কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং - Computer Engineering

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং - Computer Engineering

কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং - Computer Engineering # University Automation System
# Medical College Automation System
# Hospital Hanagement System
# ERP
Website Our slogan is 'Believes in novelty. "_"/

FOUR Pi IT, a company proposed by a team of self motivated young IT & ICT professionals and business specialists to render highly sophisticated, value-based and quality services in the field of Information Technology to the community as a whole. We believes in customer satisfaction and deliver the finest tuned web based solutions to our clients. Our team works to ensure the highest quality full wo

rk to our customers. We give our services to reduce headache and investment of our customers. We are committed to provide world-class web based solution to our customers and help to build a modern web based global infrastructure. We develop & design Static and dynamic websites, Web Portals, Online Stores, Online Human Resource Solution, Web Based applications for local & International Market with the existing IT resources. We have USA based Powerful Web Hosting Server to ensure the finest tuned Hosting solution for our clients. We have also have the Domain Registration service for our customers. We don’t believe in words, we just believe in the highest service quality. Please feel free to contact with us to know any kind of information about our services. We are just a call away from you.

23/07/2017

রেজাল্টের জন্য রোল নাম্বার, রেজিস্ট্রেশন নাম্বার আর বোর্ডের নাম সহ কমেন্টে জানান।

আজকাল দেখা যায় সবারই একই সমস্যা হয়.. চোখ নিয়ে... সারারাত একটানা কম্পিউটার এর স্ক্রিন এ তাকিয়ে থাকলে সমস্যা হবেই। .. তাই ...
02/12/2016

আজকাল দেখা যায় সবারই একই সমস্যা হয়.. চোখ নিয়ে... সারারাত একটানা কম্পিউটার এর স্ক্রিন এ তাকিয়ে থাকলে সমস্যা হবেই। .. তাই আমি সবাইকে রিকমেন্ড করতে চাচ্ছি এই সফটওয়্যার। . এটার কাজ হলো কম্পিউটার এর স্ক্রিনের নীল আলো ফিল্টার করা।
:-)

Software to warm up your computer display at night, to match your indoor lighting.

05/11/2016

জেনে নিন Basic Disks এবং Dynamic Disks কি ও এদের ব্যবহার

আজ আমি যে বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করব তা Hard Disk Managment নিয়ে। আমরা তো কম বেশি সবাই কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকি। আর আমরা যে কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকি তার মূল্যবান একটি অংশ হল HARD DISK অনেকগুলোর মধ্যে থেকে। কিন্ত আপনি এই Hard Disk -এর Management কিভাবে করেন ? অনেকে হয়ত বলবেন এটা আবার কি কথা? Partition করে Format করব তারপর মনের মত করে এর ব্যবহার করব। ঠিক আছে আপনি আপনার Hard Disk, আপনার মনের মত করে ব্যবহার করেন। কিন্তু আপনি আপনার Hard Disk আপনার মনের মত করে ব্যবহার করার আগে, Hard Disk Management এর বিষয়ে যদি পরিষ্কার ধারনা থাকে তাহলে হয়ত খারাপ হবে না। আসুন তাহলে সবাই মিলে জেনে নিই Hard Disk Management কি ও তার ব্যবহার।

Hard Disk Management সাধারণত দুই ধরণের হয়ে থাকে। Basic Disks এবং Dynamic Disks. আমরা সাধারণত সবাই Basic Disk ব্যবাহার করে থাকি। এর কারণ হল, আমরা যখন প্রথম Windwos xp,vista,seven সেটাপ দিয়ে থাকি তখন নিজ থেকে Basic Disk ব্যবহার করা হয়। বিশ্বাস না হলে আপনার ডেস্কটপ থেকে My computer এর উপর Right Mouse Click করে Manage ->Disk management এ দেখুন আপনার Hard Disk "Basic Mode" আছে।

এই Basic Disk এর উপকারিতা কি কি ?

