Noun+ Noun। একইভাবে চন্দ্রমুখ শব্দটির চন্দ্র ও মুখ দুটিই Noun । অর্থাৎ Noun+ Noun। অতএব । অর্থাৎ Noun+ Noun= উপমিত কর্মধারয় সমাস। "রুপক কর্মধারয় সমাস। এটিও খুব সোজা। রুপ- কথাটি থাকলেই রুপক কর্মধারয়। যেমনঃ বিষাদসিন্ধু -এটি কোন সমাস? বিষাদসিন্ধু কে বিশ্লেষণ করলে হয় “বিষাদ রুপ সিন্ধু “। যেহেতু এখানে রুপ কথাটি আছে, অতএব এটি রুপক কর্মধারয় সমাস। একইভাবে মনমাঝি -মনরুপ মাঝি, ক্রোধানল -ক্রোধ রুপ অনল, এগুলো ও রুপক কর্মধারয় সমাস, যেহেতু রুপ কথাটা আছে।

বাংলা ব্যাকরণ এর নিয়মানুসারে ব্যাকরণ বুঝতে গেলে বিসিএস বা অন্য কোন চাকরির জন্য আর প্রস্তুতি নেয়াটা অনেক কঠিন হয়ে যাবে। কারণ বইতে যে ভাষায় ব্যাখ্যা করা আছে তা বুঝা আর এভারেস্ট জয় করা সমান কথা। তাই চেষ্টা করলাম সহজ ভাষায় উপস্থাপন করতে।
#টেকনিকে_পড়তে ভালো লাগে?নতুন টেকনিক এর সকল পোস্ট পেতে চাইলে গ্রুপের সাথেই থাকুন এক একটা নতুন টেকনিক দেওয়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।

কার্টেসিঃ মালিহা জান্নাত
আমাদের গ্রুপ (ফ্রি সেবামূলক কার্যক্রম)
_____________
°°°°°°°°°°°°°°°°

20/05/2020

Address

Ashulia
Dhaka
1345

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladeshi Mobile Operators 2G/3G News & offers posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share