এবং - Ebong

এবং - Ebong ইলেকট্রনিক গ্যাজেট
এবং
গিফট আইটেম

04/05/2026

সময় থাকতে সময়ের মূল্য দিন, বিশেষ করে যুবক বয়সে

03/05/2026

অহংকার থেকে দূরে থাকুন, কারণ অহংকার পতনের মূল।

02/05/2026

কারো দোষ খুঁজবেন না, বরং নিজের ভুলগুলো সংশোধনের চেষ্টা করুন।

01/05/2026

গুনাহ হয়ে গেলে দেরি না করে দ্রুত তওবা করে নিন।

30/04/2026

কুরআন শুধু তেলাওয়াত করার জন্য নয়, বরং বোঝার এবং মানার জন্য।

আপনার দিনটি অন্তত এক আয়াত অর্থসহ পড়ার মাধ্যমে শুরু করুন।

29/04/2026

বিপদ দেখে ঘাবড়ে যাবেন না, বরং সবর করুন।

28/04/2026

মানুষের কাছে চাইলে ছোট হতে হয়, কিন্তু আল্লাহর কাছে চাইলে সম্মান বাড়ে।

তাই সকল চাওয়া-পাওয়া শুধু তাঁর কাছেই নিবেদন করুন।

কোন এক সুযোগ পেলেই বাংলাদেশের সিন্ডিকেট দাঁড়িয়ে যায়!
07/03/2026

কোন এক সুযোগ পেলেই বাংলাদেশের সিন্ডিকেট দাঁড়িয়ে যায়!

পূজা মন্ডপের পাশেই খেলছিল মুসলিম মেয়েটা। তার সমবয়সী বাকি মেয়েরাও খেলা করছিল। তাদেরকে দেখেই খেলতে এসেছিল এই মেয়েটা। মাকে ...
02/10/2025

পূজা মন্ডপের পাশেই খেলছিল মুসলিম মেয়েটা। তার সমবয়সী বাকি মেয়েরাও খেলা করছিল। তাদেরকে দেখেই খেলতে এসেছিল এই মেয়েটা।

মাকে বলেছিল খেলা শেষ করেই বাড়িতে ফিরবে।

খেলার মাঝখান থেকে ভজেন্দ্র সরকার মেয়েটাকে ডাক দেয়। মেয়েটা ছোট মানুষ এতকিছু না ভেবে যায়।

মেয়েটা ভেবেছিল কোন কাজে হয়তো ডাক দিয়েছে। কাজ শেষ হলেই সে ফিরে এসে আবারও বাকিদের সাথে খেলা করবে।

ভজেন্দ্র সরকার সেখানকার পূজামণ্ডপের সহসভাপতি, ভালোই প্রভাবশালী সে।

সে প্রথমে বাচ্চা মেয়েটাকে ডেকে নিজের কাছে নিয়ে যায়, তারপর কিছু একটা কাজের বাহানা করে তার নিজের ঘরে ঢুকায়। মেয়েটাও ছোট মানুষ, এতকিছু না ভেবে ঘরে যায়।

ঘরে ঢুকার পরপরই ভজেন্দ্র সরকার বাচ্চা মেয়েটাকে বিছানায় ফেলে তার কাপড়চোপড় ছিন্নভিন্ন করে নগ্ন করে ফেলে।

আচমকা এমনসব করায় প্রচন্ড ভয় পায় মেয়েটা এবং চিৎকার করে ডাকতে শুরু করে। মেয়েটাকে মুখ খুলতে দেখে ভজেন্দ্র সরকার খুব রেগে যায়

তারপর নিজের গামছা দিয়ে প্রথমে মেয়েটার মুখ বাঁধে এবং তারপর হাত পা পেচিয়ে অনবরত ধ*র্ষণ করতে থাকে।

মেয়েটা মুখ দিয়ে কোনরূপ আওয়াজ করতে পারছিল না, কাউকে ডাকও দিতে পারছিল না। হাত পা নাড়ছিল, গোঙাচ্ছিল আর চোখ দিয়ে পানি পড়ছিল শুধু।

