Tania Ahmed

Tania Ahmed Assalamualaikum! I’m Tania Ahmed. Welcome to my page! I’ll be sharing bits of my daily life, experiences, cooking, and travel.
(1)

I hope to inspire and connect with you through my stories and adventures🇧🇩

"আসহাবে কাহাফের যুবকরা কোনো সুপারহিরো ছিল না, তারা ছিল সাধারণ মানুষ যারা কেবল একটি অসাধারণ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল আর তা হলো আ...
12/10/2026

"আসহাবে কাহাফের যুবকরা কোনো সুপারহিরো ছিল না, তারা ছিল সাধারণ মানুষ যারা কেবল একটি অসাধারণ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল আর তা হলো আল্লাহর জন্য নিজের আরাম বিসর্জন দেওয়া। যখন আপনি আল্লাহর জন্য কোনো কিছু ত্যাগ করেন, আল্লাহ তখন পুরো মহাবিশ্বকে আপনার জন্য অনুগত করে দেন।"

© নোমান আলী খান

🤍💙🤍
07/10/2026

🤍💙🤍

অন্যের জীবনে যা ঘটছে, তা দেখে নিজের জীবনকে ছোট মনে করবেন না। কেউ আপনার আগেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, কেউ বিয়ে করেছে, কেউ ভালো চ...
30/09/2026

অন্যের জীবনে যা ঘটছে, তা দেখে নিজের জীবনকে ছোট মনে করবেন না। কেউ আপনার আগেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, কেউ বিয়ে করেছে, কেউ ভালো চাকরি পেয়েছে, কেউ নিজের স্বপ্ন পূরণ করছে– আর আপনি হয়তো এখনো অপেক্ষার ঘরে বসে আছেন।
আপনার মনে হচ্ছে, “আপনি পিছিয়ে পড়ছেন।”

কিন্তু মনে রাখবেন, জীবন কোনো দৌড় নয় যে সবাইকে একই সময়ে একই জায়গায় পৌঁছাতে হবে। কারও সকাল আগে আসে, কারও বিকেল একটু দেরিতে নামে।

আপনি যে দরজাটা খুলতে পারছেন না, হয়তো তার ওপাশে আপনার জন্য কল্যাণ নেই। আর যে দরজার সামনে আপনাকে অপেক্ষা করানো হচ্ছে, হয়তো সেখানেই আপনার জীবনের এমন কিছু লেখা আছে, যা আজ আপনি কল্পনাও করতে পারছেন না। অন্যের প্রাপ্তি দেখে নিজের নিয়ামতকে তুচ্ছ করবেন না। অন্যের সময় দেখে নিজের সময়কে অভিশাপ দেবেন না।

হয়তো আজ আপনি চুপচাপ কাঁদছেন এবং ভাবছেন– “আমার জন্য কেন কিছু হচ্ছে না?”
অথচ আল্লাহ আপনার জন্য এমন কিছু লিখে রেখেছেন, যার জন্য একদিন আপনি অতীতের প্রতিটি অপেক্ষাকে ভালোবেসে ফেলবেন এবং তখন খুশি হয়ে যাবেন।

তাই একটু সবর করুন। বেশি বেশি দু'আ করুন ও সৎভাবে চেষ্টা অব্যাহত রাখুন। এবং আল্লাহ তা'আলার প্রতি বিশ্বাস রাখুন– নিশ্চয় আল্লাহ উত্তম পরিকল্পনাকারী!

©মাহমুদুল হাছান

২০২৬ - খুব অল্প কিছু মানুষ মিরাকলের মধ্যে জীবন কাটাচ্ছেন। তাদের কীভাবে সহজে চিনবেন জানেন?সত্যি বলতে, এখন আমাদের জীবনের d...
29/09/2026

২০২৬ - খুব অল্প কিছু মানুষ মিরাকলের মধ্যে জীবন কাটাচ্ছেন।

তাদের কীভাবে সহজে চিনবেন জানেন?

