28/02/2026
মালয়েশিয়া মানব পাচারকারী ও ইয়াবা ব্যবসায়ী
মোঃ জামাল উদ্দিন এর বড় ছেলে মোঃ মাহিন, ও মোঃ তামিম প্রকাশ্য চোর, ৭-৮ লক্ষ্য টাকা মালামাল চুরি করার পর, ৩ দিন পর যখন চোর ধরা পড়েন, তখন অর্ধেক মালামাল জব্দ করা হয়, তখন এলাকার বর্তমান ইউপি সদস্য জনাব জাকের হোসেন মেম্বার ও এলাকার মান্যগণ্য ব্যক্তির সামনে স্বীকারোক্তি দেন।
প্রেস রিলিজ
নিদানিয়ায় WiFi ইন্টারনেটের অফিস
তারিখ: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
স্থান: মধ্যম নিদানিয়া, জালিয়া পালং, উখিয়া, কক্সবাজার
গত ২১/০১/২০২৬ ইং তারিখে নিদানিয়ায় WiFi ইন্টারনেটের অফিসে একটি পরিকল্পিত চুরির ঘটনা সংঘটিত হয়। অভিযুক্তরা একটি সাদা রঙের প্রাইভেট কার ব্যবহার করে অফিসের সামনে এসে তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এবং অফিসে থাকা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মালামালসহ আনুমানিক ৭–৮ লক্ষ টাকার সরঞ্জাম চুরি করে নিয়ে যায়। চুরির সময় তারা প্রমাণ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে অফিসে স্থাপিত সিসি ক্যামেরাও খুলে নিয়ে যায়।
ঘটনার পর নিদানিয়ায় WiFi ইন্টারনেটের অফিস কর্তৃপক্ষ আশপাশের এলাকায় স্থাপিত সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে। অফিসের পাশের জনাব জসিমউদ্দিন মাতব্বর-এর বাড়ির গেইটে স্থাপিত সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনার মাধ্যমে চুরির ঘটনায় জড়িত দুইজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে সনাক্ত করা হয়। ফুটেজে একটি সাদা প্রাইভেট কারের চলাচলও স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয়।
পরবর্তী অনুসন্ধানে জানা যায়, ২৫ জানুয়ারি রাতে নিদানিয়ায় WiFi ইন্টারনেটের অফিস কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় চুরির সঙ্গে জড়িত একজন অভিযুক্তকে আটক করতে সক্ষম হওয়া যায়। আটক হওয়ার সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বারের কাছে নিরাপদ আশ্রয় নেয় বলে জানা যায়।
পরদিন ২৬ জানুয়ারি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে বিচার ও সমাধানের চেষ্টা করা হয়। তবে সন্তোষজনক সমাধান না হওয়ায় এবং ন্যায়বিচারের স্বার্থে নিদানিয়ায় WiFi ইন্টারনেটের অফিস কর্তৃপক্ষ আইনের আশ্রয় গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়।
এর আগেই জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে মোহাম্মদ তামিম (২০) স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে চুরির ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে। সে জানায় যে, সে অফিসের তালা ভেঙে প্রবেশ করে মালামাল ও সিসি ক্যামেরা চুরি করে এবং সেগুলো সাদা প্রাইভেট কারের মাধ্যমে সরিয়ে নেয়।
তামিমের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, এই চুরির ঘটনার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে মোহাম্মদ মাহিন (২৩) নামের আরেক ব্যক্তি জড়িত থাকার অভিযোগ উঠে আসে। তামিম জানায়, মাহিন তাকে চুরির পরিকল্পনা বুঝিয়ে দেয়, দিকনির্দেশনা দেয় এবং পুরো কাজে সহায়তা করে। একই সঙ্গে মাহিন তাকে অবৈধ পথে মালয়েশিয়া পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে এই চুরিতে অংশ নিতে উৎসাহিত করে।
তামিমের বক্তব্য অনুযায়ী, চুরির কাজ সম্পন্ন হলে তার কাছ থেকে ২ লক্ষ টাকা নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে যে, মোহাম্মদ মাহিন অবৈধভাবে মালয়েশিয়া পাঠানোর নামে অন্য ব্যক্তিদের কাছ থেকেও ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা গ্রহণ করেছে।
স্থানীয়ভাবে প্রচলিত তথ্য ও তামিমের বক্তব্য অনুযায়ী, মোহাম্মদ মাহিন ইয়াবা সেবনের সঙ্গে জড়িত এবং পূর্বেও মানব পাচার সংক্রান্ত কার্যক্রমে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে অভিযোগ রয়েছে যে, তার পিতা অতীতে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় মানব পাচারের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং চুরির ঘটনাতেও জড়িত থাকার ইতিহাস রয়েছে।
পরবর্তীতে নিদানিয়ায় WiFi ইন্টারনেটের অফিস কর্তৃপক্ষ উদ্ধারকৃত মালামালসহ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগ গ্রহণের পর পুলিশ প্রয়োজনীয় তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করে।
নিদানিয়ায় WiFi ইন্টারনেটের অফিস কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং এলাকায় চুরি ও মানব পাচারের মতো অপরাধ প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর ভূমিকা প্রত্যাশা করছে।
— নিদানিয়ায় WiFi ইন্টারনেটের অফিস কর্তৃপক্ষ