বাচ্চা মেয়েটার চোখে পানি দেখেও ভজেন্দ্র সরকার থামেনি, অনেকক্ষণ যাবত অমানবিকভাবে ধ*র্ষণ করতে থাকে মেয়েটাকে।

মেয়েটার কাপড় রক্তে ভরে উঠছিল, শরীর কাঁপতেছিল।

মেয়েটা বারবার হাত দিয়ে থামানোর চেষ্টা করছিল কিন্তু পারেনি, ভজেন্দ্র সরকারের এতবড় শরীরের সাথে তার এই ছোট্ট শরীর পেরে উঠছিল না।

অনেকক্ষণ ধ*র্ষণের পর ভজেন্দ্র সরকার ওভাবেই মেয়েটাকে ফেলে রেখে চলে যায়।

মেয়েটা তখন শুধু গোঙানির মতো আওয়াজ করছিল আর ভয়ে কাঁপছিল।

মেয়েটার এই অল্প আওয়াজ কেউ শুনতে পায়নি কেননা পূজামণ্ডপের সাউন্ডবক্সে তখন গান বাজতেছিল আর এই ঘরের সবাইও ওই পূজাতেই ছিল।

অন্যদিকে মেয়েটাকে বাড়িতে ফিরতে না দেখে মেয়ের মা ফাতেমা বেগম চিন্তিত হয়ে পড়ে। অনেকক্ষণ আগে বের হয়েছিল মেয়েটা।

মেয়েটাকে খুঁজতে খুঁজতে তিনিও চলে আসেন পূজামণ্ডপের দিকে। অনেককেই জিজ্ঞেস করেন কিন্তু কেউই মেয়েটার কথা বলতে পারছিল না। মা এবং বড়ভাই হন্য হয়ে খুঁজতে থাকে বাচ্চা মেয়েটাকে।

যে মেয়েগুলোর সাথে খেলেছিল তাদেরকে পরে জিজ্ঞেস করে মেয়েটার মা। তারা জানায়- ভজেন্দ্র সরকার নামের লোকটা মেয়েটাকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল।

মেয়ের মা ফাতেমা বেগম তখন ভজেন্দ্র সরকারকে খুঁজতে থাকে, তাকে না পেয়ে তার ঘরে ঢুকে দেখতে পায়-
তার আদরের মেয়েটার মুখ গামছা দিয়ে বাঁধা, এবং রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। মুখ দিয়ে গোঙানির আওয়াজ করছে শুধু।

ঘটনাটা গতকাল সকাল ১১ টায় গাজীপুরের।
ভজেন্দ্র রায় পূজা কমিটির সহসভাপতি, বিরাট প্রভাবশালী লোক।

সে চেয়েছিল তাদের হিন্দু সমপ্রদায়ের লোকদেরকে নিয়ে ঘটনাকে ধামাচাপা দিয়ে দিতে এবং ধ*র্ষণের আলামতগুলো মুছে ফেলতে।

মেয়েটার মা এবং বড়ভাই এটা বুঝতে পেরে তাদের এলাকার মুসলিম আত্মীয়দেরকে নিয়ে আসে যাতে অন্তত আলামতগুলো মুছে ফেলতে না পারে।

সেখানে ভজেন্দ্র সরকারের লোকেরা তাদেরকে মারধর করতে চায়, হানাহানির মতো পরিবেশ সৃষ্টি করে।

পরে মেয়েটার মা ফাতেমা বেগম সন্ধ্যার দিকে নিরুপায় হয়ে কাশিমপুর থানায় মামলা করে। পুলিশ এসে ধ*র্ষণের আলামতগুলো পায়।

তারপর মেয়েটাকে গাজীপুর মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়।

ভজেন্দ্র সরকার এখন চেষ্টা করছে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের দিয়ে জামিন নিয়ে নিতে।

ঘটনাটা গতকালকের। অথচ এখন পর্যন্ত প্রথম আলো, ডেইলি স্টার বা বড় কোন চ্যানেলকে এটা নিয়ে নিউজ করতে দেখলাম না। কোন শাহবাগীকেও আওয়াজ তুলতে দেখলাম না।

