03/10/2026
#মাল্টার_ দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার আগেই অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব,
তবে মুক্তবাজার অর্থনীতি এবং আমদানিনির্ভর পণ্যের ক্ষেত্রে সরকারের আগাম পদক্ষেপ নেওয়ার পেছনে কিছু আইনি ও লজিস্টিক সীমাবদ্ধতা থাকে।
সম্প্রতি বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ব্যবসায়ীদের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন যে, যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকা ও মিসর থেকে প্রতি কেজি মাল্টা ৮৭ টাকায় আমদানি করা হচ্ছে, সেখানে শুল্ক ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে আমদানিকারকদের ব্যয় ২৩০-২৪০ টাকা হলেও খুচরা বাজারে সেটি কেন ৪৮০ থেকে ৫২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
#দাম বাড়ার আগেই যে সমস্ত পদক্ষেপের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা যেত বা যায়:
#আগে থেকেই শুল্ক পুনর্নির্ধারণ করা: আমদানিকৃত সাইট্রাস ফলের ওপর বর্তমানে প্রায় ১২১.৭৮% উচ্চ শুল্ক-কর রয়েছে, যার ফলে বন্দরেই পণ্যটির দাম দ্বিগুণের বেশি হয়ে যায়। ডেঙ্গুর মতো মৌসুমি রোগের সময়ে মাল্টার চাহিদা যখন হঠাৎ বাড়ে, তখন সরকার আগে থেকেই শুল্ক সাময়িকভাবে কমিয়ে দিলে আমদানিকারকদের খরচ কমে আসে এবং বাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।
#সরবরাহ_ ও এলসি মনিটরিং: ব্যবসায়ীদের তথ্যমতে, স্বাভাবিক চাহিদার জন্য প্রতিদিন প্রায় ১৫ কনটেইনার মাল্টা প্রয়োজন হলেও সংকটকালে কোনো কোনো সপ্তাহে মাত্র ১২ থেকে ২৯ কনটেইনার মাল্টা দেশে এসেছে। ডলার সংকট বা এলসি (LC) খোলার জটিলতা যদি সরকার আগে থেকেই সমাধান করে আমদানির বিকল্প উৎস সহজ করত, তবে সরবরাহের এই ঘাটতি ও দামের হঠাত বৃদ্ধি এড়ানো যেত।
#নিয়মিত ও আগাম বাজার মনিটরিং: জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সাধারণত দাম বৃদ্ধির অভিযোগ পাওয়ার পর বা সংকট তৈরি হলে বাজারে অভিযান চালায়। তবে আমদানিকারক, পাইকারি আড়তদার এবং খুচরা বিক্রেতাদের মধ্যে হাতবদলের প্রতিটি স্তরে যদি মূল্যতালিকা টাঙানো বাধ্যতামূলক করে নিয়মিত তদারকি করা হতো, তবে মধ্যস্বত্বভোগীদের অতি মুনাফা করার সুযোগ তৈরি হতো না।
শুধু মাল্টা নয় প্রতিটি পণ্যের।