এটি দিয়ে আপনি ৪টি Partition করতে পারবেন। এই ৪ টি Partition এর মধ্যে আপনি ৩ টি Partition করতে পারবেন Primary এবং একটি করতে পারবেন Extended Partition. আর এই Extended Partition এর সাহায্যে আপনি আরো অনেক Partition করতে পারবেন। আপনি ইচ্ছে করলে একটি Primary Partition করে বাকীগুলো Extended Partition করতে পারবেন। তবে মনে রাখা ভাল, Primary Partition -এ কোন ধরণের নতুন Partition করা যাবে না।

এইবার আসুন Dynamic Disk-এ

এই Dynamic Disk সাধারণত Advanced User এবং প্রয়োজনে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। Basic Disk থেকে এই Disk-এ অনেক ভিন্নতা রয়েছে। তা হলঃ

Simple Volume(Partition কে Volume বলা হয়) - এই অপশনটি Basic Disk এর মত কাজ করে

Spanned Volume - এই অপশন এর সাহায্যে আপনি দুইটি Hard Disk মিলিয়ে একটি Partition করতে পারবেন। এর সুবিধা হল এটি দুইটি Hard Disk থেকে সমপরিমাণ জায়গা নিয়ে একটি Partition করে। আর যখন প্রথম Hard Disk-এর জায়গা শেষ হয়ে যায় তখন সে দ্বিতীয় Hard Disk ব্যবহার করে।

Stripped Volume - এই অপশন এর সাহায্যে আপনি অনেকগুলো Hard Disk(Minimum 2) একসাথে করে একটি করে Partition করা যায়। এর সুবিধা হল, এটি একটি ফাইলকে সমান দুই ভাগে ভাগ করে দুইটি Hard Disk-এ সংরক্ষন করে। যেমন ঃ ধরুন আপনি একটি ৫০০ মেগাবাইটের ফাইল সেভ করবেন এই Volume এর মধ্যে। তাহলে আপনার ঐ ফাইলটিকে প্রথমে দুইভাগে ভাগ করে (ভাগ করলে হয় ২৫০ মেগাবাইট) ২৫০ মেগাবাইট রাখবে প্রথম Hard disk-এ এবং পরের ২৫০ মেগাবাইট রাখবে দ্বিতীয় Hard Disk-এ।

Mirrored Volume -এই অপশন ব্যবহার করা হয় মূলত দুটি একই ধরণের Simple Volume -কে কপি করে অন্য একটি Hard Disk-এ সেভ করার জন্য। এর কারণ হল, যদি কোন কারণে আপানার Hard Disk Crashed করে থাকে, তাহলে সে এইখান থেকে আপনাকে Backup দিতে পারবে।

এছাড়া আরো বিস্তারিত তো আছে যেমন Basic Disk এবং Dynamic Disk ভিন্নতা সহ এইখানে

আপনাদের কম্পিউটার বিষয়ে যে কোন সম্যসা আমাকে জানাতে পারেন

31/10/2016
26/10/2016

পিসি বারবার রিস্টার্ট নিলে করনীয়-
==================
কম্পিউটারের জরুরী কোন কাজ করার সময় যদি কম্পিউটার রিস্টার্ট নেয় তাহলে বিরক্তির শেষ থাকে না। আবার বারবার পিসি রিস্টার্ট নিলে পিসিতে কাজ করাও সম্ভব হয় না। এর ফলে জরুরী ফাইল নষ্ট হয়েও যেতে পারে।

বারবার পিসি রিস্টার্ট নেবার কারন না জানার চেষ্টা করে কিংবা সমস্যার সমাধান না করে জোর করে পিসি অন রাখার চেষ্টা করলে হার্ডওয়্যার পুড়ে যাওয়া সহ অনেক বড় ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে। নিচে কিছু সম্ভাব্য সমস্যা ও সমস্যার সমাধান সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

► কুলিং সিস্টেমে সমস্যা :
প্রসেসরের কুলিং সিস্টেম যদি কাজ না করে কিংবা প্রসেসর প্রয়োজনমত ঠান্ডা না হয়ে ওভারহীট হলে পিসি রিস্টার্ট নেয় । সেক্ষেত্রে কুলিং সিস্টেমটি পরিবর্তন করতে হবে।

► পাওয়ার সিস্টেমে সমস্যা :
পাওয়ার সিস্টেম হতে মেইনবোর্ড প্রয়োজনী পাওয়ার বা বিদ্যুৎ না পেলে পিসি রিস্টার্ট নেয় । এক্ষেত্রে আপনার পিসির পাওয়ার সিস্টেমটি পরিবর্তন করে দেখুন।