অথচ ঘটনাটা যদি উল্টো হতো, কোন মুসলিম হুজুর যদি ভিন্ন ধর্মের কাউকে ধ*র্ষণ করতো তাহলে হয়তো চারদিক তোলপাড় হয়ে যেত।

ধ*র্ষকের একমাত্র পরিচয় সে ধ*র্ষক। কিন্তু যখন হিন্দু সম্প্রদায়ের কারো দ্বারা মুসলিম কেউ ধ*র্ষণ তখন কেন যেন মিডিয়া কিচ্ছু বলে না, চুপ করে থাকে।

এই ফাঁকে ভজেন্দ্র সরকারের মতো প্রভাবশালীরা জামিন নিয়ে বের হয়ে আসে।

২০১৫ সালের ধ*র্ষণ মামলার বিচারগুলো এখন আদালতে হচ্ছে। প্রায় ১১ বছর সময় লাগে একটা বিচার হতে।

তাই এই মুসলিম বাচ্চা মেয়েটাও কোন বিচার পাবে কি-না জানি না।

মেয়েটা এখন হাসপাতালে ভর্তি আছে। হাসপাতালে থেকেই এই সমস্ত ঘটনার বর্ণনা দিয়েছে সে।

এখন মেয়েটা প্রচন্ড ব্যথায় সে শুধু মা মা বলে ডাকে আর কান্না করে। মেয়েটার বয়স কম। ৮ বছর বয়স মাত্র! এত অল্প বয়সে কিছু বুঝে উঠার আগেই এত বড় যন্ত্রণা পেতে হলো তার।

মেয়েটার মাও হাসপাতালে তার বেডের পাশেই বসে আছে। বসে বসে এখন মেয়েটার মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে আর সান্ত্বনা দিচ্ছে - কিছু হবে না মা বলে।

এই দেশে সঠিক বিচার তো পাবেই না। তাই মাথায় হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দেওয়া ছাড়া বোধহয় আর কিছুই করার নেই এই অসহায় মায়ের!

তথ্য সংগ্রহ এবং লেখা- Ibrahim Khalil Shawon
( ঘটনার সব আপডেট নেয়া হচ্ছে, বিস্তারিত আরও কিছু ইনফো জানাব..)

গত পাঁচ মাসে অন্তত চারটি ভয়াবহ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে অভিযুক্তরা হিন্দু এবং ভিক্টিমরা সবাই মুসলিম। অথচ এসব ঘটনায় দেশ...
25/09/2025

গত পাঁচ মাসে অন্তত চারটি ভয়াবহ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে অভিযুক্তরা হিন্দু এবং ভিক্টিমরা সবাই মুসলিম। অথচ এসব ঘটনায় দেশের কথিত বিশিষ্ট নাগরিক, প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবী, সেক্যুলার বামনেতারা, ও রাজনৈতিক দলগুলো কার্যত নীরব। কোনো বিবৃতি নেই, নেই প্রতিবাদের ভাষা, এমনকি একটি ছোট্ট ফেসবুক পোস্টও নয়।

মে ৭, ২০২৫: নোয়াখালীর এক মাদ্রাসাছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ঢাকায় এনে একাধিকবার ধর্ষণ করে এবং পতিতালয়ে বিক্রি করে শুভজিৎ মন্ডল।

আগস্ট ১৪, ২০২৫: লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ১৪ বছরের এক তরুণীকে তুলে নিয়ে টানা সাতদিন আটকে রেখে ধর্ষণ করে জয় কুড়ি।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৫: সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার কালিবাড়ি বাজার এলাকায় ১২ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণ করে স্থানীয় পুরোহিত নবদ্বীপ বৈদ্য।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৫: পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ করে কনিক রায় নামে এক যুবক।

এসব ঘটনায় মুসলিম কিশোরী, বাচ্চাদের ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হতে হলেও তথাকথিত বিশিষ্ট নাগরিক সমাজ, রাজনৈতিক দল গুলার নেই নূনতম প্রতিবাদ।

আমরা দেখেছি গতবছর কলকাতায় আরজিকর হাসপাতালে ধর্ষণের ঘটনায় ঢাকার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এক উপদেষ্টা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানিয়েছে।

