23/04/2020
আলোর পথ প্রদর্শক গুরুভন্তে সম্পর্কে না জেনে অনেকে অনেক কিছু বলেন,লেখেন, মন্তব্য করেন কিন্তু যারা গুরুভন্তের নিকট থেকে সত্য ধর্ম শিক্ষা গ্রহন করে সত্যের পথে, আলোর পথে চলেছেন তাঁরাই বুঝতে পারেন আমরা কি হাঁরিয়েছি ------------------------------
গুরুভন্তের নিকট থেকে ধর্মশিক্ষা পেয়ে সত্যে পথে চলা এক পূণ্যার্থীর লেখা পড়ে দেখুন--------
এলেন, দেখলেন, জয় করলেন,চলে গেলেনঃ আমার ধর্মপিতা গুরু বাবা ***
বান্দরবান অঞ্চলের উজ্জ্বল নক্ষত্র, অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, সুপন্ডিত, স্বনামধন্য, মিষ্টভাষী উপমহাদেশ খ্যাত বৌদ্ধ ধর্মীয় সর্বোচ্চ গুরু শ্রীমৎ উপঞঞা জোত মহাথেরো মহোদয়।।
১৯৫৫ ইং ২২ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলার বান্দরবান অঞ্চলের অন্তর্গত বোমাং রাজ পরিবারের পরম শ্রদ্ধাবান রাজমহিয়সী অংম্রোচিং এর ঔরসে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্ম গুরু ভদন্ত শ্রীমৎ উপঞঞা জোত মহাথেরো (উচহলা) জন্ম পরিগ্রহ করেন।।
এক সময় তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের ছাত্র,সংগীতকার ও বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশনের নিয়োগপ্রাপ্ত জজ ও ম্যাজিস্ট্রেট। আকর্ষণীয় সেই কর্মজীবন ছেড়ে তিনি চলে এলেন ভিক্ষু জীবনে --------
মানবজাতিকে মুক্তির পথ দেখাতে।।
একজন জজ, একজন সংগীতকার হঠাৎ কী করে বৈরাগ্য নিয়ে সাধু হতে পারেন???
এ প্রশ্ন সবার মনেই উঁকি দিতে পারে -------------
এ প্রশ্নের উত্তর তিনি নিজেই এভাবে দিয়েছিলেনঃ
"হিন্দু শাস্ত্রে একটা কথা আছে -------- কোটি জন্মে থাকিলে ভাগ্য এক জন্মে হও সাধু "
অর্থাৎ কোটি কোটি জন্মে বিন্দু বিন্দু করে পূণ্য সঞ্চয় হবে, যেদিন পাপটা খন্ডন হবে সেদিনই সাধন।।
সুতরাং আমি কী করে বলি আমার এই পরিবর্তন হঠাৎ।।
বৌদ্ধ ধর্ম যে মৈত্রীর এবং অহিংসার ধর্ম তা আমি গুরুর সান্নিধ্য পেয়েই অনুধাবন করেছি। এত সুশৃংখল ভাবে তাঁর শিষ্য - শিষ্যরা ভক্ত অনুরাগীরা ধর্ম কর্ম করে যা সত্যিই অনুকরণীয়। আর এ শিক্ষা তারা পেয়েছেন তাঁদের মহান কল্যাণমিত্র ধর্মপিতা গুরু উপঞঞা জোত মহাথেরো মহোদয়ের কাছ থেকে।।
বিশেষণ মাঝে মাঝে হারিয়ে যায়। বাবার এতো গুণ যা বিশেষায়িত করার যোগ্যতা আমার নেই।।
প্রথম গুরু দর্শন হয় আমার ১৯৯৪ ইং। সেই থেকে আজ অবধি বাবার পবিত্র চরণ ছুঁয়েই আছি আজ অবধি।।
তোমায় হৃৎ মাজারে রাখিবো ছেড়ে যাবো না
তোমায় হৃদয়ে রাখিবো ছেড়ে যাবো না
ছেড়ে দিলে সোনার গুন আর পাবো না
ছেড়ে যাবো না......................