► অপারেটিং সিস্টেমে সমস্যা:
অপারেটিং সিস্টেমে সমস্যা দেখা দিলে বা অপারেটিং সিস্টেম ক্র্যাশ করলে পিসি রিস্টার্ট নেয় । এক্ষেত্রে মাই My Computer-এ ডান ক্লীক করে properties থেকে Advanced tab /Start up and Recovery /Settings অপশনে যেয়ে System Failure অপশনের অর্ন্তগত Automatically Restart অপশন থেকে টিক চিহ্ণ উঠিয়ে ok করুন।

► ভাইরাসের আক্রমন :
ভাইরাসের কারনেও পিসি রিস্টার্ট নিতে পারে । এজন্য পিসিতে একটি ভালো মানের এ্যন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন এবং ব্যবহৃত এ্যন্টিভাইরাসটি সবসময় আপডেটেড রাখুন।

► হার্ডওয়্যার সমস্যা :
নতুন কোন হার্ডওয়্যার সংযুক্ত করলে এবং সেটি পিসির সাথে অসামাঞ্জস্য হলে পিসি রিস্টার্ট নিতে পারে । পুরোনো হার্ডওয়্যারের সংযোগে ক্রুটি দেখা দিলে পিসি অহেতুক রিস্টার্ট নিতে পারে । এজন্য হার্ডওয়্যারের সংযোগ স্থান এবং হার্ডওয়্যার চেক করে দেখুন ঠিক আছে কি না ।

► নতুন প্রোগ্রাম ইনস্টল :
নতুন সফটওয়্যার, গেমস ইনস্টল করার কারনে পিসি রিস্টার্ট নেয় । পিসির কনফিগারেশনের সাথে যদি সফটওয়্যার বা গেমস সাম্যঞ্জস্যপূর্ন না হয় তাহলেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই প্রোগ্রাম ইনস্টল করার সময় ভালকরে দেখে নিন ঐ প্রোগ্রাম চালনার জন্য পিসির কি কনফিগার প্রয়োজন ।

► হার্ডডিস্কের ব্যাড সেক্টর :
হার্ডডিস্কে ব্যাড সেক্টর থাকলে পিসি রিস্টার্ট নিতে পারে । ব্যাড সেক্টরের কারনে হার্ডডিস্ক ডাটা রিড করতে পারে না। এর ফলে পিসি হ্যাং অথবা রিস্টার্ট হতে পারে । এজন্য হার্ডডিস্ক ইউটিলিটি দিয়ে ব্যাড সেক্টর জনীত সমস্যা দূর করতে পারেন।

► মাদারবোর্ডে সমস্যা :
যদি এর পরও পিসি রিস্টার্ট নিতে থাকে তাহলে বুঝতে হবে আপনার পিসির মেইনবোর্ডে কোন সমস্যা আছে। সেক্ষেত্রে দ্রুত আপনার পিসির মাদারবোর্ডটি পরিবর্তন করুন।

►লাইক দিয়ে পেইজে এক্টিভ
থাকুন◄

[বি: দ্র: নিয়মিত লাইক দেন ... না হলে কিছু দিন পরে আর আমাদের ট্রিপস আপনার ওয়ালে দেখাবে না।]

