M.K.S World

M.K.S World আমার সব সময় চেষ্টা থাকবে আপনাদেরকে সর্বোত্তম এবং সর্বোচ্চ ভালো কিছু দেওয়ার জন্য।

থাপ্পড় নিয়ে দু'পক্ষই অনেক আলোচনা সমালোচনা করেছেন। আপনি কি ভাবছেন থাপ্পড় দেয়া কি ঠিক হয়েছে? কমেন্টে জানাবেন।Everyone Prod...
24/10/2026

থাপ্পড় নিয়ে দু'পক্ষই অনেক আলোচনা সমালোচনা করেছেন। আপনি কি ভাবছেন থাপ্পড় দেয়া কি ঠিক হয়েছে? কমেন্টে জানাবেন।
Everyone Products

বোরিং ব্যবসা গুলো কেন এত বেশি লাভজনক
23/10/2026

বোরিং ব্যবসা গুলো কেন এত বেশি লাভজনক

💡 ভিডিওটি ভালো লাগলে অবশ্যই: 👍 Like দিয়ে উৎসাহ বাড়াবেন। 💬 Comment...

22/10/2026
😳😳😳
21/10/2026

😳😳😳

অন্য দেশের একজন লোকের লেখা কোন গান কেন আমাদের জাতীয় সঙ্গীত হবে? অনেকের যুক্তি এটা। আমাদের কাজী নজরুল ইসলাম থাকতে রঠার (র...
14/10/2026

অন্য দেশের একজন লোকের লেখা কোন গান কেন আমাদের জাতীয় সঙ্গীত হবে? অনেকের যুক্তি এটা। আমাদের কাজী নজরুল ইসলাম থাকতে রঠার (রবীন্দ্রনাথের) গান কেন এদেশের জাতীয় সঙ্গীত হবে?
এই যুক্তিতে বিশ্বাসী এমন একজনের সাথে কথা হচ্ছিলো।

তাকে বললাম,
“ভাই, কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও তো অন্য দেশের লোক”।
খুব অবাক হলেন তিনি। তিনি জানতেনই না, কাজী নজরুল ইসলাম এর জন্ম ভারতের বর্ধমান জেলায়।
তিনি ভেবেছিলেন তার জন্মস্থান চুরুলিয়া বোধহয় বাংলাদেশেরই কোনো একটা জায়গা হবে। তবুও তিনি নারাজ।

এবারের যুক্তি, “একজন বিধর্মীর লেখা গান কেন মুসলিম প্রধান দেশের জাতীয় সঙ্গীত হবে”? তাই মুসলমান কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা কোনো গান কেই জাতীয় সঙ্গীত করার জোর দাবি তার।

অথচ ওই দিকে কবি কাজী নজরুল ইসলাম অনেক আগেই তার লেখা কবিতায় খোদার আসন আরশ সব ছেদ করে ফাতাফাতা করে ফেলেছেন সেটা তার জানাই নাই।

তাকে কাজী নজরুল ইসলাম এর বিদ্রোহী কবিতার ৫ লাইন পরে শুনলাম।

“চন্দ্র সূর্য গ্রহ তারা ছাড়ি
ভূলোক দ্যুলোক গোলক ভেদিয়া
খোদার আসন আরশ ছেদিয়া,
উঠিয়াছি চির-বিস্ময় আমি বিশ্ববিধাতৃর!
মম ললাটে রুদ্র ভগবান জ্বলে রাজ-রাজটীকা দীপ্ত জয়শ্রীর!”

চুপ করে রইলেন!
উনার চুপচাপ থাকা দেখে জিজ্ঞেস করলাম, ভাই আপনি কি জানেন, আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিয়ে করেছিলেন একজন বিধর্মী কে? যার নাম আশালতা সেনগুপ্ত (প্রমীলা দেবী), এবং হিন্দু-মুসলিম ভেদাভেদ দূর করার জন্য তিনি তার নিজের ছেলের নাম রেখেছিলেন কৃষ্ণ মুহম্মদ?
এবারেও চুপ করে রইলেন এবং তার চোখেমুখে হতাশা খুব স্পষ্ট।

আপনি কি জানেন, কাজী নজরুল ইসলামের শ‍্যামা সঙ্গীত ছাড়া সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কালী পূজা করা হয় না?
বরাবরের মতোই তিনি চুপ করেই রইলেন।

কবিদের জাতপাত বিচার করতে হয় না, দেশের গন্ডি পেরিয়ে কবিরা সুদূরপ্রসারী প্রভাব বিস্তার করেন। ধর্ম দিয়ে কবিদের আবদ্ধ করা যায় না। কবিরা কোনো ধর্ম বিশেষের জন্য লেখেন না, তারা মানুষের জন্য লেখেন।
আগে হিন্দু মুসলমান হওয়ার চেয়ে মানুষ হওয়াটা বেশি জরুরি ভাই।