সত্যি বলতে, এখন আমাদের জীবনের default state-ই হয়ে গেছে distraction।

তাই এই সময়ে কাউকে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতে দেখাটাই আমার কাছে বিশেষ কিছু।

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নিয়মিত আদায় করতে হলে জীবনের অনেকগুলো dependent variable একসাথে align করতে হয়।

আজানের সাথে নামাজ এবং জামাত ঠিক রাখা শুধু time management না।

এটা আল্লাহর ইচ্ছার বিষয় ।

এজন্যই এটা rare।
এজন্যই এটা powerful।
এজন্যই এটা miraculous।

আল্লাহকে স্মরণ করতে পারাটাই একটা gift আল্লাহর পক্ষ থেকে।

আর আল্লাহ যাকে চান, তাঁকে স্মরণ করার সুযোগ দেন।

আপনি যদি কাউকে তার নামাজ নিয়মিত মসজিদে আদায় করতে দেখেন,

তাহলে আপনি আপনার সামনে দুনিয়ার বুকে হেঁটে বেড়ানো একটা miracle দেখছেন।

বিশ্বাস করতে একটু কষ্ট হবে কিন্তু এটাই বাস্তব ।

© জিয়াউর কাদের

28/09/2026

আপনার লাশের গোসলের সাবানটা দিয়ে আর কেউ কখনো গোসল করবে না, সাবানটা ফেলে দেওয়া হবে।

যে বিছানায় মারা যাবেন, সেই বিছানার চাদর বালিশের কভার আপনার পরিবারের লোকজন আর ব্যবহার করবে না।

মানুষের লাশ এতটাই অস্পৃশ্য অশুচি।

আপনার লাশকে আপনার ঘরেই আর ঢুকতে দেওয়া হবেনা। বাইরে চকিতে বা খাটিয়াতে ফেলে রাখা হবে।
সামান্য সময়ের ব্যবধানে আপনার স্মৃতিও মুছে যাবে মানুষের মন থেকে। কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে আপনার জানাযা পড়তে এসে অপেক্ষমান কত মানুষ মুখ লুকিয়ে দাঁত কেলিয়ে হাসবে, আপনি যদি দেখতেন!

দুই প্রজন্ম পরে আপনার কবরের চিহ্নটুকুও আর অবশিষ্ট থাকবেনা। দাদার বাবার কবরটা চেনে বা জানে, এরকম মানুষ খুব একটা পাইনি আমি।

একশো বছর আগে আমার জায়গায় কে ছিল, আমি জানিনা, এই সম্পদ কার ছিল জানা নাই। একশো বছর পরে কার হবে, তাও জানিনা, কে থাকবে এখানে তাও জানা নাই। এই তো জীবন....

© মাঈদুল ইসলাম শুভ

‘‘সর্ববৃহৎ পাপ হচ্ছে, আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা, তাঁর শাস্তি থেকে নিজেকে নিরাপদ ভাবা এবং তাঁর রহমত থেকে নিরাশ হওয়া।’’ ...
25/09/2026

‘‘সর্ববৃহৎ পাপ হচ্ছে, আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা, তাঁর শাস্তি থেকে নিজেকে নিরাপদ ভাবা এবং তাঁর রহমত থেকে নিরাশ হওয়া।’’

— আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রা.)
(আব্দুর রাজ্জাক, ১৯৭০১)

ইয়া আল্লাহ,আপনি ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নাই। আপনি ছাড়া আমার কোনো সাহায্যকারী নাই, অভিভাবক নাই, আশ্রয়স্থল নাই, রক্ষাকারী নাই,...
15/09/2026

ইয়া আল্লাহ,
আপনি ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নাই।
আপনি ছাড়া আমার কোনো সাহায্যকারী নাই, অভিভাবক নাই, আশ্রয়স্থল নাই, রক্ষাকারী নাই, পথপ্রদর্শক নাই।
আপনি আমার প্রতি দয়া করুন, রহম করুন।

ইয়া হাইয়্যু, ইয়া কইয়্যূমু, ইয়া যুল্ জালা-লি ওয়াল ইকর-ম।

আপনি ব্যতীত কোনো সত্য ইলাহ নেই, মুহাম্মাদ ﷺ আপনার প্রেরিত সর্বশেষ রাসূল। আপনি আমার গুনাহগুলো মাফ করে দিন, আমার পিতামাতার গুনাহগুলো মাফ করুন, আমাকে এবং আমার বংশধরদের সালাত আদায়কারী বানিয়ে দিন।

আমাকে দুনিয়া এবং আখিরাতের সকল কল্যাণ দান করুন।
আমাকে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত করুন।
কৃতজ্ঞ বান্দাদের মাঝে শামিল করে নিন।
আমাকে হিদায়াত দিন, আপনার অনুগ্রহ ও নি'আমতপ্রাপ্তদের পথে অটল রাখুন।