26/10/2016

21 টি কম্পিউটার টিপস্
টিপস ▬ 1
পেনড্রাইভ/মেমোরী কার্ডে লুকানো থাকা ফাইল উদ্ধার করার জন্য search option গিয়ে “.” শুধু ডট লিখে search দিন। সব ফাইল চলে আসবে।
টিপস ▬ 2 কম্পিউটার হয়ে যাক আরও গতিশীল
১> GO “ RUN “ – tree লিখে এন্টার করুন।
২> GO “ RUN “ – prefetch লিখে এন্টার করুন।( একটা নতুন উইন্ডো আসবে সব ফোল্ডার এবং ফাইল ডিলিট করুন।
৩> GO “ RUN “ – temp লিখে এন্টার করুন। এখন টেম্পোরারী ফাইল গুলো ডিলিট করুন।
৪> GO “ RUN “ – %temp% লিখে এন্টার করুন। এখন টেম্পোরারী ফাইল গুলো ডিলিট করুন।
প্রতিটা ড্রাইভের উপর মাউসের রাইট বাটুন ক্লিক করুন তারপুর প্রপারট্রিজ এ ক্লিক করুন ডিস্ক ক্লিনআপ এ ক্লিক করুন। আশা করি আপনার কম্পিটার এ অনেক গতি বেড়ে যাবে। পুরাতন কম্পিউটার এর জন্য বেশী কার্যকরী।
টিপস ▬ 3 Computer কেন এবং কিভাবে Hang হয়?
→ কম্পিউটারের প্রসেসরের মান বা কাজের তুলনায় স্পীড কম হলে ।
→ কম্পিউটার র্যামের তুলনায় বেশী পরিমাণ কাজ করলে।আপনার কম্পিউটার র্যাম এর পরিমাণ কম কিন্তু আপনি অনেক বড় বড় কয়েকটি প্রোগ্রাম চালু করলেন। তাহলে তো হবেই।
→ কম্পিউটার হার্ডডিক্স এর কানেকশন এবং প্রসেসরের কানেকশন ঠিকমত না হলে, বার বার একই সমস্যা হতে পারে
→ যদি বার বার হ্যাং হয় তাহলে Cooling Fan টা check করেন এটা স্পীডে গুরছে কিনা।
→ hard diskএ Bad sector থাকলে বা অন্য কোন হার্ডওয়্যারে ত্রুটি থাকলে।
→ অপারেটং সিস্টেমে ত্রুটি থাকলে মানে…কোনো সিস্টেম ফাইল file delete হয়ে যাওয়াকে বুঝায়। যার কারণে কম্পিউটারে সমস্যা হতে পারে।
→ কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে সাধারণত Hang হতে পারে।
এই কারণেই কম্পিউটারে বেশী Hangহয়। আর এই ভাইরাস অপারেটিং সিস্টেমের কিছু ফাইলের কার্যপদ্ধতিকে বন্ধ করে দেয় যার কারণে কম্পিউটার প্রয়ই হ্যাং হয়। কম্পিউটারে অতি উচ্চ মানের এন্টি ভাইরাস ব্যবহার করুন।
→ হাই গ্রাফিক্স সম্পন্ন গেইম চালালে তখন র্যাম সম্পূর্ণ লোড হয়ে যায় এবং hang হওয়ার সম্ভনা থকে।
→ কম্পিউটারের ফাইলগুলো এলোমেলোভাবে সাজানো থাকলে তার জন্য hang হওয়ার সম্ভনা থকে। refresh চাপেন এবং RUN এ গিয়ে tree চাপেন।
কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স ▬ 4
কিছু সময় পরপর Start থেকে Run-এ ক্লিক করে tree লিখে ok করুন। এতে র্যামের কার্যক্ষমতা বাড়ে।
কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স ▬ 5
Ctrl + Alt + Delete চেপে বা টাস্কবারে মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Task Manager খুলুন।তারপর Processes-এ ক্লিক করুন। অনেকগুলো প্রোগ্রাম-এর তালিকা দেখতে পাবেন। এর মধ্যে বর্তমানে যে প্রোগ্রামগুলো কাজে লাগছে না সেগুলো নির্বাচন করে End Process-এ ক্লিক করে বন্ধ করে দেন। যদি ভুল করে কোনো প্রোগ্রাম বন্ধ করে দেন এবং এতে যদি অপারেটিং সিস্টেম এর কোন সমস্যা হয় তাহলে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।
কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স ▬ 6
প্রতি সপ্তাহ একবার আপনার hard drive Defragment এবং disk cleanup করুন।(1. click start – all programs – accessori – system utility – Defragment drive utility
2. click start – all programs – accessori – disk cleanup)
কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স ▬ 7
পিসি সেফ মোডে চালু হলে কি করবেন?
