Syed Mohammad Rezaul Alam Mashrafi

Syed Mohammad Rezaul Alam Mashrafi Writer • Graphics Designer • Tutor

But I love to introduce myself as a Student.

06/11/2025
ভাই-বোন বন্ধন‌। শুধুমাত্র রক্তের সম্পর্ক থাকলেই ভাই-বোন হওয়া যায়, এমনটা নয়। না থাকলেও হওয়া যায়।🖼️ This picture was ...
13/10/2025

ভাই-বোন বন্ধন‌। শুধুমাত্র রক্তের সম্পর্ক থাকলেই ভাই-বোন হওয়া যায়, এমনটা নয়। না থাকলেও হওয়া যায়।

🖼️ This picture was made by নকশাকার-Nakshakar (behalf Someone )

মানুষ অদ্ভুত প্রাণী। তারা সবসময় কাউকে না কাউকে ছোট করার কাজে ব্যস্ত থাকে। আমাকে ছোট করার চেষ্টাও হলো। সামনে থেকেও, আড়া...
27/09/2025

মানুষ অদ্ভুত প্রাণী। তারা সবসময় কাউকে না কাউকে ছোট করার কাজে ব্যস্ত থাকে। আমাকে ছোট করার চেষ্টাও হলো। সামনে থেকেও, আড়াল থেকেও। আমি কিছু বলিনি। নীরব ছিলাম। কারণ আমি জানি— নীরবতার ভেতরেই সবচেয়ে বড় জবাব লুকিয়ে থাকে। শব্দে শব্দে লড়াই জমে ওঠে, কিন্তু নীরবতা মানুষের ভেতরে অস্থিরতা ছড়িয়ে দেয়।

তবুও থামল না। সমালোচনা করল, বিদ্রূপ করল। কারও সামনে সরাসরি, কারও কানে কানে। আমি তখনও চুপ। কথার ঝড় মানুষকে ক্লান্ত করে, কিন্তু নীরবতা— সে তো নিঃশব্দ ঝড়, ভেতর ভেতর আঘাত করে যায়।

শেষমেশ ব্যর্থ হয়ে আরেকটি কৌশল নিল। অন্যদের বোঝাতে লাগল— আমি নাকি অনুভূতিহীন, বোধশক্তিহীন, লজ্জাহীন। কথাগুলো শুনে হাসি পেল। কষ্ট লাগল না, রাগও হলো না। শুধু বিস্ময়— এত শব্দ, এত চেষ্টা, অথচ ফল শূন্য।

আমি প্রায়ই ভাবি, মানুষ এসব করে কী পায়? অন্যকে ছোট করতে গিয়ে তারা কি বুঝতে পারে না, নিজেরাই ছোট হয়ে যাচ্ছে? হয়তো বোঝে না। হয়তো বোঝার ইচ্ছেও নেই।

আমার কাছে সময় খুব মূল্যবান। জীবন ছোট, করণীয় বড়। তুচ্ছ কথার জন্য সময় নষ্ট করার মতো অবকাশ নেই। যদি কানে কিছু পৌঁছেও যায়, আমি সেটাকে বাতাসের মতো উড়িয়ে দিই। যেমন ধুলো হাওয়ায় ভেসে মিলিয়ে যায়, তেমনি এসব কথাও মিলিয়ে যায়।

তারা ভাবে, আমাকে আঘাত করেছে। আসলে তারা নিজেরাই নিজেদের ক্লান্ত করছে। আর আমি? আমি আমার মতো করেই হেঁটে যাচ্ছি— নির্লিপ্ত, নির্বিকার, নিজের ছন্দে।

তারপরেও সমালোচনা করতে ইচ্ছে হলে, গঠনমূলক সমালোচনা করুন। আপনাদের সমালোচনার মাধ্যমে, যেন নিজেকে উন্নত করতে পারি। ( Sorry to say ) তা নাহলে, আপনার সমালোচনা আমার জীবনে কোনো প্রভাব ফেলতে পারবে না।

