মিজান কম্পিউটার ল্যাব.

মিজান কম্পিউটার ল্যাব. Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from মিজান কম্পিউটার ল্যাব., Computer Company, তারাকান্দা বড় মসজিদ মার্কেট, তারাকান্দা, ময়মনসিংহ .

28/12/2025
26/10/2024

ভাষা আন্দোলন

বাংলা ভাষা আন্দোলন ছিল ১৯৪৭ থেকে ১৯৫২ পর্যন্ত তৎকালীন পূর্ব বাংলায় (বর্তমান বাংলাদেশে) সংঘটিত একটি সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন। মৌলিক অধিকার রক্ষাকল্পে বাংলা ভাষাকে ঘিরে সৃষ্ট এ আন্দোলন ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে চূড়ান্ত রূপ ধারণ করলেও, বস্তুত এর বীজ রোপিত হয়েছিল বহু আগে। অন্যদিকে, এর প্রতিক্রিয়া এবং ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী।

প্রেক্ষাপট
১৯৪৭ সালে চৌধুরী খালিকুজ্জামান এবং আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. জিয়াউদ্দিন আহমদ উর্দুকে রাষ্ট্রভা করার পক্ষে প্রস্তাব করেন। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহসহ বেশ কিছু বাঙালি লেখক বুদ্ধিজীবী এর তীব্র প্রতিবাদ করেন। ১৯৪৭ সালে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ দৈনিক আজাদ' পত্রিকায় 'পাকিস্তানের ভাষা সমস্যা শিরোনামে একটি নিবন্ধ প্রক করেন। এখানে তিনি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি উত্থাপন করেন। এ সময় ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এক ভাষণে বলেছিলেন, 'আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙ্গালি'।

গণপরিষদে বাংলার দাবি

১৯৪৮ সালের ২৩ শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের গণপরিষদে ইংরেজি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকে গণপরিষদে বক্তৃতা প্রদানের এবং রাষ্ট্র ভাষা করার দাবি জানান কুমিল্লার সাংসদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত। সেই দিন অধিবেশনে বাংলার পক্ষে ভোট পড়ে ১৫টি এবং বিপক্ষে ভোট পড়ে ৫১টি।

দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ও ভাষা দিবস

রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ দ্বিতীয়বারের মতো গঠিত হয়- ২ মার্চ, ১৯৪৮ সালে।
আহ্বায়ক- শামসুল আলম।
কর্মসূচিঃ ১১ মার্চ- বিক্ষোভ কর্মসূচি, ধর্মঘট, স্মারক লিপি পেশ। বিক্ষোভে বঙ্গবন্ধুসহ বহু ছাত্র হতাহত ও গ্রেপ্তার হয়।
এই প্রেক্ষিতে ১১ ই মার্চ 'বাংলা ভাষা দাবি দিবস' হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় ।
১৯৪৮-৫২ সাল পর্যন্ত ১১ই মার্চকে ভাষা দিবস হিসেবে পালন করা হত।
জিন্নাহ'র ঘোষণা ও ছাত্রদের প্রতিবাদ

১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঘোষণা করেন "Urdu and only Urdu shall be the state language of Pakistan" এছাড়াও ২৪ শে মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে কার্জন হলে পুনরাবৃত্তি করলে ছাত্ররা না না বলে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানায়। ১১ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৮ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মৃত্যুবরণ করেন। এরপর গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন খাজা নাজিমুদ্দীন।

ভাষা আন্দোলনের ৩টি সংগ্রাম পরিষদ
নাম গঠনের সময়কাল আহ্বায়ক
রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ১ অক্টোবর, ১৯৪৭ নূরুল হক ভূঁইয়া
২য় বার রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ (সংস্কার) ২ মার্চ, ১৯৪৮ আহ্বায়ক শামসুল আলম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ১১ মার্চ, ১৯৫০ আব্দুল মতিন
সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ৩১ জানুয়ারি, ১৯৫২ কাজী গোলাম মাহবুব
আন্দোলন সংগ্রামে অন্যান্য সংগঠন

তমদ্দুন মজলিস- ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
পূর্ব বাংলা ভাষা কমিটি- ৯ মার্চ, ১৯৪৯
সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ- ৫ জানুয়ারি, ১৯৬৯
গণতান্ত্রিক সংগ্রাম পরিষদ ৮ জুন, ১৯৬৯
ভাষা আন্দোলনকালীন পাক-নেতৃত্ব

পূর্ব বাংলার মূখ্যমন্ত্রী

নুরুল আমিন

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

খাজা নাজিমুদ্দিন

পাকিস্তানের গভর্নর
মালিক গোলাম মোহাম্মদ

পূর্ব বাংলা ভাষা কমিটি

১৯৪৯ সালের ৯ই মার্চ পাকিস্তান সরকার বাংলা ভাষা সংস্কারের নামে মাওলানা আকরাম খাঁ সভাপতি করে ১৬ সদস্যের একটি 'পূর্ব বাংলা ভাষা কমিটি' গঠন করে দেয়। ১৯৫১ সালে লিয়াকত আলী খান মৃত্যুবরণ করলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন খাজা নাজিমুদ্দীন।

21/11/2021
11/04/2021

কত সালে বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটার স্থাপিত হয়?