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম স্বাভাবিকভাবে চালু হতে না পারলে অনেক সময় সেফ মোডে চালু হয়৷ সেফ মোড হলো উইন্ডোজের বিশেষ একটি অবস্থা যখন এটি একেবারে প্রয়োজনীয় ফাইল এবং ড্রাইভারসমূহ নিয়ে লোড হয়৷ বলা যেতে পারে ‘বিপদকালীন‘ অবস্থা যখন নূন্যতম রসদ দিয়ে প্রাণে বেচে থাকাটাই গুরুত্বপূর্ণ৷ সেফ মোডে উইন্ডোজ চালু হলে প্রাথমিক ভাবে রিস্টার্ট করে দেখা যেতে পারে পুনরায় স্বাভাবিকভাবে তা চালু হয় কিনা৷ বার বার করে ব্যর্থ হলে বুঝতে হবে সমস্যাটি গুরুতর৷ উইন্ডোজের কোনো গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের ক্ষতি বা হার্ডওয়ারের সমস্যার কারণে তা হতে পারে৷ কোনো নতুন হার্ডওয়্যার সেটিংস পরিবর্তনের ফলে যদি উইন্ডোজ বার বার সেফ মোডে চলে যায় তবে পূর্ববর্তী সেটিংসটি রিভার্স করে ফেলাই শ্রেয়৷ সেফ মোডকে এজন্য ডায়াগনিস্টিক মোডও বলা হয়৷ উইন্ডোজ চালু হওয়ার সময় F8 চাপলে যে মেনু আসে সেখান থেকে সেফ মোড চালু করা যেতে পরে৷ তবে আগেই বলা হয়েছে; এটি ডায়াগনিস্টিক মোড৷ এই মোডে বাড়তি কোনো কিছুই যেমন- সাউন্ড, প্রিন্টার, হাই কালার ডিসপ্লে ইত্যাদি কিছুই কাজ করবে না৷.
কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স ▬ 8
আপনার hard disk এ দুইটি partition করুন এবং সেকেন্ড পার্টিশনে Install করুন সব large Softwares (like PSP, Photoshop, 3DS Max etc). Windows এর জন্য আপনার C Drive যথাসম্ভব খালি রাখুন যাতে Windows RAM full হওয়ার পর আপনার C Drive কে virtual memory হিসেবে use করতে পারে।
কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স ▬ 9
আপনার পিসি পুরো বুট না হওয়া পযর্ন্ত কোন application open করবেননা।
কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স ▬ 10
যে কোন application close করার পর আপনার desktop F5 চেপে refresh করে নিন, যা আপনার পিসির RAM হতে unused files remove করবে।
কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স ▬ 11 ডেস্কটপ wallpaper হিসেবে very large file size image ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।
ডেস্কটপে অতিরিক্ত shortcuts রাখবেননা। আপনি জানেন কি ডেস্কটপে ব্যবহৃত প্রতিটি shortcut up to 500 bytes of RAM ব্যবহার করে।
কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স ▬ 12
প্রতিদিন আপনার ডেস্কটপের recycle bin Empty করে রাখুন। (The files are not really deleted from your hard drive until you empty the recycle bin.)
কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স ▬ 13
অনেক সময় PC’র র্যাম কম থাকলে PC slow হয়ে যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়িয়ে কিছুতা গতি বাড়ানো যায়। এর জন্য- My Computer এ মাউস রেখে right button ক্লিক করে properties-e যান। এখন advance এ ক্লিক করে performance এর settings এ ক্লিক করুন। আবার advance -এ ক্লিক করুন। এখন change এ ক্লিক করে নতুন উইন্ডো এলে সেটির Initial size ও Maximum size-এ আপনার ইচ্ছামত size লিখে set-এ ক্লিক করে ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন। তবে Initial size এ আপনার PC’র র্যামের দ্বিগুণ এবং Maximum size এ র্যামের চারগুন দিলে ভাল হয়।
কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স - 14
এ ছাড়াও কম্পিউটার ভাল রাখার কিছু টিপ্স জেনে নিন