হে মহান আরশের অধিপতি,
আপনি আমার দুয়া কবুল করুন, আপনি আমার প্রতি রহম করুন, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন।

© মাহমুদ হাসান

তাওয়াক্কুল মানে কি সবকিছু আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিয়ে চুপচাপ বসে থাকা? নাকি নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করার পর ফলাফলের দায়িত্ব আল্ল...
09/09/2026

তাওয়াক্কুল মানে কি সবকিছু আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিয়ে চুপচাপ বসে থাকা?

নাকি নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করার পর ফলাফলের দায়িত্ব আল্লাহর হাতে ছেড়ে দেওয়া?

জীবনে আমরা অনেক কিছু নিয়ন্ত্রণ করতে চাই। চাকরি, ব্যবসা, সম্পর্ক, ভবিষ্যৎ, এমনকি কখন কী ঘটবে সেটাও। কিন্তু জীবনের কিছু পরিস্থিতি এমন আসে, যেখানে আমাদের হাতে আর কিছুই থাকে না।

আপনজনের মৃত্যু, বিবাহবিচ্ছেদ, ব্যবসায় বড় ক্ষতি কিংবা মিথ্যা কোনো মামলায় জড়িয়ে পড়া, এসব পরিস্থিতিতে তখন আসল পরীক্ষা হয় আমাদের তাওয়াক্কুলের।

সেই সময় পরিস্থিতির দিকে শুধু মানুষের চোখে তাকালে ভয় আর হতাশা আসতে পারে। কিন্তু একজন মুমিন চেষ্টা করবে ‘ওয়াকিলের দিক’ থেকে বিষয়টাকে দেখতে।

যিনি আমাকে এই পরিস্থিতিতে ফেলেছেন, তিনিই আমার অভিভাবক। তিনিই জানেন কেন এটা ঘটেছে এবং তিনিই জানেন কীভাবে আমাকে এখান থেকে বের করে আনতে হবে।

ইউসুফ (আ.) নিজের ইচ্ছায় কারাগারে যাননি। ইব্রাহিম (আ.) নিজের ইচ্ছায় আগুনে নিক্ষিপ্ত হননি। ইউনুস (আ.)-ও নিজের ইচ্ছায় মাছের পেটে যাননি।

কিন্তু তাদের জীবনের প্রতিটি কঠিন পরিস্থিতির পেছনে আল্লাহর হিকমাহ ছিল। তাই এমন কোনো অবস্থায় পড়ে গেলে, যা আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে, তখন অস্থির না হয়ে বিশ্বাস রাখতে হবে যে আল্লাহর পরিকল্পনার ভেতরেও কল্যাণ রয়েছে।

তাওয়াক্কুলের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিজের সীমাবদ্ধতা বুঝতে পারা। আমরা অনেক সময় মনে করি, সবকিছু আমাদের পরিকল্পনা, বুদ্ধি আর পরিশ্রমের ওপর নির্ভর করে।

কিন্তু বাস্তবতা হলো, আল্লাহ চাইলে এমন জায়গা থেকেও রিযিক বা সাহায্য দিতে পারেন, যার কোনো বাহ্যিক কারণ আমরা দেখতে পাচ্ছি না।

মরিয়ম (আ.)-এর কাছে রিযিক আসার ঘটনা কিংবা ইব্রাহিম (আ.)-এর স্ত্রীকে সন্তান দান করার মতো ঘটনাগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয়, আল্লাহ কোনো মাধ্যম ছাড়াও চাইলে তাঁর বান্দাকে দিতে পারেন।

তবে এর অর্থ এই নয় যে তাওয়াক্কুল করে আমরা কোনো কাজই করব না।

রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর জীবন দেখুন। যুদ্ধের আগে তিনি প্রস্তুতি নিয়েছেন, সৈন্যদের সাজিয়েছেন, কৌশল নির্ধারণ করেছেন এবং প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।

পাখিদের কথাও রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাদের তাওয়াক্কুলের সুন্দর একটি উদাহরণ হিসেবে শিখিয়েছেন। তারা সকালে খালি পেটে বাসা থেকে বের হয় এবং সন্ধ্যায় ভরা পেটে ফিরে আসে।