© Hafez S.M. Rezaul Alam - সৈয়দ রেজাউল আলম মাশরাফী
🖼️ This picture was made by নকশাকার-Nakshakar (behalf Mohammad Mosiur )

আমার প্রিয় শিক্ষার্থীরা🖼️ This picture was made by নকশাকার-Nakshakar  (behalf Someone )
23/09/2025

আমার প্রিয় শিক্ষার্থীরা

🖼️ This picture was made by নকশাকার-Nakshakar (behalf Someone )

উস্তাদজী, আল্লামা মাওলানা রহমত উল্লাহ তুহিন  আলকাদেরী হুজুরকে আন্তরিক অভিনন্দন ও মোবারকবাদ। আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন আপ...
16/09/2025

উস্তাদজী, আল্লামা মাওলানা রহমত উল্লাহ তুহিন আলকাদেরী হুজুরকে আন্তরিক অভিনন্দন ও মোবারকবাদ। আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন আপনাকে ইলম ও আমলের আরও উচ্চ শিখরে সমাসীন করুন, আপনার এই সাফল্যের ধারাকে দায়েম ও কায়েম রাখুন।

আপনার নিরলস পরিশ্রম, ত্যাগ ও দিকনির্দেশনা আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। আমরা দোয়া করি, আল্লাহ তায়ালা আপনাকে দীনের আরও খেদমতের সুযোগ দিন এবং আমাদের সবাইকে আপনার পদাঙ্ক অনুসরণ করে দুনিয়া ও আখেরাতে কল্যাণ অর্জনের তাওফিক দান করুন।

[ হুজুরের ফলাফল দেখতে কমেন্ট বক্সে ঘুরে আসুন]

অপচয়ের থলি বাড়ানো বন্ধ করো ======================== পানির নল থেকে পানি টিপটিপ করে বয়ে চলেছে, অনিয়ন্ত্রিত, অবিরাম। কোথা...
03/04/2025

অপচয়ের থলি বাড়ানো বন্ধ করো
========================

পানির নল থেকে পানি টিপটিপ করে বয়ে চলেছে, অনিয়ন্ত্রিত, অবিরাম। কোথাও যেন তার বিরাম নেই, বিশ্রাম নেই। আমরা দাঁত মাজার সময় কল ছেড়ে দিই, ভুলে যাই। কিংবা আরও খারাপ অবস্থা, ভুলিই না— বরং আমরা ভাবিই না। ঝরনাধারার মতো সেই পানি তখন ঝরে পড়ে, থেমে থাকে না, আমরাও ফিরে তাকিয়ে দেখি না। কখনো রান্নাঘরে হাঁড়ির নিচে অনির্দিষ্টকাল ধরে আগুন জ্বলছে, অথচ চোখ সেখানে নেই। অগ্নিশিখার নীলচে দহনে রান্না শেষ হয়ে গেছে, কিন্তু চুলা জ্বলছেই। অসাবধানতাবশত রুমের পাখা ঘুরছে, বাতি জ্বলছে, অথচ ঘর ফাঁকা। রুমে আমরা কেউ নেই। কিন্তু অপচয় রয়ে গেছে। যেন এক নির্বাক আত্মা, আমাদের ছায়ার মতো পিছু নিয়েছে।

তারপর আসে খাবার। প্লেটে পড়ে থাকা শেষ কয়েক লোকমা, যা আমাদের উদাসীনতায় ফেলে দেওয়া হয়। ক্ষুধা ফুরিয়েছে, কিন্তু তৃষ্ণা? না, তৃষ্ণা ফুরোয় না, আমাদের অবিবেচনার তৃষ্ণা অক্ষয়। হয়তো এক চুমুক পানি ফেলে দিই অবহেলায়, হয়তো অর্ধেক খাবার জিনিসপত্রের সঙ্গে মিশে যায় আবর্জনার স্তুপে। কিন্তু কী অবলীলায় আমরা ভুলে যাই যে এই প্রতিটি কণা, প্রতিটি ফোঁটা কোনো না কোনো শ্রমের, কারো না কারো প্রতীক্ষার ফসল।