১. প্রতি ১ বা ২ মাস পর পর কম্পিউটার খুলে সব parts মুছে নতুন করে লাগিয়ে দিন।
২. Ram খুলে পাতলা তুলো দ্বারা মুছে নতুন করে লাগিয়ে নিন।
৩. কম্পিউটারের উপর কোন ভারী কিছু রাখবেন না।
৪. রাতে ঘুমাবার সময় কম্পিউটার shut down করে দিন।
৫. বিদু্ৎ চলে গেলে যেন কম্পিউটার বন্ধ না হয়ে যায় সে জন্য UPS ব্যবহার করা উচিৎ।
৬. কম্পিউটার VIRUS দূর করার জন্য অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করা উচিৎ।
৭. কম্পিউটারকে আলো-বাতাসপূর্ণ জায়গায় রাখুন।
৮. প্রতিদিন মনিটর, বিশেষ করে LCD মনিটর একবার করে মুছে রাখবেন।
৯. অনেকে কম্পিউটার চলার সময়ও CPU-র উপর আলাদা পর্দা দিয়ে রাখেন, যাতে ময়লা প্রবেশ না করে। এতে আরও ক্ষতিই হয়।
১০. ওয়ালপেপার হিসেবে এমন ছবি সেট করুন, যা আপনার চোখকে আরাম দেয়। ওয়ালপেপার সাইজে যত ছোট হবে, আপনার কম্পিউটারের গতির জন্য ততই ভাল।
১১. নিয়মিত ‘কুলিং ফ্যান’ মুছে পরিষ্কার করে রাখুন।
কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স ▬15
কম্পিউটারের র্যা ম কম থাকলে কম্পিউটার ধীর গতির হয়ে যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়িয়ে কম্পিউটার গতি কিছুটা বাড়ানো যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়ানোর জন্য প্রথমে My computer-এ মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে properties-এ যান। এখন Advance-এ ক্লিক করে performance এর settings-এ ক্লিক করুন। আবার Advance-এ ক্লিক করুন। এখন change-এ ক্লিক করে নতুন উইন্ডো এলে সেটির Initial size ও Maximum size-এ আপনার ইচ্ছামত size লিখে set-এ ক্লিক করে ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন। তবে Initial size-এ আপনার কম্পিউটারের র্যা মের size-এর দ্বিগুন এবং Maximum size-এ র্যা মের size-এর চারগুন দিলে ভাল হয়।
কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স ▬ 16
যে কোন Software uninstall করার সময় ……কন্ট্রোল প্যানেলে যান। Add or Remove-এ দুই ক্লিক করুন। Add/Remove windows components-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটির বাম পাশ থেকে অদরকারি প্রোগ্রামগুলোর পাশের টিক চিহ্ন তুলে দিন। তারপর Accessories and Utilities নির্বাচন করে Details-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটি থেকে যে প্রোগ্রামগুলো আপনার কাজে লাগে না সেগুলোর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে OK করুন। এখন next-এ ক্লিক করুন। Successful meassage আসলে Finish-এ ক্লিক করুন।
কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স ▬ 17
প্রত্যেকবার কম্পিউটার অন করার সময় বিভিন্ন ড্রাইভ চেকিং অপশন আসে যেমনঃ- Checking Drive E:
কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স ▬ 18
Press any key to canceled এর সমাধান…..
>স্টার্ট থেকে রানে লিখুন সিএমডি (cmd) এবার এন্টার চাপুন।
>এরপর লিখুন সিএইচকেএনটিএফএস-স্পেস-ড্রাইভ লেটার (E:) স্পেস ব্যাকস্লাস(/)এক্স অর্থাতঃ (chkntfs E: /X) লিখে এন্টার দিন ব্যাস এবার কম্পিউটার রিস্টার্ট দিন।
কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স ▬ 19
তৈরি করুন একটি অদৃশ্য ফোল্ডার একটি New Folder তৈরি করুন, যখন New Folder লিখাটি নীল রং এ সিলেক্ট করা থাকবে তখন keyboard এর ডান পাশের Alt চেপে ধরে 0160 চাপুন, এবার Alt key থেকে আঙুল সরিয়ে নিন এবং Enter এ ক্লিক করুন। এবার দেখুন একটি নাম ছাড়া ফোল্ডার তৈরি হয়েছে । এখন এই নাম ছাড়া Folder এ mouse এর right buttome ক্লিক করে Properties এ যান, তারপর customize > change icon এ ক্লিক করুন, তারপর icon window থেকে একটি blank icon সিলেক্ট করুন এবং ok তে ক্লিক করুন। এবার দেখুন আপনি একটি অদৃশ্য Folder তৈরি করেছেন।
কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স ▬ 20
অনেক সময় START MENU SHOW করতে দেরি হয় বা LOCAL DISK এর যে কোন পেজ ওপেন করতে দেরি হয় যা খুব বিরক্তিকর। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নিচের পথ অনুসরন করুন। প্রথমে START MENU থেকে RUN এ ক্লিক করুন। তাতে REGEDIT.EXE লিখে OK করুন। REGISTRY EDITOR BOX আসবে, সেখান থেকে HKEY_CURRENT_USER ট্যাবে ক্লিক করুন তারপর সেখান থেকে CONTROL PANEL হয়ে DESKTOP ক্লিক করুন। DESKTOP এ ক্লিক করার পর ডান পাশের BINARY DATA হতে MENUSHOWDELAY তে ডাবল ক্লিক করুন। যে EDIT STRING BOX আসবে তা হতে VALUE DATA “0” করে OK করুন। তারপর কম্পিউটার RESTART করুন। দেখবেন আপনার কম্পিউটার আগের তুলোনায় দ্রুত গতি সম্পন্ন হয়েছে এবং LOCAL DISK পেজ OPEN হতে সময় কম নিচ্ছে।
কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স ▬ 21
কি বোর্ডের সাহায্যে চালু করুন কম্পিউটার
আমরা সাধারণত CPU-এর পাওয়ার বাটন চেপে কম্পিউটার চালু করি। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, পাওয়ার বাটনে কোনো সমস্যা থাকলে কম্পিউটার চালু করতে অনেক কষ্ট হয়। আমরা ইচ্ছা করলে CPU-এর পাওয়ার বাটন না চেপে কি-বোর্ডের সাহায্যে খুব সহজেই কম্পিউটার চালু করতে পারি। এর জন্য প্রথমে কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় কি-বোর্ড থেকে Del বাটন চেপে Bios-এ প্রবেশ করুন। তারপর Power Management Setup নির্বাচন করে Enter চাপুন। এখন Power on my keyboard নির্বাচন করে Enter দিন। Password নির্বাচন করে Enter দিন। Enter Password-এ কোনো একটি কি পাসওয়ার্ড হিসেবে দিয়ে সেভ (F10) করে বেরিয়ে আসুন। এখন কি-বোর্ড থেকে সেই পাসওয়ার্ড কি চেপে কম্পিউটার চালু করতে পারেন। এই পদ্ধতিটি গিগাবাইট মাদারবোর্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অন্যান্য মাদারবোর্ডেও এই পদ্ধতি পাওয়া যাবে।