বঙ্গভঙ্গের প্রেক্ষাপটে ১৯০৫ সালে লেখা আমাদের জাতীয় সঙ্গীত। এই দেশটাকে ভাঙ্গতে প্রতিদিন কেউ না কেউ চক্রান্ত করছেই। আমার এই সোনার বাংলাকে আজকে ভালোবাসবেন না তো আর কবে ভালোবাসবেন?
চলেন দৃপ্ত কণ্ঠে একবার নিজেকে নিজে বলি,
“আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি”

লেখনীঃ Kayas Hossain
পুনরায় পোস্ট।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর "ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরোধিতা করেছিলেন"  মিথ্যা কথাটি ধর্মীয় দাঙ্গা বাজানোর জন্য ছড়ানো হচ্...
13/10/2026

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর "ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরোধিতা করেছিলেন" মিথ্যা কথাটি ধর্মীয় দাঙ্গা বাজানোর জন্য ছড়ানো হচ্ছে।

"ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় বিরোধিতাকারী ৩ মুসলিম বিশিষ্ট ব্যক্তি"
১. ব্যারিস্টার আবদুর রসুল।
২. মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ।
৩. মৌলভি আবুল কাশেম

ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে পর্যালোচনা করলে এটি ইতিহাসের স্বীকৃত তথ্য।
১৯১২ সালে বঙ্গভঙ্গ রদের পর ব্রিটিশ সরকার যখন ঢাকায় একটি আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয়, তখন কলকাতার কিছু হিন্দু বুদ্ধিজীবী ও নেতার (যেমন স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জী প্রমুখ) পাশাপাশি তৎকালীন বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট মুসলিম ব্যক্তিত্ব ও সংগঠনও প্রস্তাবিত এই কাঠামোর বিরোধিতা বা আপত্তি জানিয়েছিলেন।

উল্লেখিত ব্যক্তিদের তৎকালীন অবস্থান ও কারণগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

*** ব্যারিস্টার আবদুর রসুল:
তিনি প্রস্তাবিত আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়টিকে তৎকালীন পিছিয়ে পড়া মুসলিম সমাজের জন্য "বিলাসিতা" বলে মন্তব্য করেছিলেন।
তাঁর যুক্তি ছিল—তৎকালীন বাংলায় মুসলিমদের একটি বিশাল অংশ তখনও প্রাথমিক শিক্ষার আলো থেকেই বঞ্চিত। গুটিকয়েক ধনীর সন্তানের জন্য বিশাল ব্যয়ে আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় না বানিয়ে সেই অর্থ দিয়ে সাধারণ মানুষের জন্য স্কুল-কলেজ প্রতিষ্ঠা ও বৃত্তি দেওয়া বেশি প্রয়োজন।

*** মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ:
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে, সরকার যদি একটি একক বিশ্ববিদ্যালয়ের পেছনে বিপুল পরিমাণ বাজেট বরাদ্দ করে, তবে সাধারণ মুসলিম শিক্ষার্থীদের জন্য প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা সম্প্রসারণের বরাদ্দ কমে যাবে। তাই তিনি উচ্চশিক্ষার চেয়ে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পক্ষে ছিলেন।
*** মৌলভি আবুল কাশেম (ও চব্বিশ পরগনা জেলা মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন):
বর্ধমানের নেতা মৌলভি আবুল কাশেমসহ পশ্চিমবঙ্গের কিছু মুসলিম নেতার যুক্তি ছিল যে, ঢাকায় এমন একটি প্রতিষ্ঠান হলে তাতে সার্বিক মুসলিম সমাজের চেয়ে কেবল স্থানীয় সুবিধাভোগী ও হিন্দু সমাজের অগ্রসর শ্রেণিই বেশি লাভবান হবে, আর শিক্ষা বাজেটের সিংহভাগ সেখানেই ব্যয় হয়ে যাবে।

**** দাবিগুলো ঐতিহাসিকভাবে সত্য। তবে তাঁদের এই বিরোধিতার উদ্দেশ্য মুসলিমদের শিক্ষার বিরুদ্ধে যাওয়া ছিল না; বরং তাঁদের মূল যুক্তি ছিল—তৎকালীন অনগ্রসর মুসলিম সমাজের জন্য আগে গণশিক্ষা ও প্রাথমিক-মাধ্যমিক শিক্ষার বিস্তার জরুরি, ব্যয়বহুল উচ্চশিক্ষা নয়। ****
#রবীন্দ্রসঙ্গীত #রবীন্দ্রনাথ #রবীন্দ্রনাথ_ঠাকুর #ঢাকা_বিশ্ববিদ্যালয় #ভাইরাল

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when M.K.S World posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share