"তুমি এমন করে কথা বলো প্রাণ জুড়িয়ে যায় "
"মনে পড়ে আজ সে কোন জনমে বিদায় ও সন্ধ্যাবেলা
আমি দাঁড়ায়ে রহি এপাড়ে
তুমি ওপাড়ে ভাসালে ভেলা "------------
*কি কহিতে চাও হে গুনী -----------
* কতোদিন আর এ জীবন কতো আর এ মধু লগন
তবু ও তো পেয়েছি তোমায় -------------- ***
হে আলোর পুরুষ তোমাকে পেয়ে আমি সত্য খুঁজে পেয়েছি ------------------------
" তোমার যাবার সময় বুঝি হয়ে যায়
আমার দেওয়ার কিছু বাকি রয়ে যায়
এভাবে চলে যাবে তুমি................... "
"চুপি চুপি এসেছিলে আঁধারের বুক চিরে আবার চলে গেলে
এখনো তো আধখানি রাত রয়ে যায় --------- "
আমরা তো তোমাকে এভাবে চলে যেতে দিতে চাইনি ---
"এই পৃথিবীর পান্থশালায় গাইতে গেলে গান
কান্না হয়ে বাজে যেন বাজে আমার প্রাণ
কেউ চলে যায় কেউ বা আসে দু'দিনের এই পরবাসে
কেউ বোঝে না কারো হাসি অভিমান "
"মনে পড়ে -------
মনে পড়ে যায় সেই প্রথম ও দেখার স্মৃতি
কেমনে রাখি আঁখি বারি চাপিয়া "
"আমার বলার কিছু ছিলো না, না গো
চেয়ে চেয়ে দেখলাম তুমি চলে গেলে "
আমার ফেসবুকে আসার বয়স ২বছর হতে চললো। আর গুরু বাবাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছিলাম ২০১৯ ইং এর ১৬ ফেব্রুয়ারি। আমি বাবার পোস্টে সব সময়ই লাইক, কমেন্টস করতাম। আর গুরু বাবা আমার কমেন্টস গুলোতে প্রায়ই লাইক দিতেন এবং মন্তব্য ছুঁড়ে দিতেন ঠিক এভাবে ---------
"সুন্দর মন্তব্য আশির্বাদ করি, এগিয়ে যাও "
আর আমার পোস্টেও ঊনি প্রায়ই লাইক কমেন্টস করতেন।।
একবার আমি একটা বড় পোস্ট দিয়েছিলাম। অই পোস্টে আমি এক জায়গায় লিখেছিলামঃ "ফেসবুকে এসে আমার দু'টো বদ অভ্যাস তৈরি হয়েছে, একটা হলো যখন তখন ছবি আপলোড দেওয়া, আর একটা হলো নতুন নতুন ড্রেস সেলাই করা। "
বাবা কমেন্টস করেছিলেনঃ "এটা তৃষ্ণা "
সত্যিই তো এটা তো তৃষ্ণাই।। তৃষ্ণা ক্ষয় না করতে পারলে তো মুক্তি মিলবে না।।
তৃষ্ণা ক্ষয় করে জন্ম রোধ করাকেই তো বৌদ্ধ ধর্মে নির্বাণ বলা হয়েছে।।
আমি তো সেই নির্বাণ পথের যাত্রীই হতে চাই ---------
গুরুর সাথে ইনবক্সে ও আমার চলতো ম্যাসেজ চালাচালি।।
ইনবক্সে প্রথম ম্যাসেজ দিয়েছিলামঃ
Respected ধর্মপিতা গুরু ভন্তে
আপনার শ্রীপাদপদ্মে আমার শতকোটি প্রণাম জানাই। আশির্বাদ রাখবেন যেন ত্রিরত্নের চরণচ্যুত না হই।।
বাবা রিপ্লাই দিয়েছিলেনঃ আশির্বাদ করি যা ধরে রাখার দ্বায়িত্ব তোমার।।
২২।০২।২০১৯ইং নংদগ্রী জাদীর অনুষ্ঠানে তোমার মা কে নিয়ে আসবে ঊনি লিখেছিলেন।।
আমি লিখেছিলাম গুরু আমি মাকে জানাবো। তবে মা কিছুটা অসুস্থ্য। তা'ছাড়া ঠিক অইদিনই বড় আপু আসছে আমেরিকা থেকে। আমি আরো লিখেছিলাম গুরু আমি আপনার Live program গুলো ফেসবুকে মাকে নিয়ে দেখি। আমরা যেতে না পারলে ও অপরাধ নেবেন না গুরু।