23/10/2016

IPv4 আসলে কি ?
এটির পুরো নাম হলো Internet Protocol Version 4 . IVv4আসলে আমাদের ডিভাইসগুলোর IP number বহন করে । আসলে IP number টি কেন দেয়া হয় ?? একটু চিন্তা করুণ যে আপনার বাড়ির ঠিকানা চাইলে আপনি কি আমাদের দেন ?? নিশ্চই আপনার গ্রামের নাম, বাড়ির নাম্বার সাথে আপনার বাবার নাম সহ আমাদের দিয়ে থাকেন । ঠিক IP number টি ব্যবহার করা হয় আপনি যখন ইন্টারনেট ব্যবহার করেন । IP number দিয়েই শুধু আপনার ডিভাইসে প্রবেশ করা সম্ভব হয় । আর এই কারণে IP number ব্যবহার করা হয় । যাই হোক এটাতে আরও অনেক কিছু আছে আমি সেই দিকে না আর যাই । মেইন পয়েন্টে আসি ।
IPv4 চারটি Dotted decimal notation এ ভাগ করে থাকে। একটু খেয়াল করে দেখুন নিচের IPv4 example IP টি । ১৯২.১৬৮.২৩৯.১ এটি একটি IPv4 IP number এর উদাহরণ বা আপনার কম্পিউটারের একটি ডিফল্ট IP Number আছে তা হলো ১২৭.০.০.১ । একটু খেয়াল করে দেখুন কম্পিউটার কিন্তু শুধু মাত্র বাইনারীতেই পড়তে পারে। কিন্তু এখানে Decimal Number এ আছে । আসলে IP Number টি Decimal এ থাকলেও আপনার কম্পিউটার কিন্তু এটাকে বাইনারীতেই পড়তেছে ।
চারটি ভাগে ভাগ করেছে IPv4 Address টাকে । আর প্রতিটি Decimal সংখ্যাটিকে Binary তে রূপান্তর করলে ৮ বিট করে আমরা পাই । অর্থাৎ ৮ বিট = ১ বাইট হয় ।
এবার দেখেন আসল মজাটা কেন IPv4 ৩২ বিটের হয় ?
আপনারা দেখেছেন যে, প্রতিটি ভাগে ৮ বিট করে আছে । সেহেতু ৮ * ৪ = ৩২ বিট হয় । আর এই কারণেই মূলত IPv4 হচ্ছে ৩২ বিটের । হয়তো কিছুদিন পর IPv4 আর থাকবে না যখন বিপুল পরিমাণ ডিভাইস হবে । এটার IP address ধারণ ক্ষমতা অনেক কম IPv4 । মাত্র ২^৩২ = যা হয় :D ।

