26/08/2024
একজন ড. মুহাম্মদ ইউনূস
শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বর্তমানে ১৬৮টি মামলা বিচারাধীন। এরমধ্যে ফৌজদারি আদালতে একটি, দুর্নীতি দমন কমিশনে একটি এবং বাকি ১৬৬টি মামলা ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে বিচারাধীন।শ্রম আইনের মামলায় দণ্ড বাতিল ও দুর্নীতি মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন ইতিমধ্যে ۔ ‘ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে কোনও অপরাধের কারণে মামলা হয়েছিল বলে মনে হয় না। এটার সঙ্গে রাজনীতি ছিল এবং কোনও উদ্দেশ্য ছিল বলে আমার মনে হয়। একজন লোকের বিরুদ্ধে ১৬৮টি মামলা থাকলে তো সে এক মাসেও হাজিরা দিয়ে শেষ করতে পারবেন না।
‘অধ্যাপক ইউনূস প্রায় এক দশক ধরে হয়রানি ও ভয়ভীতির মুখোমুখি’ উল্লেখ করে বিবৃতি দিয়েছিলেন۔ জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনার ভলকার তুর্ক।
ভলকার তুর্ক বলেছিলেন , ‘আমরা উদ্বিগ্ন যে তার বিরুদ্ধে মানহানিকর প্রচারণা অনেক সময়ই সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে আসছে এবং এতে তার আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার ঝুঁকি আছে।’ বিশ্বের ১৬০ জন সুপরিচিত ব্যক্তি ও নেতা অধ্যাপক ইউনূসের পক্ষে একটি খোলা চিঠি দিয়েছিলেন। এরমধ্যে বিশ্বের ১০০ জন নোবেল বিজয়ীসহ ১৬০ বিশিষ্টজন ড. ইউনূসের পক্ষে বিবৃতি দেন। তারা মামলার কার্যক্রম স্থগিতের আহ্বান জানিয়েছিলেন। এছাড়াও বিশ্বের ৪০ জন রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বিগত রাষ্ট্রপ্রধান এর কাছে একই ধরনের খোলা চিঠি দিয়েছিলেন। কিন্তু আফসোস তখন আমাদের বিবেকবান মানুষদের একটা প্রতিবাদমূলক ফেইসবুক স্ট্যাটাস দিতে দেখি নাই ۔۔🙈🙉🙊
একজন সাকিব -
সাকিব আল হাসান আর বিতর্ক যেন একসুতোয় গাঁথা। ক্যারিয়ারে নানা সময়ে নানা কারণে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডার।
ব্যাট উঁচিয়ে দর্শককে হুমকি,ভক্তের মোবাইলফোন ছুঁড়ে ফেলা,দর্শকের কলার ধরে বিতর্কিত সাকিব,স্ত্রীকে উত্ত্যক্ত করায় দর্শককে মারধর,জাতীয় দল ছাড়ার হুমকি দিয়ে বিতর্কিত,আম্পায়ারের সঙ্গে খারাপ আচরণ,দর্শকের সঙ্গে তর্ক,বিশ্বকাপে দর্শকদের উদ্দেশ্যে বাজে ইঙ্গিত,চার ম্যাচ নিষিদ্ধ,দক্ষিণ আফ্রিকায় খেলতে না চাওয়া,অনাপত্তিপত্র না নিয়ে ক্যারিবীয় যাত্রা,বিশ্বকাপের দলীয় ফটোসেশনে অনুপস্থিত,শ্রীলঙ্কা সফরে না যাওয়া,জৈব সুরক্ষা বলয় ভঙ্গ,৪ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কারসাজির তদন্তে সাকিব আল হাসানের নাম, খুনের আসামির সোনার দোকান উদ্বোধন করতে দুবাই যাওয়া,জুয়াড়ির কাছ থেকে প্রস্তাব পাওয়ার পর সেটি গোপন করায় এক বছর সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হন,সাতক্ষীরায় কাঁকড়া খামার দিয়ে কর্মচারীদের বেতন না দিয়ে তিনি সমালোচনার মুখে পড়েন,আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অনলাইন জুয়ার সহযোগী প্রতিষ্ঠান বেটউইনার নিউজের শুভেচ্ছাদূত হয়েছিলেন তিনি৷
সাকিব এদেশের সকলের ۔ সাকিব যখন রাজনীতিতে প্রবেশ করেন তখন তিনি নিজেই নিজেকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে দেন ۔ ক্রিকেটার সাকিবের চেয়ে তাকে রাজনীতিবিদ সাকিব বলাই কি এখন বেশি যুক্তিযুক্ত না? রাজনীতি করলে হয়রানিমূলক মামলা হবেই ক্ষমতার পট পরিবর্তনে ۔ সাকিবের জন্য আমরা না হয় আবেগী কিন্তু বাস্তবতা তার কত টুকু ? উনি ছাত্রদের পক্ষে কি একটা স্ট্যাটাস দিয়েছেন ? যখন দেশে মৃত্যুর মিছিল হচ্ছিলো তখন তিনি বিদেশে রোমান্টিক আলাপচারিতায় কি মগ্ন ছিলেন না ?
আমরা একটা অভাগা জাতি - ভালো ও মন্দ কে শুধু আবেগ দিয়ে মাপি কিন্তু বিবেকটাকে কাজে লাগাই না 💫