অপচয়—একটি শব্দ, অথচ এক মহা বিপর্যয়। এটি কেবল বস্তুগত নয়, সময়, জ্ঞান, অনুভূতি—সব কিছুর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। আমরা সময় অপচয় করি আলস্যে, প্রতিভা নষ্ট করি অবহেলায়, জ্ঞান অপচয় করি অজ্ঞতায়। অথচ প্রতিটি মুহূর্ত, প্রতিটি সম্পদ আমাদের জন্য এক পবিত্র আমানত।

•অপচয়ের ধর্মতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গি :-

অপচয় কেবল অভ্যাস নয়, এটি এক প্রবণতা, যা মানুষের বিবেককে আচ্ছন্ন করে রাখে। আর এই অপচয় যে কত ভয়ংকর, তা কোরআনই আমাদের জানিয়ে দিয়েছে:

> “নিশ্চয়ই অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই।”

[ সূরা আল-ইসরা, আয়াত নং ২৭ ]

শয়তান বিভ্রান্তির প্রতীক, ধ্বংসের প্রতিচ্ছবি। যে অপচয় করে, সে শয়তানের নিকটতম সঙ্গী হয়ে যায়। কারণ, অপচয় কেবল সম্পদের অপচয় নয়, এটি জীবনের, নৈতিকতার, মানবতার অপচয়।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:

> “তোমরা খাও, পান করো এবং দান করো, তবে অহংকার করে নয় ও অপচয় করে নয়। কারণ আল্লাহ তা‘আলা নেয়ামতের ব্যবহার বান্দার কাছ থেকে দেখতে চান।”

(ইবনু মাজাহ, হাদিস: ৩৬০৫)

অর্থাৎ, ইসলামে উপার্জন ও ব্যয়ের মধ্যে ভারসাম্যের শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। অতি ব্যয় যেমন নিন্দনীয়, তেমনি অতি কৃপণতাও। তাই মুসলমানের উচিত মধ্যপন্থা অবলম্বন করা, যা আল্লাহর প্রিয়:

> “যারা ব্যয় করার ক্ষেত্রে মধ্যবর্তিতা অবলম্বন করে—প্রয়োজনের চাইতে বেশি ব্যয় করে না এবং কমও করে না।”

(সূরা আল-ফুরকানঃ ৬৭)

• অপচয়ের দার্শনিক দৃষ্টিকোণ :-

অপচয়ের গভীরে লুকিয়ে আছে এক ধরনের আত্মবিস্মৃতি। মানুষ যখন অযথা নষ্ট করে, তখন সে মূলত নিজেকে ভুলে যায়। নিজের প্রয়োজনের পরিধি ভুলে যায়, দায়িত্ব ভুলে যায়, অন্যের অধিকার ভুলে যায়। এই ভুলে যাওয়ার সংস্কৃতিই আধুনিক সমাজকে এক অদৃশ্য প্রলয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। বিজ্ঞাপনের চকচকে আলোয় মানুষ বুঝতে পারে না কী তার সত্যিকারের প্রয়োজন আর কী কৃত্রিম চাহিদা। বিপণন কৌশল মানুষকে বোঝায়, ‘তোমার হাতে যা আছে, তা যথেষ্ট নয়। আরও চাই, আরও চাই।’ ফলে জন্ম নেয় এক অসীম তৃষ্ণা, যা কোনোদিন মিটবে না।