ঊনি প্রথমে একটা লাইক দিলেন, তারপর রিপ্লাই দিলেন রাগ করবো কেন? তোমাদের মংগলের জন্যই বলেছি।।
এরপর আমি আবার লিখলাম ---------
জ্বী -----
গুরু।। আপনার মতো একজন মহামানবের দর্শন পাওয়ায় আমরা এ জন্মটাকে স্বার্থক মনে করছি। না হয় আমাদের অস্তিত্ব অনেক আগেই বিলীন হয়ে যেতো। অতীতের কোন একটা বড় পূণ্যের ফলেই আপনার দেখা মিলেছে।। গুরু আমরা আপনাকে অনেক Honour করি, আবার অনেক ভয় ও পাই -----
ঊনি রিপ্লাই দিলেন ---------
সবার আগ্রে বুদ্ধের শরণ নাও।।
আমার রিপ্লাই ছিলোঃ
জ্বী গুরু ------
বুদ্ধের শরণ, ধর্মের শরণ, সংঘের শরণ আর আপনার শরণ সব সময়ই নিচ্ছি। আমাদের তো এর বাইরে অন্য কোন শরণ নেই গুরু।।
গুরু কোন অপরাধ হয়ে থাকলে মার্জনা করবেন।
ঊনি দিয়েছেন লাইক।।
মার্চ ১৮ /২০১৯ইং আমি লিখেছিলাম
গুরু বাবা
প্রথমে আমি করজোড়ে নতশিরে প্রণাম জানাই আপনার চরণে। আজ আমার জন্মদিন। আমি প্রথমে ত্রিরত্নের শরণ নিলাম, এরপর আপনার চরণে জানাই আমার জন্মদিনের বন্দনা।।
আর চাই জন্মদিনের আশির্বাদটুকু।।
ঊনার রিপ্লাই ছিলো জন্মদিনের আশির্বাদ রইল।।
মার্চ ১৯ / ২০১৯ইং
আমি লিখেছিলামঃ গুরু আমার প্রণাম জানবেন। শুনেছিলাম আপনার একটা বৃদ্ধাশ্রম নির্মাণের প্ল্যানিং আছে। নির্মাণ কাজ শুরু হলে শ্রদ্ধাসহকারে কিছু দক্ষিণা দেয়ার খেয়াল আছে। তাই জানতে চাওয়া। মাও দানকর্মে অংশ নেবেন।
আর গুরু আমি কিন্তু আপনার বৃদ্ধাশ্রমের একটি সিটের প্রার্থী। আশা করি আমার আবেদন সুবিবেচনা পাবে।।
গুরু আমার মায়ের অবর্তমানে আমার কোন সঠিক আশ্রয়দাতা থাকবে না।। একমাত্র আপনিই আমাকে আশ্রয় দিতে পারেন।।
গুরুর রিপ্লাই ছিলো একটি স্টিকারের মাধ্যমে।।
স্টিকারটি মুখ হা করে আছে। যার অর্থ আমাকে বুঝে নিতে হলো, আমার জন্যে ঊনার দ্বার Open....
ঊনার স্টিকার কমেন্টসের রিপ্লাই দিয়েছিলাম আমি এভাবে -----------
মহাসমুদ্র যেমন বড় বড় প্রাণীদের আবাসস্থল, তেমনি আপনি ও গুরু আমাদের মতো দুঃখী সত্ত্বগণের আশ্রয়কেন্দ্র।।
এরপর গুরু আবার একটা স্টিকার সেন্ড করে রিপ্লাই দিয়েছিলেন। এবারের স্টিকারটির মুখ বন্ধ। যার অর্থ আমি বুঝলাম আমি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় পেয়েছি।
আমি ৩বার সাধুবাদের মাধ্যমে তা গ্রহণ করলাম।
আমার ফ্রেন্ডলিস্টে তো অনেক বৌদ্ধ ছেলেমেয়েরা আছে। আমি তো আর সবাই কে চিনি না। একটা বৌদ্ধ ছেলে তাকে আমি চিনি না, জানি না, তবে ফ্রেন্ড হিসেবে Accept করেছিলাম। নামটা এখন আর মনে নেই তার।
একদিন আমি নবপন্ডিত বিহারের বোধিবৃক্ষের সামনে দাঁড়িয়ে একটা পিক. সেন্ড করেছিলাম। অই ছেলেটি আমার পোস্টে কমেন্ট করেছিলো এটা কোথায়?