দেশে প্রথম কম্পিউটার এসেছিল যাঁর হাত ধরেগল্পটা ১৯৬৪ সালের। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ৯৫ শতাংশ জনগণ টেলিভিশন কী বস্তু, তা...
11/04/2021

দেশে প্রথম কম্পিউটার এসেছিল যাঁর হাত ধরে

গল্পটা ১৯৬৪ সালের। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ৯৫ শতাংশ জনগণ টেলিভিশন কী বস্তু, তা-ই জানেন না। সে সময় জাহাজে চড়ে তৎকালীন পাকিস্তানে এলো ঢাউস আকৃতির এক কম্পিউটার। শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে সেটি পাঠিয়েছে বন্ধুরাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্র। আইবিএমের মেইন ফ্রেম ১৬২০ কম্পিউটার ছিল সেটি।

আকারে প্রমাণসাইজের একটি ঘরের চেয়ে বড়। যন্ত্র তো দেশে এলো; কিন্তু বাধল বিপত্তি যন্ত্রের ব্যবহার নিয়ে। তৎকালীন শাসকরা পড়লেন মহাবিপদে। যুক্তরাষ্ট্রের বদান্যতায় যন্ত্র পাওয়া গেছে বটে, শেষে কি যন্ত্র চালাতেও তাদেরই শরণাপন্ন হতে হবে! কেউ কি নেই দেশে, যে চালাতে পারবে ওই যন্তর-মন্তর! অনেক খোঁজাখুঁজির পর পাওয়া গেল একজনকে। তাঁর নাম মো. হানিফউদ্দিন মিয়া। পূর্ব পাকিস্তানের বাসিন্দা। তিনি এই কম্পিউটারের ব্যবহার জানেন। কেননা, অ্যানালগ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং বিষয়ে ট্রেনিং করেছেন তিনি। অগত্যা ডাক পড়ল তাঁর। পাকিস্তানের লাহোরে গিয়ে এই কম্পিউটারের ব্যবহারের আহ্বানও জানানো হলো তাঁকে। প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলো, সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে। কিন্তু বেঁকে বসলেন হানিফউদ্দিন। নিজের দেশ ছেড়ে কোথাও যাবেন না তিনি। কী আর করা! অবশেষে ঢাউস আকৃতির কম্পিউটারটিকে এনে বসানো হলো ঢাকার আণবিক শক্তি কমিশনের কার্যালয়ে। হানিফউদ্দিনের হাত ধরেই শুরু হলো সেটার ব্যবহার।

যে হানিফউদ্দিনের হাত ধরে বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটার এসেছিল, সেই প্রথম কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে আজ এত বছর পর সম্মাননা জানাতে যাচ্ছে সরকারের আইসিটি বিভাগ ও বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি। আজ বুধবার আইসিটি এক্সপো-২০১৫-তে হানিফউদ্দিনের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে সম্মাননা স্মারকসহ বিশেষ পুরস্কার।

আইসিটি এক্সপো-২০১৫-তে কথা হয় হানিফউদ্দিন মিয়ার ছেলে ইঞ্জিনিয়ার মো. শরীফ হাসানের সঙ্গে। তিনি জানান, হানিফউদ্দিনের বাড়ি নাটোরের সিংড়ার হুলহুলিয়া গ্রামে। ১৯২৯ সালের ১ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করা মানুষটি মারা যান ২০০৭ সালের ১১ মার্চ। প্রথম কম্পিউটার আসার স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ‘যখন প্রথম কম্পিউটার এ দেশে এসেছে, তখন আমরা অনেক ছোট। আণবিক শক্তি কমিশনে বাবার কার্যালয়ে আমরা নিজেরাও সেই কম্পিউটারে অনেক সময় কাটাকাটি খেলতাম।’

বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তির অন্যতম পথিকৃৎ মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘বাংলাদেশে কম্পিউটার আসার ৫০ বছর পূর্ণ হলো ২০১৪ সালে। সঠিক তারিখটা জানি না বলে এটিও জানি না, কবে সেটি পার হয়েছে। পরমাণু শক্তি কমিশনসহ অনেকের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করেও এখনো জানতে পারিনি, পরমাণু শক্তি কমিশন কোন তারিখে সেই কম্পিউটার স্থাপন করেছিল। তবে ১৯৬৪ সালে পরমাণু শক্তি কমিশনে একটি আইবিএম-১৬২০ যে স্থাপিত হয়েছিল, সে বিষয়ে কারো কোনো সন্দেহ নেই।’ তিনি আরো বলেন, ‘এই কম্পিউটারের ব্যবহারকারী মো. হানিফউদ্দিন মিয়ার সঙ্গে কথা বলে আমি সেটি নিশ্চিত করেছি। আমার মনে আছে, ১৯৯৭ সালে বিটিভিতে আমি যখন কম্পিউটার অনুষ্ঠানটি প্রথম শুরু করি, তখন হানিফউদ্দিন মিয়ার একটি ভিডিও সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম, যেখানে তিনি বাংলাদেশে কম্পিউটার আসার গল্পটি বলেছিলেন।’