IPv6: এটিও একই রকম শুধু ভার্সন ৬ এটিকে বলে । এর কারণ হলো এটির IP address ধারণ ক্ষমতা অনেক বেশি IPv4 এর চেয়ে । এর কারণ হলো এর IP adress টি হবে এই রকম 2001:0db8:0000:0000:0000:ff00:0042:8329 । অর্থাৎ মোট ৮ টি গ্রুপ থাকবে কিন্তু প্রতি গ্রুপ হবে ১৬ বিটের । অর্থাৎ ৮ * ১৬ = ১২৮ বিটের । এই কারণেই IPv6 হয় ১২৮ বিটের । আর এর আইপি ঠিকানার ধারণ ক্ষমতা হবে অনেক অনেক বেশি IPv4 এর চেয়ে , ২^১২৮ = একটু হিসাব করে দেখেন । :P
IPv6 এখনো প্রস্তাবিত আছে । হয়তো আগামী কয় একবছরের মাঝে ওপেন হবে । ধন্যবাদ ।

20/10/2016

বাংলাদেশে প্রথম কবে কম্পিউটার আসে ?

20/10/2016

আমার ব্লগে কয়েকজন লেখক দরকার। যাদেরকে আমি বিভিন্ন টপিক বলে দিলে বাংলায় আর্টিকেল লিখে দেবে। শুদ্ধভাবে বাংলা লেখার অভ্যাস থাকতে হবে এবং অন্য কোনো বাংলা সাইট থেকে কপি-পেস্ট করা যাবে না। আগ্রহীরা আমাকে ইনবক্স করো। লেখাগুলো প্রকাশিত হবে http://blog.subeen.com -এ।

30/08/2016

কম্পিউটার বার বার রিস্টার্ট এর কারণ ও তার সমাধান

গুরুত্বপুর্ন কোন কাজ করার সময় হঠাৎ কম্পিউটার রিস্টার্ট নিলে তখন ভোগান্তির আর শেষ থাকেনা। তাই যেসব কারনে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয় সেসব করন খুজে বের করে সমাধান করলে এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তাহলে জেনে নিন কম্পিউটার রিস্টাটের কারন সমুহ ও তার সমাধান।

১) কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমন করলে হাঠৎ রিস্টার্ট হতে পারে।
২) প্রসেসর অতিরিক্ত গরম হলে রিস্টার্ট হতে পারে।
৩) কম্পিউটারে র‌্যাম ঠিকমত বসানো না হলে বা মাদার বোর্ড র‌্যাম সাপোর্ট না করলে রিস্টার্ট হতে পারে।
৪) হার্ডডিস্কে ব্যাড সেক্টর পড়লে এবং সেই স্থান থেকে ডাটা রিড করার চেস্টা করলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে।
৫) হার্ডডিস্ক অতিরিক্ত গরম হলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে।
৬) পিসি কনফিগারেশন এর সাথে সফটয়্যার বা গেমস্ এর সমন্ব না হলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে।
৭) অপারেটিং সিস্টেম ক্রাশ করলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে।
৮) বিভিন্ন হার্ডওয়্যার মাদার বোর্ডে ঠিকমত কানেক্ট না থাকলে বা লুজ কানেকশনের কারনে।
৯) র‌্যাম এ অতিরিক্ত চাপ পড়লে কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে।
১০) বায়োস সেটিংস্ এ সমস্যা ও বিদুৎ ভোল্টেজ এর ওঠা নামার কারনে।
১১) CPU এর যন্ত্রাশেং অতিরিক্ত ধুলো বালি পড়ে কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে।

সমাধান

প্রথমত ভালো মানের আপডেটেড এন্টিভাইরাস ব্যবহার করা। কম্পিউটারের অভ্যান্তরিন আলো বাতাস যাতে বের হতে পারে সে ব্যবস্থা করা, প্রয়োজনে প্রচুর আলো বাতাস আছে এমন স্থানে সিপিউ রাখা। নিয়মিত হার্ডডিস্ক ডিফ্রাগমেন্ট করা। নিয়মিত কম্পিউটারের ধুলোবালি পরিস্কার করা, UPS ব্যবহার করা।

Address

House# 17, West Nurer Chala, Nutun Bazar
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং - Computer Engineering posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share