09/04/2023
ইনি হলেন ফার্স্ট জেনারেশন কিউবান-আমেরিকান সাবরিনা পাস্টারস্কি। তিনি হাই এনার্জি ফিজিক্সের ৩০ বছর একজন তত্বীয় পদার্থবিদ। এই ৩০ বছর বয়সের মধ্যেই কানাডার বিশ্বখ্যাত পেরিমিটার ইনস্টিটিউটের রিসার্চ অধ্যাপক। তাকে অধ্যাপক হতে সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক ইত্যাদির সিঁড়ি পার হতে হয়নি।
এই মেয়েটির বয়স যখন মাত্র ১৪ বছর সেই বয়সেই একটি বিমানের ইঞ্জিন কীভাবে তৈরি করতে হয় তা জানতেন৷ ১৬ বছর বয়সে, তিনি নিজের তৈরি করা বিমানে ভ্রমণ করার জন্য সর্বকনিষ্ঠ ব্যক্তি হয়েছিলেন৷ অতি-বুদ্ধিমান শিশুদের জন্য শিকাগোতে একটি স্কুল আছে যার নাম Edison Regional Gifted Center! সাবরিনা সেই স্কুলে পড়েছিলেন।
কত শত মেধাবীর মেধা আমরা প্রতিনিয়ত গলা টিপে হত্যা করছি তার কোন হিসাব নেই।
সাবরিনা পাস্টারস্কি এমআইটি থেকে আন্ডারগ্রাজুয়েট করেন, হার্ভার্ড থেকে পিএইচডি করেন, এবং প্রিন্সটনে পোস্ট-ডক করেন। বর্তমানে সাবরিনা প্যাস্টারস্কি পদার্থবিজ্ঞানের অন্যতম চ্যালেঞ্জিং বিষয় অধ্যয়ন করেছেন: ব্ল্যাক হোল, মহাকর্ষের প্রকৃতি এবং স্থান-কাল। অনেকেই তাকে "নতুন আইনস্টাইনের" তুলনা করেন। ২০১৩ সালে, তিনি দুই দশকের মধ্যে প্রথম মহিলা যিনি MIT থেকে তার ক্লাসের শীর্ষে পদার্থবিদ্যায় ডিগ্রি নিয়ে স্নাতক হন। ২০১৬ সালে প্রকাশিত তার একটি আর্টিকেল নিয়ে স্টিফেন হকিং তার কাজের উল্লেখ করেছেন বেশ কয়েকবার। অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস তার ছবি সম্বলিত একটি ফ্যানের টি-শার্ট পরেছিলেন এবং তাকে "blue origin" এ কাজ করার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তার মতে, তিনি যেখানে খুশি সেখানে কাজ করবেন, তার সেই মানসিকতা থাকা গুরুত্বপূর্ণ। নাসাও তাকে একই ধরনের প্রস্তাব দিয়েছিল। তিনি উভয় সংস্থাকে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন, কোনো চাপ ছাড়াই আপাতত তিনি বৈজ্ঞানিক কাজে মনোনিবেশ করতে চান। জায়ান্টদের ফিরিয়ে দিতে, অর্থের লোভের উর্ধে উঠতে বুদ্ধি এবং হেডম দুটোই লাগে।
আমাদের উচিত প্রচন্ড বা ব্যতিক্রমী মেধাবীদের খুঁজে বের করে তাদের জন্য একটা বিশেষ স্কুল বানানো যেখানে তাদের grooming করানো হবে।
#ধার করা পোস্ট।