পাখিরা বসে থেকে রিযিকের অপেক্ষা করে না। তারা বের হয়, চেষ্টা করে, খাবার খোঁজে। কিন্তু তারা আগামীকাল কী খাবে, সেটা নিয়ে আজ অস্থির হয়ে পড়ে না।

আমাদের জীবনেও ঠিক এমনটাই দরকার। নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে, প্রয়োজনীয় সব মাধ্যম গ্রহণ করতে হবে, কিন্তু মনে রাখতে হবে, কোনো মাধ্যমই নিজে থেকে আমাকে সফল করতে পারে না।

আমার সিভি, আমার ব্যবসা, আমার চাকরি, আমার পরিচিত মানুষ কিংবা আমার পরিকল্পনা, কোনোটিই ফলাফল দেওয়ার মালিক নয়। এগুলো শুধু মাধ্যম। ফলাফল দেওয়ার ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহর হাতে।

অনেক সময় আমরা মানুষ বা কোনো মাধ্যমের ওপর এত বেশি নির্ভর করতে শুরু করি যে, অজান্তেই আল্লাহর চেয়ে সেটাকেই বেশি ভরসার জায়গা বানিয়ে ফেলি।

তখন কোনো কোনো সময় সেই মাধ্যমই আমাদের হতাশ করে। যেন আল্লাহ আমাদের বুঝিয়ে দেন, আসল ভরসার জায়গা মানুষ নয়, কোনো ব্যবস্থা নয়, একমাত্র তিনিই।

তাই তাওয়াক্কুল হলো চেষ্টা ছেড়ে দেওয়া নয়। বরং সর্বোচ্চ চেষ্টা করার পর নিজের হৃদয়কে ফলাফলের দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত করে আল্লাহর ওপর ছেড়ে দেওয়া।

কারণ যে বিপদ আপনার জন্য নির্ধারিত, তা আপনাকে এড়িয়ে যাবে না। আর যা আপনার জন্য নির্ধারিত নয়, আপনি যতই চেষ্টা করুন, তা আপনার কাছে আসবে না।

সুতরাং চেষ্টা আপনার দায়িত্ব। ফলাফল আল্লাহর দায়িত্ব।

আর প্রকৃত সুখ তখনই আসে, যখন মানুষ নিজের সাধ্যের মধ্যে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে এবং তারপর আল্লাহ তাকে যা দিয়েছেন, তাতে সন্তুষ্ট থাকতে শেখে।

(লেখাটি 'How To Truly Have Tawakkul — Trusting Allah Through Every Test' লেকচার অবলম্বনে)

©আরিফুল ইসলাম

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:  "তিনটি জিনিস আছে যা মানুষকে ধ্বংস করে দেয়" সেই ৩ টা ধ্বংসকারী জিনিস:১. অতি কৃপণতা    অর্থ: টাকা-প...
08/09/2026

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
"তিনটি জিনিস আছে যা মানুষকে ধ্বংস করে দেয়"

সেই ৩ টা ধ্বংসকারী জিনিস:

১. অতি কৃপণতা
অর্থ: টাকা-পয়সা, জ্ঞান, সাহায্য কোনো কিছুই আল্লাহর রাস্তায় খরচ না করা। শুধু নিজের জন্য জমিয়ে রাখা। এটা মানুষের দিলকে কঠিন করে দেয়।

২.খেয়াল-খুশির অনুসরণ করা
অর্থ: আল্লাহর হুকুম বাদ দিয়ে নিজের মন যা চায় তাই করা। হালাল-হারাম না দেখে প্রবৃত্তির দাস হয়ে যাওয়া।

৩.নিজের প্রতি মুগ্ধতা
অর্থ: নিজেকে অনেক বড় মনে করা। "আমি সবচেয়ে ভালো, আমার মতো কেউ নাই" এই অহংকার। এটাকে আরবিতে উজব বলে।

রেফারেন্স: সিলসিলা সহীহাহ
হাদিস: ১৮০২

06/09/2026

দুনিয়াতে কেউই ষোলোআনা আপন হয় না। একজনই আছেন, যাকে আপন করতে পারলে তিনি কখনো পর হন না। তিনি আমাদের সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ।

ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (র.)

Address

Dhaka
1230

Telephone

+8801788670728

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tania Ahmed posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Tania Ahmed:

Shortcuts

Share