মাগুরায় ধর্ষণের শিকার আছিয়ার বাড়িতে গিয়েও রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা স্বান্তনা দিয়ে আসছে

এইতো কয়েকদিন আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাকসু নির্বাচনকে ঘিরে এক বামপন্থী নারী শিক্ষার্থীকে ফেসবুকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়ার ঘটনায় ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। এক্ষেত্রে বিশিষ্ট নাগরিকরা কঠিন প্রতিবাদ জানান, রাজনৈতিক দলগুলো তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দেয়, তাদের ছাত্র সংগঠনগুলো সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল করে, আর মূলধারার গণমাধ্যম ঘন্টার পর ঘন্টা ব্রেকিং নিউজ প্রচার করে।

অবশ্যই তাদের এই প্রতিবাদকে আমরা স্বাগত জানাই । কিন্তু যখন দেখা যায়— ধর্ষক হিন্দু হলে একই বিশিষ্ট নাগরিক, একই রাজনৈতিক শক্তি ও বুদ্ধিজীবী শ্রেণি নীরব থাকে, তখন প্রশ্ন উঠে: তাদের লক্ষ্য কি আসলে ধর্ষণের বিচার, নাকি ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধকেও রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা?

লেখক ও ডাক্তার রাফান আহমেদ বলেন:
“আমাদের সমাজে ক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারা বিশিষ্টজনেরা যে সংস্কৃতির ধারক বাহক তা বাঙালি, লিবারেল, আধুনিক নানা নামে পরিচিত। তো স্বভাবতই উদারনৈতিক হলে সবার প্রতি হওয়া অন্যায়ে সমানভাবে প্রতিবাদ করার কথা। কিন্তু এখানেই শুভঙ্করের ফাঁকি। হিন্দু পুরোহিত ধর্ষণ করলে, কিংবা চিন্ময়রা শিশু নিপীড়ন করলে তেমন প্রতিক্রিয়া দেখা যায় না যেমনটা মুসলিম সম্পৃক্ত কেউ করলে দেখা যায়। এর কারণ কী? বাঙালির কল্পনার উদারনীতির ময়দানে ইসলাম জায়গা পায়নি। সে ক্ষমতার কাছে ‘অপর’ হিসেবে সাব্যস্ত। তাই হয়ত তার সাথে সম্পৃক্ত অপরাধ নিয়ে বাঙালি যে রাজনীতি করে, মুসলমান নির্যাতিত হলেও তেমন প্রতিক্রিয়া হয় না। বরং এমন কাঠামো তৈরি করা হয় যাতে মুসলমান নির্যাতিত হয়েও জালিম হিসেবে পরিচিত থাকে।”

এখানেই মূল দ্বিচারিতা। মানবাধিকারের প্রশ্নে সমতা দাবি করা হয়, কিন্তু বাস্তবে ধর্মীয় পরিচয় দেখে প্রতিবাদের মাত্রা নির্ধারণ করা হয়। ধর্ষণ বা নির্যাতনের ক্ষেত্রে যদি ভিক্টিম মুসলিম হয় আর অপরাধী হিন্দু হয়— তবে তা মূলধারার লিবারেল মহল, তথাকথিত বিশিষ্টজনের কাছে এটি কোন খবরই নয়। এই নীরবতা কেবল অপরাধীদের প্রশ্রয় দেয় না, বরং সমাজে ভয়াবহ বিভাজন তৈরি করে।ধর্ষণ কোনো রাজনৈতিক অস্ত্র নয়। এটি মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। কিন্তু বাংলাদেশের লিবারেল-সেক্যুলার মহল প্রমাণ করেছে যে তারা ধর্ষণের বিরুদ্ধে নয়, বরং নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে আঘাত করার হাতিয়ার হিসেবে ধর্ষণ ইস্যু ব্যবহার করে। এতে ভিক্টিমদের ন্যায়বিচার তো দূরের কথা, বরং অপরাধীরা আরো উৎসাহিত হয়।

Address

Chittagong

Telephone

1600000001

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when এবং - Ebong posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share