মোস্তাফা জব্বার বলেন, অনেক দূরের ঘটনা বলেও এই কথা অন্তত মনে আছে যে, বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম কম্পিউটারটি বাংলাদেশে স্থাপনের জন্য কেনা হয়নি। সেটি পাকিস্তান পরমাণু শক্তি কমিশন, লাহোরে বসার কথা ছিল। সে অনুযায়ী আইবিএম সেটি করাচি সমুদ্রবন্দরে পাঠানোর কথা ভেবেছিল। কিন্তু লাহোরে সেই কম্পিউটার পরিচালনা করার কোনো মানুষ পাওয়া যায়নি। কম্পিউটারটি চালানোর দায়িত্ব পড়েছিল হানিফউদ্দিন মিয়ার ওপর। তিনি বাইরে থেকে প্রশিক্ষণও নিয়ে এসেছিলেন। তাঁকে যখন লাহোর যেতে বলা হয়, তখন তিনি বেঁকে বসেন। মূলত তাঁর চাপেই করাচি সমুদ্রবন্দরে না গিয়ে কম্পিউটারটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে আসে এবং পাকিস্তান পরমাণু শক্তি কমিশনের ঢাকা কেন্দ্রে সেটি স্থাপিত হয়।

মোস্তাফা জব্বার জানান, ১৯৭৬ সালের আগে দুনিয়ায় ছোট কম্পিউটার তো ছিলই না। ফলে সারা দুনিয়ার চিত্রটাই এমন ছিল যে, বিশেষত গণনাকাজের জন্য কম্পিউটার ব্যবহৃত হতো এবং কেবল প্রোগ্রামাররাই এসব যন্ত্র পরিচালনা করতেন। তবে ১৯৭৬ সালের পর দুনিয়ায় ব্যক্তিগত কম্পিউটারের (পিসি) আবির্ভাব ঘটলেও তার প্রভাব বাংলাদেশে পড়েনি। অ্যাপল সিরিজের কম্পিউটারগুলো এ দেশের সাধারণ মানুষের হাতে যায়নি। কেবল ঢাকার আমেরিকান স্কুলে ব্যবহৃত হতো এগুলো। এমনকি ১৯৮১ সালে আইবিএম পিসি বাজারে আসার পরও এ দেশে পিসির ব্যবহার মোটেই বাড়েনি। কিছু কিছু লোক ওয়ার্ডস্টার, লোটাস আর ডিবেজ ব্যবহার করতেন বটে। তবে একে কোনোভাবেই জীবনের মূল স্রোতের সঙ্গে যুক্ত বলে ধরা যেত না।

বিজয় মাল্টিমিডিয়ার এই স্বত্বাধিকারী জানান, সংগত কারণেই ৫০ বছর পরে হলেও বাঙালি জাতির, বাংলাদেশের মানুষের জাতীয় দায়িত্ব হচ্ছে হানিফউদ্দিন মিয়াকে একবারের জন্য হলেও একটি ফুলের তোড়া প্রদান করা। তিনি বলেন, ‘এবার আমরা চাইছি, দেশের প্রথম কম্পিউটার অপারেটরকে খানিকটা সম্মান জানাতে। এর মাধ্যমে অনেকে হানিফউদ্দিন মিয়াকেও জানতে পারবেন।’

তথ্যপ্রযুক্তির অন্যতম এ পথিকৃৎ বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার চালককে জানা মানেই একটা ইতিহাস চোখের সামনে চলে আসা। আমরা আর কিছু করতে না পারি, সেই প্রথম বাংলাদেশি মানুষটি, যিনি কম্পিউটারে হাত রেখেছেন, তাঁকে সম্মান তো জানাতে পারি। তাঁর কথা লিখতে পারি, বলতে পারি। তিনি দেশ ছেড়ে গেলেন না বলেই তো আমরা এখন গর্ব করতে পারছি।’

দেশে প্রথম কম্পিউটার এসেছিল যাঁর হাত ধরে
11/04/2021

দেশে প্রথম কম্পিউটার এসেছিল যাঁর হাত ধরে

Address

তারাকান্দা বড় মসজিদ মার্কেট, তারাকান্দা
ময়মনসিংহ
2252

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মিজান কম্পিউটার ল্যাব. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to মিজান কম্পিউটার ল্যাব.:

Share