আমি লিখেছিলাম চট্টগ্রামে।। সে আবার লিখলো নির্দিষ্ট স্থানটা বলো। আমি আর তার সেই কমেন্টসের রিপ্লাই না দিয়ে এড়িয়ে গেলাম।। এটা আমার গুরু বাবার দৃষ্টিতেও এসেছে। ঊনি তৎক্ষণাৎ আমাকে ইনবক্স করলেন, তোমার বা বিহারের ঠিকানা তাদের কে দিওনা। তাদের উদ্দ্যেশ্য ভালো নয়।
আমি লিখেছিলাম জ্বী গুরু
আমার Address আমি কাউকেই দেইনি। আর অইদিনই আমি ছেলেটাকে ব্লক করে দিয়েছিলাম।
জুন ২৫/২০১৯ইং
আমি লিখেছিলাম ------------
গুরু বাবা
একটা বিষয়ে জানার ইচ্ছে নিয়েই আমি আপনাকে ম্যাসেজ সেন্ড করছি ।। আমরা বেশ ক'বার সমুদ্রে মাছ ছেড়েছি। কিন্তু আমরা তো আর অতো গুছিয়ে বলতে শিখিনি। মাছগুলো ছেড়ে দেয়ার সময় বলেছিলামঃ হে মৎস্য আমরা তোমাদের আয়ু দান করলাম। তোমরা বিশাল সমুদ্রে নির্ভয়ে বেঁচে থাকো। আয়ু ক্ষয় করে মৎস্য জীবন থেকে উন্নত জীবন প্রাপ্ত হও। আর এই পূণ্যের প্রভাবে আমরাও যেন রোগহীন, ভয়হীন, অন্তরায়হীন থাকতে পারি। এভাবে বলেছিলাম। এখন আমরা আবার মাছ, পাখি এসব ছাড়তে চাই।
তাই দয়া করে কি ভাবে ছাড়বো, কিভাবে বলবো, একটু জানাবেন।
আপনার আশির্বাদের ছায়াতলে যেন থাকতে পারি সেই আশির্বাদটুকু চাই -----------
গুরু লিখেছেন "সুন্দর বলেছো "
আরেকবার লিখেছিলাম --------
গুরু আমি চতুর্দ্দিস আহার সম্পর্কে জানতে চাই ------
এ দানে কি ধরণের ফল হয় তাও জানতে চাই।
গুরু রিপ্লাই দিয়েছেন চতুর্দিক থেকে আসা সকল কে জাতি, ধর্ম নির্বিশেষে আহার দান করা যা মহাপূণ্যফল হয়।
আরেকবার আমি শ্রীমৎ উগুনবদ্ধনা ভন্তে মহোদয়ের পোস্টে লিখেছিলাম, বান্দরবান যাওয়ার সুযোগ নেই।।
গুরু আমাকে ইনবক্সে লিখেছিলেন বান্দরবান যাওয়ার সুযোগ নেই কেন?
আমি লিখেছিলাম গুরু আমি তো একা পথ চলতে শিখিনি। তা'ছাড়া সম্পূর্ণ অনুষ্ঠান শেষ করে ফিরতে ফিরতে অনেক রাত হয়ে যায়।। ঈশিতা গেলে হয়তো সুযোগটা কাজে লাগাতে পারতাম। নানাবিধ প্রতিবন্ধকতা রয়েছে বলেই সম্ভব নয়। গুরু ক্ষমা করবেন। ধর্ম থেকে দূরে সরে নেই কিন্তু।।
সব সময় মৈত্রী আর আশির্বাদের ছায়াতলে থাকতে চাই। আপনি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন আমায়।
গুরু বন্দনা ছোঁয়াইং।।
গুরু লিখেছেনঃ ঈষিতা ছাড়া আর কি কাকে ও
চিন না???
ঈষিতা যাবে না কেন?
আরেকবার লিখেছিলাম গুরু আপনার পবিত্র চরণে বন্দনা। ২০সেপ্টেম্বর ২০১৯ইং মহাসংঘদান। আমরা এই পূণ্যময় কর্মে দান দিয়ে অংশ গ্রহণ করতে ইচ্ছুক। আমরা যেন এই পূণ্য থেকে বঞ্চিত না হই।
গুরু লিখেছেন এসো টাকার প্রয়োজন নেই।।
আরেকবার লিখেছিলাম নানাবিধ প্রতিবন্ধকতার কারণে যেতে না পারলে ও বিশেষ বিশেষ দিন গুলোতে মন কে স্থির রাখি আপনার পূণ্যময় কর্মানুষ্ঠানের স্থানে। গুরু ত্রিরত্নের প্রতি, আপনার প্রতি, আর পূণ্যময় কর্মের প্রতি চেতনা সব সময়ই থাকবে যেতে পারি বা না পারি। ঊনি লিখেছিলেন কি তোমার অন্তরায়?