আমরা যখন প্রয়োজনের অতিরিক্ত কিছু কিনি, তখন ভাবি না, আমাদের এই অতিরিক্তের পেছনে হয়তো কারো প্রয়োজনের অপূর্ণতা লুকিয়ে আছে। আমরা যখন অপ্রয়োজনীয় কিছু ফেলে দিই, তখন বুঝতে পারি না, পৃথিবীর অন্য কোনো প্রান্তে কেউ হয়তো সেই ফেলে দেওয়া বস্তুটির জন্য হাহাকার করছে।

• সমাজে অপচয়ের প্রভাব :-

অপচয় শুধু ব্যক্তিগত ক্ষতির কারণ নয়, এটি সমাজেরও অবক্ষয়ের কারণ। এর ফলাফল ভয়াবহ—

১. পরিবেশ দূষণ: শিল্পবিপ্লবের পর থেকে আমরা এত বেশি অপচয় করছি যে প্রকৃতি তার ভারসাম্য হারাতে বসেছে। প্লাস্টিক, ইলেকট্রনিক বর্জ্য, রাসায়নিক অপচয়—সবকিছু মিলে আমাদের পৃথিবী ধ্বংসের দিকে এগোচ্ছে।

২. সম্পদের বৈষম্য: পৃথিবীর এক অংশের মানুষ বিলাসিতার সাগরে ভাসছে, আরেক অংশ ক্ষুধার্ত শিশুদের কান্নায় মুখ লুকোচ্ছে। এই অসমতাই অপচয়ের নির্মম পরিণতি।

৩. নৈতিক অবক্ষয়: মানুষের মধ্যে সংযমের শিক্ষা হারিয়ে যাচ্ছে। তারা শিখছে, ‘যা ইচ্ছে তা করো, যত খুশি নষ্ট করো, তাতে কিছু যায় আসে না।’ কিন্তু সত্যি কি কিছু যায় আসে না?

•সমাধান: সচেতনতা ও মিতব্যয়িতা :-

অপচয় রোধের জন্য আমাদের জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। ছোট ছোট অভ্যাস বদলালেই আমরা এই সমস্যার সমাধান করতে পারি—

১. পানি ও বিদ্যুৎ সংরক্ষণ: অপ্রয়োজনীয় কল, বাতি বা ফ্যান চালিয়ে না রাখা।

২. খাবার সংরক্ষণ: প্রয়োজন অনুযায়ী রান্না করা, অতিরিক্ত খাবার অপচয় না করা।

৩. সঠিক সম্পদ ব্যবহার: অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা কমানো, পুরোনো জিনিস পুনর্ব্যবহার করা।

৪. সময় ও জ্ঞানের যথাযথ ব্যবহার: অকারণে সময় নষ্ট না করে, সৃষ্টিশীল কাজে যুক্ত হওয়া।

•উপসংহার :-

অপচয় কেবল আমাদের সম্পদের অপচয় নয়, এটি আমাদের ভবিষ্যতেরও অপচয়। এটি আমাদের মূল্যবোধের অবক্ষয়, বিবেকের অবসান। আমরা যদি সত্যিই উন্নত, সচেতন ও দায়িত্বশীল জাতি হতে চাই, তাহলে আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপে সংযম ও মিতব্যয়িতা চর্চা করতে হবে।অপচয়ের থলি কি আমরা সত্যিই ফেলে দিতে পারবো? যদি পারি, তাহলে সেটাই হবে আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন—একটি সুশৃঙ্খল, সচেতন, ও আলোকিত জীবনের দিকে অগ্রসর হওয়ার প্রথম পদক্ষেপ।

অপচয় শুধু অভ্যন্তরীণ শূন্যতারই নয়, এটি এক ধরনের অজ্ঞতা, যা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির সংকীর্ণতা তৈরি করে। আমরা যদি সচেতন না হই, তবে এ অপচয় আমাদের সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও আধ্যাত্মিক জীবনে এক গভীর ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। তাহলে, অপচয়ের থলি আর বাড়াতে চাই না। প্রতিটি ফোঁটা, প্রতিটি মুহূর্তকে আমরা শ্রদ্ধা জানাই—এটাই হবে আমাদের সচেতনতা, আমাদের দায়িত্ব এবং আমাদের মানবিকতার উৎকর্ষ।