আমি লিখেছিলাম প্রথমতঃ পারিবারিক অন্তরায়, এরপর দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ এভাবে অনেকগুলো অন্তরায় তুলে ধরলাম।।
ঊনি রিপ্লাই দিয়েছেন অন্যের কারণে তোমার চলার পথ রুদ্ধ হওয়া উচিৎ নয়।
আমি লিখেছিলাম গুরু আমি তো একা পথ চলতে পারি না। না হয় আমি এত বড় পূণ্য থেকে নিজেকে মোটেও বঞ্চিত করতাম না।
ঊনি লিখেছেনঃ "পরনির্ভরশীল ব্যক্তি পরগাছার ন্যায়, পংগু ব্যক্তির ন্যায়"।।
তুমি যদি আসতে চাও ব্যবস্থা করে দেবো।।
আমি গুরুর কাছ থেকে শেষ আশির্বাদ পেয়েছিলাম এভাবে ----------
১৮।০৩।২০২০ইং আমার জন্মদিনে আমি পোস্ট দিয়েছিলাম, সেই পোস্টে গুরু কমেন্টস করেছেন জন্মদিনের আশির্বাদ।।
গুরুকে পাওয়ার পর আমরা বুঝতে শিখেছি গুরুই হলেন আমাদের রক্ষাকারী আর আশ্রয়দাতা। সাত জন্মের পূণ্য না থাকলে এমন গুরুর সন্ধ্যান পাওয়া যায় না। গুরু আমাদের কাছে পরশমনি সদৃশ। যে মনির সন্ধ্যান পেলে মরা মানুষ আবার জীবিত হয়ে ওঠে।। উদাহরণ হিসেবে আমাদের ফ্যামিলিটা।
গুরু আমাদের ফ্যামিলিটাকে কী ভাবে রক্ষা করেছেন তা গুরুর শিষ্য, ভক্ত, পূজারীদের কারোরই অজানা নয় কিন্তু।।
যে দিন থেকে গুরুর কারণে রক্ষা পেতে শুরু করলাম সেদিন থেকেই গুরুকে জীবনদানকারী, ধর্মচক্ষুদানকারী গুরু বাবা হিসেবে বুঝতে শিখলাম।
গুরুর গুণের কথা বলে শেষ করা যাবে না। আমি এভাবে লিখতে থাকলে একটা উপন্যাস হয়ে দাঁড়াবে আমার এ লেখা।। আমার লেখনী থামতে চাচ্ছে না , বলছে আরো লিখো, আরো লিখো।
গুরু কে নিয়ে লেখার দিন এসেছে তোমার।।
০৮ এপ্রিল ৩.৪৫মি. আপনি জানিয়ে দিয়েছিলেনঃ
শেষ রাত্রি, শেষ আনন্দ, শেষ স্মৃতি **********
পূণ্যবান সিদ্ধি পুরুষদের জীবনই তো এমন। সবকিছু আগে থেকে জানা হয়ে যায়।।
গুরু আমাদের মাঝ থেকে সরে পড়েছেন। ঊনি কিন্তু চলে যান নি।
ঊনি কী করে যাবেন!!!
ঊনি তো থেকে যাবেন অনন্ত, অনন্তকাল তাঁর সৃষ্টি আর কর্মের মাঝে।।
আর আমরা তাঁকে ধরে রাখবো আমাদের মাঝে তাঁর শিক্ষাকে অন্তরে ধারণ করে আর তা পালনেরই মাধ্যমে।।
বাবা তুমি কালজয়ী এক শ্রেষ্ঠ মহামানব।। ইতিহাস তোমায় মনে রাখবে।
থাকবে সবার অন্তরের মনি কোঠায়।।
হে আলোর পুরুষ ভালো থাকুন।।
বি.দ্র. আমার আইডি'তে অনেক মুসলিম ফ্রেন্ড রয়েছে। আমি তাঁদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ----------
দয়া করে আমার এই পোস্টটি পড়ে কেউ এমন কোন কমেন্টস করবেন না, যাতে আমি ক্রোধান্বিত হই।।
যদি আমাকে নাস্তিক মনে হয় তোমাদের /আপনাদের তা'হলে আমাকে ব্লক দিয়ে বেরিয়ে পড়ুন। এতে আমি খুশি হবো দুঃখ না পেয়ে।।
গুরুবাবার চরণে পূণঃ বন্দনা আর শ্রদ্ধা আমার।।
সোমা রহমান সাবিহা
২৩।০৪।২০২০ইং