© ✍️ Hafez S.M. Rezaul Alam - সৈয়দ রেজাউল আলম মাশরাফী

" হিফজরত ও হিফজ সমাপ্তকৃত ভাইদের জন্য "=================================(১) বিশ্বখ্যাত হাফেজ-ক্বারীদের তিলাওয়াত শুনুন।(...
28/06/2024

" হিফজরত ও হিফজ সমাপ্তকৃত ভাইদের জন্য "
=================================

(১) বিশ্বখ্যাত হাফেজ-ক্বারীদের তিলাওয়াত শুনুন।

(২) দৈনিক অন্তত ০২-পারা তিলাওয়াত করুন।যাতে একমাসে দুইবার সম্পূর্ণ করতে পারেন। একমাসে দুইবার হলে, বারো মাসে হবে ২×১২= ২৪ বার। আর আপনার অন্য পড়া না থাকলে, আরো বেশি তিলাওয়াত করুন।

(৩) তিলাওয়াতকৃত পারা থেকে প্রতিদিন সর্বনিম্ন ১-পারা নামাজে তিলাওয়াত করুন।

(৪) নিজ থেকে বেশি বেশি মেহনত (পরিশ্রম, চেষ্টা)করুন।

(৫) প্রতিদিনের অবসর সময়ে অপর ছাত্র ভাই মিলে পরস্পর প্রশ্ন পরুন বিভিন্নভাবে। এবং প্রশ্ন করুন বিচারকের মতো।

(৬) চলার পথে,উঠাবসায় সর্বদা তিলাওয়াত করুন। যেখানে কুরআন তিলাওয়াত শরীয়তে বাধা নেই।

(৭) উস্তাদ তথা শিক্ষকের দেওয়া পরামর্শ অনুযায়ী চলুন।

(৮) গুনাহর কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখুন। এবং সাওয়াবের কাজ করুন, আক্বিদা ঠিক করে।

(৯) তাহাজ্জুদ এর নামাজসহ বিভিন্ন নফল আদায় করুন ফরজ, ওয়াজিব ও সুন্নত এর পাশাপাশি।

(১০) আল্লাহর কাছে খুব বেশি দোয়া করুন। আর সর্বদা প্রিয়নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)'র উপর এবং তার বংশের উপর দরূদ পড়ুন।

©✍️ Syed Rezaul Alam Mashrafi

সেই ব্যক্তি শবে কদর থেকে নিজের ভাগ্যের অংশটুকু অর্জন করলো © Original Picture : DawateIslami Translator               : S...
26/03/2024

সেই ব্যক্তি শবে কদর থেকে নিজের ভাগ্যের অংশটুকু অর্জন করলো

© Original Picture : DawateIslami
Translator : Syed Rezaul Alam Mashrafi
Photo re-edit : নকশাকার-Nakshakar

সর্বাবস্থায় আল্লাহ তায়ালার প্রতি কৃতজ্ঞা প্রকাশ করো !© Original Picture : DawateIslami Translator               : Syed...
25/03/2024

সর্বাবস্থায় আল্লাহ তায়ালার প্রতি কৃতজ্ঞা প্রকাশ করো !

© Original Picture : DawateIslami
Translator : Syed Rezaul Alam Mashrafi
Photo re-edit : নকশাকার-Nakshakar

Address

Ator Ali Shorok
Chittagong
4337

Opening Hours

Monday 15:00 - 23:30
Tuesday 15:00 - 23:30
Wednesday 15:00 - 23:30
Thursday 15:00 - 23:30
Friday 00:00 - 00:00
Saturday 00:00 - 00:00
Sunday 15:00 - 23:30

Telephone

+8801860944938

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Syed Mohammad Rezaul Alam Mashrafi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Syed Mohammad Rezaul Alam Mashrafi:

Share